১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৫
ঈমানের পূর্ণতার দিকে অগ্রসর হই
আমাদের সমাজে একটা কথা খুব প্রচলন আছে যে, যে একবার কালিমা পড়েছে সে একদিন না একদিন জান্নাতে যাবেই অথবা সমস্ত মুসলিমরাই জান্নাতে যাবে আর অমুসলিমরা জাহান্নামে যাবে। একটা ইসলামিক সেমিনারে একজন অমুসলিমও অডিয়েন্স থেকে ড. জাকির নায়েককে এই প্রশ্নটাই করেছিলেন যে, “সমস্ত মুসলিমরাই নাকি জান্নাতে যাবে আর সমস্ত অমুসলিমরা জাহান্নামে যাবে এটা কি ঠিক?” উত্তরে ড. জাকির নায়েক একটা কুরআন হাতে নিয়ে বলেন, এই বইয়ের কোথাও এই ধরণের কথা লেখা নেই। তবে লেখা আছে যে, যারা এই বইটা অনুসরণ করবে তারাই জান্নাতে যাবে আর যারা অনুসরণ করবে না তারা জাহান্নামে যাবে।
এবার আসুন আমরা যারা জন্ম সূত্রে মুসলিম বা নিজেদেরকে মুসলিম বলে দাবী করছি আমরা কি এই বইটি অনুসরণ করছি? নাকি নিজেদের মনগড়া স্টাইলে জীবন চালাচ্ছি? একবার কালিমা পড়লাম আর মুসলিম হয়ে গেলাম ব্যাপারটা কি এতই সহজ? দেখি সূরা আনকাবুতের ২নম্বর আয়াতে আল্লাহ কি বলেছেন : “মানুষ কি মনে করে নিয়েছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এতটুকু বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে - তাদের পরীক্ষা নেয়া হবে না?” তিনি আরো বলছেন :
“তোমরা কি মনে করে নিয়েছে যে, তোমরা অতি সহজেই জান্নাতে পৌছে যাবে?” (সূরা বাকারা : ২১৪)
তাই কেউ মায়ের পেট থেকে মুসলিম হয়ে আসে না, সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনার মাধ্যমেই মুসলিম হতে হয়। তাই প্রকৃত মুসলিম হতে হলে পুরোপুরি কুরআনকে মেনে চলতে হবে, সোজা হিসাব, এর কোন বিকল্প পথ নেই। আর এটাই কালেমার প্রকৃত অর্থ। সূরা আলে ইমরান এর ১০২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন :
“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর, তাকে যেরূপ ভয় করা উচিত। তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।”
ঈমান এমন কোন বিষয় না যে, একবার আনলাম আর চিরজীবন আমার সাথে সাথে থাকবে! আসলে ঈমান সবসময় আমার প্রতি মুহুর্তের কাজের উপর নির্ভর করে উঠা নামা করে। আবার এমনও হতে পারে যে আমার কোন ঈমান বিরোধী কাজের কারণে ঈমান চলেও যেতে পারে। পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে হলে আমাদের ঈমানের পূর্ণতার দিকে অগ্রসর হতে হবে। প্রতিটি স্টেপে আল্লাহর হুকুম মেনে চলতে হবে। তাই প্রতি মুহুর্তে ঈমান টিকিয়ে রাখার জন্য আল্লাহর কাছে চাইতে হয়।
আমাদের বেশীরভাগ মানুষের সমস্যা হচ্ছে আমরা ঈমান বিরোধী কাজ করেও নিজেদের মনে করি আমরা ঠিকই আছি। দুঃখের বিষয় আমরা বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষই দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে যে জানি না এইটাই আমরা জানি না। আমরা দ্বীন ইসলামের পূণ্যের কাজ মনে করে খুব বেশী বেশী ইসলাম বিরোধী কাজ নিয়মিত করে যাচ্ছি। আমরা কুরআন থেকে নিজেদেরকে অনেক দুরে। সরিয়ে রেখে নিজেদের মনগড়া ইসলাম পালন করে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে খুব কম লোকই পাওয়া যাবে যে জীবনে একবার সম্পূর্ণ কুরআনটা বুঝে তাফসীর বা ব্যাখ্যাসহ পড়েছি। আল্লাহ বলছেন এটা আমাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান অর্থাৎ আমাদের জীবন পরিচালনার গাইডলাইন।
এবার আসুন আমরা যারা জন্ম সূত্রে মুসলিম বা নিজেদেরকে মুসলিম বলে দাবী করছি আমরা কি এই বইটি অনুসরণ করছি? নাকি নিজেদের মনগড়া স্টাইলে জীবন চালাচ্ছি? একবার কালিমা পড়লাম আর মুসলিম হয়ে গেলাম ব্যাপারটা কি এতই সহজ? দেখি সূরা আনকাবুতের ২নম্বর আয়াতে আল্লাহ কি বলেছেন : “মানুষ কি মনে করে নিয়েছে যে, আমরা ঈমান এনেছি এতটুকু বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে - তাদের পরীক্ষা নেয়া হবে না?” তিনি আরো বলছেন :
“তোমরা কি মনে করে নিয়েছে যে, তোমরা অতি সহজেই জান্নাতে পৌছে যাবে?” (সূরা বাকারা : ২১৪)
তাই কেউ মায়ের পেট থেকে মুসলিম হয়ে আসে না, সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনার মাধ্যমেই মুসলিম হতে হয়। তাই প্রকৃত মুসলিম হতে হলে পুরোপুরি কুরআনকে মেনে চলতে হবে, সোজা হিসাব, এর কোন বিকল্প পথ নেই। আর এটাই কালেমার প্রকৃত অর্থ। সূরা আলে ইমরান এর ১০২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন :
“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর, তাকে যেরূপ ভয় করা উচিত। তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।”
ঈমান এমন কোন বিষয় না যে, একবার আনলাম আর চিরজীবন আমার সাথে সাথে থাকবে! আসলে ঈমান সবসময় আমার প্রতি মুহুর্তের কাজের উপর নির্ভর করে উঠা নামা করে। আবার এমনও হতে পারে যে আমার কোন ঈমান বিরোধী কাজের কারণে ঈমান চলেও যেতে পারে। পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে হলে আমাদের ঈমানের পূর্ণতার দিকে অগ্রসর হতে হবে। প্রতিটি স্টেপে আল্লাহর হুকুম মেনে চলতে হবে। তাই প্রতি মুহুর্তে ঈমান টিকিয়ে রাখার জন্য আল্লাহর কাছে চাইতে হয়।
আমাদের বেশীরভাগ মানুষের সমস্যা হচ্ছে আমরা ঈমান বিরোধী কাজ করেও নিজেদের মনে করি আমরা ঠিকই আছি। দুঃখের বিষয় আমরা বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষই দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে যে জানি না এইটাই আমরা জানি না। আমরা দ্বীন ইসলামের পূণ্যের কাজ মনে করে খুব বেশী বেশী ইসলাম বিরোধী কাজ নিয়মিত করে যাচ্ছি। আমরা কুরআন থেকে নিজেদেরকে অনেক দুরে। সরিয়ে রেখে নিজেদের মনগড়া ইসলাম পালন করে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে খুব কম লোকই পাওয়া যাবে যে জীবনে একবার সম্পূর্ণ কুরআনটা বুঝে তাফসীর বা ব্যাখ্যাসহ পড়েছি। আল্লাহ বলছেন এটা আমাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান অর্থাৎ আমাদের জীবন পরিচালনার গাইডলাইন।