১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৮
কেন কিছু লোকের চেহারা কুৎসিত হয়?
অনেক লোকই উজ্জল ও সুন্দর ছিল শিশুকালে কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে সেই আদরের এবং সুন্দর চেহারার বিলুপ্তি ঘটতে দেখা যায়। কিন্তু কেন এমন হয় তা নিয়ে কখনও ভেবে দেখেছি কি? শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমীয়া রাহিমাহুল্লাহ্ থেকে জেনে নেই। যে ব্যক্তি সৎকর্মশীল ও সৎ তার সেই সততা ফুটে উঠে দ্বীপ্তিশীল হয়ে মুখমন্ডলে, তার সেই সততা উজ্জ্বল হয়ে পরিচিতি লাভ করে চেহারাতে আর এর বিপরীত হতে দেখা যায় সেই ব্যক্তির ব্যাপারে যে পাপাচারে লিপ্ত হয় এবং মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে চলে। ব্যক্তি যতই বৃদ্ধ হতে থাকে ততই বৃদ্ধ হওয়ার নিদর্শন সহজে ধরা পড়ে। এতদনুসারে ছোট্টকালে ব্যক্তির সেই সুন্দর চেহারাখানা, পরবর্তীকালে যে কোনভাবে সে যদি পাপাচারে লিপ্ত হয় এবং পাপের উপর থাকতে বদ্ধপরিকর হয় তখন কুৎসিত আকার ধারণ করে প্রকাশ লাভ করে মনের সেই মনভাব জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আর তার বিপরীত দিকটাও ঠিক তেমনিভাবে সত্য।
উদ্ধৃতি ও বর্ণীত হয়েছে যে ইবনে আব্বাস (রাদিআল্লাহু আনহু) বলেছেন “নিশ্চয়ই সংআমল হৃদয়কে করে আলোকিত, চেহারাকে করে দ্বীপ্তিশীল, শরীরকে করে শক্তিশালী, রিযিক করে বৃদ্ধি এবং সৃষ্টির হৃদয়সমূহে তৈরী করে ব্যক্তির জন্য ভালোবাসা অপরদিকে পাপাচার হৃদয়কে করে অন্ধকারে নিমজ্জীত, অনুজ্জল করে মুখমন্ডল, শরীরকে দুর্বল করে তোলে এবং ঐ ব্যক্তির জন্যে সৃষ্টির অন্তরসমূহে তৈরী করে ঘৃণা।”
এমনও হতে পারে যে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যার আশ্রয় নেয় না এমনকি মহা উদ্দ্যেগের সাথে ইবাদতসমূহ সম্পন্ন করে আর করে যুহদ বা স্বেচ্ছায় জীবনের বৈধ আনন্দসমূহ বিসর্জন দেয়। কিন্তু তথাপি ব্যক্তির মাঝে রয়ে যায় মিথ্যা বা যা সত্য নয় এমন ধরণের আকীদা আল্লাহ, তাঁর দ্বীন, তাঁর রসূল (ﷺ) এবং তাঁর দ্বীনদার বান্দাদের সম্পর্কে। আর যা অন্তরে লুকায়িত থাকে তা প্রকাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। যে মিথ্যা আর অসত্য আকীদা সে সত্য ও সঠিক বলে যে বিশ্বাস করতো তা ভেসে উঠে তার চেহারায় এবং যে পরিমাণ মিথ্যা সে ধারণ করে ঠিক সে পরিমাণ অন্ধকার প্রকাশ পায় তার মুখমন্ডলে।
উদ্ধৃতি ও বর্ণীত আছে যে উসমান ইবনে আফফান (রাদিআল্লাহু আনহু) বলেছেন “এমন কেউই নেই যে ব্যক্তি তার শয়তানী লুকিয়ে রাখবে আর আল্লাহ তা'আলা তা তার চেহারাতে প্রকাশ না করে ছেড়ে দেবেন এবং যা তার জিহ্বা দিয়ে উচ্চারিত হয় তাও।”
প্রথম যুগের মুসলিম বা সালাফীদের কেউ কেউ বলতেন “যদি কোন বিদ’আতি লোক প্রতিদিন তার দাঁড়িতে রং লাগায় তথাপি বিদ'আতের রং তার চেহারায় বিদ্যমান থাকবে”। শেষ বিচারের দিন তা সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে যেহেতু আল্লাহ তা'আলা বলেন :
“কিয়ামতের দিন তুমি দেখবে, যারা আল্লাহ তাআলার উপর মিথ্যা আরোপ করে তাদের মুখগুলো সব বিশ্রী কদাকার হয়ে গেছে, তুমি কি মনে করো জাহান্নাম (এ রকম ঔদ্ধত্য পোষণকারীদের ঠিকানা হওয়া উচিৎ নয়”। (সূরা আহ্ যুমার : ৬০)
