hadith book logo

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭১

গীবত (পরনিন্দা) এবং বাক সংযমের নির্দেশ

মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, “তোমরা একে অপরের পেছনে নিন্দা (গীবত) করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের মাংস খেতে চাও? বস্তুতঃ তোমরা তো এটাকে ঘৃণাই কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তাওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু। (সূরা হুজুরাত : ১২)

একদা রসূল (ﷺ) বললেন, “তোমরা কি জান, গীবত কাকে বলে?” লোকেরা বলল, “আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তিনি বললেন, “তোমার ভাই যা অপছন্দ করে, তাই তার পেছনে আলোচনা করা।” বলা হল,’আমি যা বলি, তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তাহলে আপনার রায় কী? (সেটাও কি গীবত হবে?)' তিনি বললেন, “তুমি যা (সমালোচনা করে) বললে, তা যদি তার মধ্যে থাকে, তাহলেই তার গীবত করলে। আর তুমি যা (সমালোচনা করে) বললে, তা যদি তার মধ্যে না থাকে, তাহলে তাকে অপবাদ দিলে।” (সহীহ মুসলিম)

চুগলখোরী ও গীবত কী ?

একের কথা অপরকে বলে উভয়ের মাঝে মনোমালিন্যের সৃষ্টি করা ও ঝগড়া ফ্যাসাদ লাগিয়ে দেয়ার নাম চুগলখোরী।

গীবত আরবী শব্দ যার অর্থ পরনিন্দা, কুৎসা রটনা করা, অন্যের দোষত্রটির কথা প্রকাশ করা। কারো অনুপস্থিতিতে এমন কোন দোষের কথা বলা যা সে শুনলে মনে কষ্ট ও দুঃখ পাবে। কাউকে ইঙ্গিত করে কটাক্ষ করে কথা বলাও যাবে না, কেননা এটা গীবতের অন্তর্ভূক্ত। গীবত যে আগুন জ্বালায় চুগলখোর তাকে বিস্তৃত করে নতুন দিকে ছড়িয়ে দেয়, ইসলামের দৃষ্টিতে এটা একটা মারাত্মক অপরাধ।