১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৫
‘রিয়া’ (লোক-প্রদশর্নমূলক কার্যকলাপ) হারাম
আল্লাহ তা'আলা বলেন, “তারা তো আদিষ্ট হয়েছিল আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদত করতে।” (সূরা বাইয়িনাহ : ৫)
তিনি আরো বলেছেন, “হে বিশ্বাসীগণ! দানের কথা প্রচার করে এবং কষ্ট দিয়ে তোমরা তোমাদের দানকে নষ্ট করে দিয়ো না ঐ লোকের মত যে নিজের ধন লোক দেখানোর জন্য ব্যয় করে।” (সূরা বাকারা : ২৬৪)
তিনি অন্য জায়গায় বলেছেন, “নিশ্চয় মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে প্রতারিত করতে চায়। বস্তুতঃ তিনিও তাদেরকে প্রতারিত করে থাকেন এবং যখন তারা নামাযে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সাথে নিছক লোক দেখানোর জন্য দাঁড়ায় এবং আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে থাকে।” (সূরা নিসা : ১৪২)
তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি শোনাবে, আল্লাহ তা শুনিয়ে দিবেন। আর যে ব্যক্তি দেখাবে, আল্লাহ তা দেখিয়ে দিবেন। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
“যে ব্যক্তি শোনাবে অর্থাৎ, যে তার আমলকে মানুষের সামনে প্রদর্শনের জন্য প্রকাশ করবে। আল্লাহ তা শুনিয়ে দিবেন অর্থাৎ, কিয়ামতের দিনে (সৃষ্টির সামনে সে কথা জানিয়ে) তাকে লাঞ্ছিত করবেন। যে ব্যক্তি দেখাবে' অর্থাৎ, যে ব্যক্তি মানুষের সামনে স্বীকৃত নেক আমল প্রকাশ করবে যাতে সে তাদের নিকট সম্মানিত হয়। আল্লাহ তা দেখিয়ে দিবেন অর্থাৎ, সৃষ্টির সম্মুখে তার গুপ্ত উদ্দেশ্যের কথা ব্যক্ত (করে অপমানিত) করবেন।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে বিদ্যা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়, তা যদি একমাত্র সামান্য পার্থিব স্বার্থ লাভের উদ্দেশ্যে কেউ শিক্ষা করে, তাহলে সে কিয়ামতের দিনে জান্নাতের সুগন্ধটুকুও পাবে না। (আবু দাউদ)
যাকে লোক’রিয়া বা প্রদর্শন ভাবে অথচ তা প্রদশর্ন নয়
একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হল; বলুন, যে মানুষ সৎকাজ করে, আর লোকে তার প্রশংসা করে থাকে (তাহলে এরূপ কাজ কি রিয়া বলে গণ্য হবে?)' তিনি বললেন, “এটা মুমিনের সত্ত্বর সুসংবাদ।” (সহীহ মুসলিম)
তিনি আরো বলেছেন, “হে বিশ্বাসীগণ! দানের কথা প্রচার করে এবং কষ্ট দিয়ে তোমরা তোমাদের দানকে নষ্ট করে দিয়ো না ঐ লোকের মত যে নিজের ধন লোক দেখানোর জন্য ব্যয় করে।” (সূরা বাকারা : ২৬৪)
তিনি অন্য জায়গায় বলেছেন, “নিশ্চয় মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে প্রতারিত করতে চায়। বস্তুতঃ তিনিও তাদেরকে প্রতারিত করে থাকেন এবং যখন তারা নামাযে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সাথে নিছক লোক দেখানোর জন্য দাঁড়ায় এবং আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে থাকে।” (সূরা নিসা : ১৪২)
তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি শোনাবে, আল্লাহ তা শুনিয়ে দিবেন। আর যে ব্যক্তি দেখাবে, আল্লাহ তা দেখিয়ে দিবেন। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)
“যে ব্যক্তি শোনাবে অর্থাৎ, যে তার আমলকে মানুষের সামনে প্রদর্শনের জন্য প্রকাশ করবে। আল্লাহ তা শুনিয়ে দিবেন অর্থাৎ, কিয়ামতের দিনে (সৃষ্টির সামনে সে কথা জানিয়ে) তাকে লাঞ্ছিত করবেন। যে ব্যক্তি দেখাবে' অর্থাৎ, যে ব্যক্তি মানুষের সামনে স্বীকৃত নেক আমল প্রকাশ করবে যাতে সে তাদের নিকট সম্মানিত হয়। আল্লাহ তা দেখিয়ে দিবেন অর্থাৎ, সৃষ্টির সম্মুখে তার গুপ্ত উদ্দেশ্যের কথা ব্যক্ত (করে অপমানিত) করবেন।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে বিদ্যা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়, তা যদি একমাত্র সামান্য পার্থিব স্বার্থ লাভের উদ্দেশ্যে কেউ শিক্ষা করে, তাহলে সে কিয়ামতের দিনে জান্নাতের সুগন্ধটুকুও পাবে না। (আবু দাউদ)
যাকে লোক’রিয়া বা প্রদর্শন ভাবে অথচ তা প্রদশর্ন নয়
একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হল; বলুন, যে মানুষ সৎকাজ করে, আর লোকে তার প্রশংসা করে থাকে (তাহলে এরূপ কাজ কি রিয়া বলে গণ্য হবে?)' তিনি বললেন, “এটা মুমিনের সত্ত্বর সুসংবাদ।” (সহীহ মুসলিম)