১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৩
হঠাৎ করে একজন নারীর জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন
একটি মেয়ে জন্মের পর থেকে তার মা-বাবা, ভাই-বোনের আদরে বড় হতে থাকে। দীর্ঘ ২৫-২৬ বছর সে একই পরিবেশে বড় হতে থাকে। একই মায়ের হাতের রান্না খেয়ে তৃপ্তি পেয়ে থাকে। দিন দিন যখন সে বড় হতে থাকে তার পাশাপাশি সে নিজ পরিবার থেকে কিছু দায়িত্ববোধও শিখে। এভাবে একদিন তার বিয়ে হয়ে যায় এবং হঠাৎ করেই একদিনের মধ্যে তার দীর্ঘ জীবনের পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে যায়। সে নিজ মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি চলে যায় এবং একেবারেই একাকী হয়ে যায়, না ভাইবোন সাথে না মা-বাবা সাথে। সে হঠাৎ করেই একাকী হয়ে যায় সবাইকে ছেড়ে যাদের সাথে সে এতোটা দিন একত্রে থেকেছে, একই রকম রান্না খেয়েছে, একই পরিবেশে বড় হয়েছে।
সর্বপ্রথমে সে সম্পূর্ণ একটি নতুন লোকের সাথে স্বামী হিসেবে সংসার করা শুরু করে। স্বামীর বাড়ি আসার পর থেকে নিজ স্বামীকে চিনতেই বেশ কিছু দিন সময় লেগে যায় যেমন : তার মনমানসিকতা, তার ধ্যান-ধারণা, তার চিন্তা ভাবনা, তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, কী পছন্দ করেন কী পছন্দ করেন না, ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার যদি যৌথ পরিবারের সাথে বসবাস করে থাকেন তাহলে তো দায়িত্ব আরো বেশী। স্বামীকে যেভাবে চিনতে হয়েছে ঠিক তেমনি শ্বশুর বাড়ির অন্যান্যদেরকেও চিনতে হয়। যেমন শ্বশুর, শাশুড়ী, ননদ, দেবর, ভাসুর ইত্যাদি। হঠাৎ করে তাকে এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে বা এক দুই মাসের মধ্যে ম্যাচিউর হতে হয়। আর যদি প্রথম বছরেই সন্তান-সন্ততি হয়ে যায় তাহলে তো দায়িত্বের আর শেষ নেই।
বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে মেয়েটি (স্ত্রী) হঠাৎ করে এক রকম কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে পড়েন যার পূর্ব প্রস্ততি ও অভিজ্ঞতা সাধারণতঃ কোন মেয়েরই থাকে না বা এর জন্য কোন ট্রেনিং সেন্টার বা ফুলও নেই। প্রতি পদে পদে। ঠেকে ঠেকে শিখতে হয়। আর এই পরীক্ষায় পাশ করার জন্য অর্থাৎ পরিবারে শান্তি বজায় রাখার জন্য তাকে নানা ত্যাগ শিকার করে যেতে হয়। তাই স্বামীদেরকে তার স্ত্রীর এই ত্যাগের কথাগুলো মনে রেখে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিত, সদয় হওয়া উচিত, কোঅপারেটিভ হওয়া উচিত। একইভাবে যৌথ পরিবারের অন্যান্যদেরও বিষয়টি খেয়াল করা উচিত এবং গুরুত্ব দেয়া উচিত।
সর্বপ্রথমে সে সম্পূর্ণ একটি নতুন লোকের সাথে স্বামী হিসেবে সংসার করা শুরু করে। স্বামীর বাড়ি আসার পর থেকে নিজ স্বামীকে চিনতেই বেশ কিছু দিন সময় লেগে যায় যেমন : তার মনমানসিকতা, তার ধ্যান-ধারণা, তার চিন্তা ভাবনা, তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, কী পছন্দ করেন কী পছন্দ করেন না, ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার যদি যৌথ পরিবারের সাথে বসবাস করে থাকেন তাহলে তো দায়িত্ব আরো বেশী। স্বামীকে যেভাবে চিনতে হয়েছে ঠিক তেমনি শ্বশুর বাড়ির অন্যান্যদেরকেও চিনতে হয়। যেমন শ্বশুর, শাশুড়ী, ননদ, দেবর, ভাসুর ইত্যাদি। হঠাৎ করে তাকে এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে বা এক দুই মাসের মধ্যে ম্যাচিউর হতে হয়। আর যদি প্রথম বছরেই সন্তান-সন্ততি হয়ে যায় তাহলে তো দায়িত্বের আর শেষ নেই।
বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে মেয়েটি (স্ত্রী) হঠাৎ করে এক রকম কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে পড়েন যার পূর্ব প্রস্ততি ও অভিজ্ঞতা সাধারণতঃ কোন মেয়েরই থাকে না বা এর জন্য কোন ট্রেনিং সেন্টার বা ফুলও নেই। প্রতি পদে পদে। ঠেকে ঠেকে শিখতে হয়। আর এই পরীক্ষায় পাশ করার জন্য অর্থাৎ পরিবারে শান্তি বজায় রাখার জন্য তাকে নানা ত্যাগ শিকার করে যেতে হয়। তাই স্বামীদেরকে তার স্ত্রীর এই ত্যাগের কথাগুলো মনে রেখে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিত, সদয় হওয়া উচিত, কোঅপারেটিভ হওয়া উচিত। একইভাবে যৌথ পরিবারের অন্যান্যদেরও বিষয়টি খেয়াল করা উচিত এবং গুরুত্ব দেয়া উচিত।