আল্লাহ তা'আলা আরোও বলেন “সে কিয়ামতের দিন নিজেদের নেক আমল দেখে কিছু সংখ্যক চেহারা শুভ্র সমুজ্জ্বল হয়ে যাবে, আবার কিছু লোকের চেহারা ব্যর্থতার নথিপত্র দেখার পর কালো (ও বিশ্রী হয়ে পড়বে, সুতরাং যাদের মুখ সেদিন! কালো হয়ে যাবে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, ঈমানের (নিয়ামত পাওয়ার পরও কি তোমরা কুফরীর পথ অবলম্বন করেছিলে? অতঃপর তোমরা নিজেদের কুফরীর প্রতিফল হিসেবে এ আযাব উপভোগ করতে থাকো। " (সূরা আলে ইমরান : ১০৬)
ইবনে আব্বাস (রা.) সহ কেউ কেউ বলেন “উজ্জল চেহারা হবে যারা আহলে সুন্নাহ এবং কালো চেহারা হবে তাদের যারা বিদ'আতি ও বিভেদ সৃষ্টিকারী।
উদ্ধৃতি ও বর্ণীত হয়েছে যে ইবনে আব্বাস (রাদিআল্লাহু আনহু) বলেছেন “নিশ্চয়ই সংআমল হৃদয়কে করে আলোকিত, চেহারাকে করে দ্বীপ্তিশীল, শরীরকে করে শক্তিশালী, রিযিক করে বৃদ্ধি এবং সৃষ্টির হৃদয়সমূহে তৈরী করে ব্যক্তির জন্য ভালোবাসা অপরদিকে পাপাচার হৃদয়কে করে অন্ধকারে নিমজ্জীত, অনুজ্জল করে মুখমন্ডল, শরীরকে দুর্বল করে তোলে এবং ঐ ব্যক্তির জন্যে সৃষ্টির অন্তরসমূহে তৈরী করে ঘৃণা।”
এমনও হতে পারে যে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যার আশ্রয় নেয় না এমনকি মহা উদ্দ্যেগের সাথে ইবাদতসমূহ সম্পন্ন করে আর করে যুহদ বা স্বেচ্ছায় জীবনের বৈধ আনন্দসমূহ বিসর্জন দেয়। কিন্তু তথাপি ব্যক্তির মাঝে রয়ে যায় মিথ্যা বা যা সত্য নয় এমন ধরণের আকীদা আল্লাহ, তাঁর দ্বীন, তাঁর রসূল (ﷺ) এবং তাঁর দ্বীনদার বান্দাদের সম্পর্কে। আর যা অন্তরে লুকায়িত থাকে তা প্রকাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। যে মিথ্যা আর অসত্য আকীদা সে সত্য ও সঠিক বলে যে বিশ্বাস করতো তা ভেসে উঠে তার চেহারায় এবং যে পরিমাণ মিথ্যা সে ধারণ করে ঠিক সে পরিমাণ অন্ধকার প্রকাশ পায় তার মুখমন্ডলে।
উদ্ধৃতি ও বর্ণীত আছে যে উসমান ইবনে আফফান (রাদিআল্লাহু আনহু) বলেছেন “এমন কেউই নেই যে ব্যক্তি তার শয়তানী লুকিয়ে রাখবে আর আল্লাহ তা'আলা তা তার চেহারাতে প্রকাশ না করে ছেড়ে দেবেন এবং যা তার জিহ্বা দিয়ে উচ্চারিত হয় তাও।”
প্রথম যুগের মুসলিম বা সালাফীদের কেউ কেউ বলতেন “যদি কোন বিদ’আতি লোক প্রতিদিন তার দাঁড়িতে রং লাগায় তথাপি বিদ'আতের রং তার চেহারায় বিদ্যমান থাকবে”। শেষ বিচারের দিন তা সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে যেহেতু আল্লাহ তা'আলা বলেন :
“কিয়ামতের দিন তুমি দেখবে, যারা আল্লাহ তাআলার উপর মিথ্যা আরোপ করে তাদের মুখগুলো সব বিশ্রী কদাকার হয়ে গেছে, তুমি কি মনে করো জাহান্নাম (এ রকম ঔদ্ধত্য পোষণকারীদের ঠিকানা হওয়া উচিৎ নয়”। (সূরা আহ্ যুমার : ৬০)
আল্লাহ তা'আলা আরোও বলেন “সে কিয়ামতের দিন নিজেদের নেক আমল দেখে কিছু সংখ্যক চেহারা শুভ্র সমুজ্জ্বল হয়ে যাবে, আবার কিছু লোকের চেহারা ব্যর্থতার নথিপত্র দেখার পর কালো (ও বিশ্রী হয়ে পড়বে, সুতরাং যাদের মুখ সেদিন! কালো হয়ে যাবে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, ঈমানের (নিয়ামত পাওয়ার পরও কি তোমরা কুফরীর পথ অবলম্বন করেছিলে? অতঃপর তোমরা নিজেদের কুফরীর প্রতিফল হিসেবে এ আযাব উপভোগ করতে থাকো। " (সূরা আলে ইমরান : ১০৬)
ইবনে আব্বাস (রা.) সহ কেউ কেউ বলেন “উজ্জল চেহারা হবে যারা আহলে সুন্নাহ এবং কালো চেহারা হবে তাদের যারা বিদ'আতি ও বিভেদ সৃষ্টিকারী।