hadith book logo

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১২৪

অর্থ ব্যয়ের কিছু শর্ত

“তোমরা যদি প্রকাশ্যে দান কর, তবে তা ভালো এবং যদি তা গোপনে কর এবং অভাবগ্রস্থকে দাও, তবে তা তোমাদের জন্য আরো ভালো। আর তিনি তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করবেন। তোমরা যা কর আল্লাহ তা জানেন।” (সূরা আল বাকারা, ২ : ২৭১)

“তারা যখন ব্যয় করে, তখন অপব্যয়ও করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং এর। মাঝামাঝি পন্থা অবলম্বণ করে।” (সূরা আল ফুরকান, ২৫ : ৬৭)

“তোমাদের প্রিয় ও পছন্দনীয় জিনিস (আল্লাহর পথে) ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কিছুতেই কল্যাণ লাভ করবে না। আর যা কিছুই তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত আছেন।” (সূরা আলে ইমরান, ৩ : ৯২)

আল্লাহর দৃষ্টিতে সুখী ও সম্পদশালী কে? ধনী না গরীব?

রসূল (ﷺ) বলেন: ধন-সম্পদের প্রাচুর্য মানুষকে ধনী করে না বরং অন্তরের আনন্দই মানুষকে প্রকৃত ধনী করে। (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম) রসূল (ﷺ) বলেন, সেই ব্যক্তিই সুখী যে আল্লাহর অনুগত হয়, তার দেয়া রিযিককে যথেষ্ট মনে করে এবং তাতেই সন্তুষ্ট থাকে। (সহীহ মুসলিম)

সন্তুষ্টি আল্লাহ তাআলার ফায়সালাতে।

“এই পার্থিব জীবন তো খেল তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়, পরকালের জীবনই প্রকৃত জীবন, যদি তারা জানত।” (সূরা আনকাবুত : ৬৪)

রসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি শারীরিক নিরাপত্তার সাথে ও সুস্থ দেহে সকালে উপনীত হলো এবং তার কাছে ক্ষুধা নিবারণের জন্য একদিনের খাবার আছে, তাকে যেন দুনিয়ার সবকিছুই দান করা হলো। (তিরমিযী)

রসূল (ﷺ) বলেন, সেই ব্যক্তি সফলকাম হয়েছে যে ইসলাম গ্রহণ করেছে, তার কাছে প্রয়োজনমাফিক রিযিক রয়েছে এবং আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন তাতেই তাকে সন্তুষ্ট রেখেছেন। (সহীহ মুসলিম)