১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭২
গীবত (পরনিন্দা) হারাম
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
“যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়ো না। নিশ্চয় কান, চোখ ও হৃদয় ওদের। প্রত্যেকের নিকট জিজ্ঞাসা করা হবে। (সূরা বনী ইসরাঈল : ৩৬)
তিনি আরো বলেছেন,
“মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে (তা লিপিবদ্ধ করার জন্য) তৎপর প্রহরী (ফিরিশতা) তার নিকটেই রয়েছে। (সূরা কুফ : ১৮)
যে কথায় উপকার আছে বলে স্পষ্ট হয়, সে কথা ছাড়া অন্য সব (অসঙ্গত) কথা হতে নিজ জিহ্বাকে সংযত রাখা প্রত্যেক ভারপ্রাপ্ত মুসলিম ব্যক্তির উচিত। যেখানে কথা বলা ও চুপ থাকা দুটোই সমান, সেখানে চুপ থাকাটাই সুন্নত। কেননা, বৈধ কথাবার্তাও অনেক সময় হারাম অথবা মাকরূহ পর্যায়ে পৌছে দেয়। অধিকাংশ এরূপই ঘটে থাকে। আর (বিপদ ও পাপ থেকে) নিরাপত্তার সমতুল্য কোন বস্তু নেই।
নবী (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে; নচেৎ চুপ থাকে।” (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
এ হাদীসে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উপকারী কথা ছাড়া কোন কথা বলা উচিত নয়। অর্থাৎ, সেই কথা যার উপকারিতা স্পষ্ট। পক্ষান্তরে যে কথার উপকারিতা সম্বন্ধে সন্দেহ হয়, সে কথা বলা উচিত নয়। আবু মূসা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আল্লাহর রসূল! সর্বোত্তম মুসলিম কে?” তিনি বললেন, “যার জিহবা ও হাত থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকে।” (সহীহ মুসলিম)
গীবতে অংশগ্রহণ করা হারাম
যার নিকট গীবত করা হয় তার উচিত গীবতকারীর তীব্র প্রতিবাদ করা এবং তার সমর্থন না করা। আর তাতে সক্ষম হলে সম্ভব হলে উক্ত সভা ত্যাগ করা।
মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “ওরা যখন অসার (মূল্যহীন) বাক্য শ্রবণ করে তখন ওরা পরিহার করে চলে।” (সূরা ক্বাসাস : ৫৫)
নবী (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সম্ভম রক্ষা করবে, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তা'আলা জাহান্নামের আগুন থেকে তার চেহারাকে রক্ষা করবেন।” (তিরমিযী)
“যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়ো না। নিশ্চয় কান, চোখ ও হৃদয় ওদের। প্রত্যেকের নিকট জিজ্ঞাসা করা হবে। (সূরা বনী ইসরাঈল : ৩৬)
তিনি আরো বলেছেন,
“মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে (তা লিপিবদ্ধ করার জন্য) তৎপর প্রহরী (ফিরিশতা) তার নিকটেই রয়েছে। (সূরা কুফ : ১৮)
যে কথায় উপকার আছে বলে স্পষ্ট হয়, সে কথা ছাড়া অন্য সব (অসঙ্গত) কথা হতে নিজ জিহ্বাকে সংযত রাখা প্রত্যেক ভারপ্রাপ্ত মুসলিম ব্যক্তির উচিত। যেখানে কথা বলা ও চুপ থাকা দুটোই সমান, সেখানে চুপ থাকাটাই সুন্নত। কেননা, বৈধ কথাবার্তাও অনেক সময় হারাম অথবা মাকরূহ পর্যায়ে পৌছে দেয়। অধিকাংশ এরূপই ঘটে থাকে। আর (বিপদ ও পাপ থেকে) নিরাপত্তার সমতুল্য কোন বস্তু নেই।
নবী (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে; নচেৎ চুপ থাকে।” (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
এ হাদীসে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উপকারী কথা ছাড়া কোন কথা বলা উচিত নয়। অর্থাৎ, সেই কথা যার উপকারিতা স্পষ্ট। পক্ষান্তরে যে কথার উপকারিতা সম্বন্ধে সন্দেহ হয়, সে কথা বলা উচিত নয়। আবু মূসা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আল্লাহর রসূল! সর্বোত্তম মুসলিম কে?” তিনি বললেন, “যার জিহবা ও হাত থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকে।” (সহীহ মুসলিম)
গীবতে অংশগ্রহণ করা হারাম
যার নিকট গীবত করা হয় তার উচিত গীবতকারীর তীব্র প্রতিবাদ করা এবং তার সমর্থন না করা। আর তাতে সক্ষম হলে সম্ভব হলে উক্ত সভা ত্যাগ করা।
মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “ওরা যখন অসার (মূল্যহীন) বাক্য শ্রবণ করে তখন ওরা পরিহার করে চলে।” (সূরা ক্বাসাস : ৫৫)
নবী (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সম্ভম রক্ষা করবে, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তা'আলা জাহান্নামের আগুন থেকে তার চেহারাকে রক্ষা করবেন।” (তিরমিযী)