১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৯
একজন আদর্শ মা
একটি শিশু এসে একটি নারীর জীবনকে ধন্য করে তোলে। একজন মহিলা আর এক জীবনে পদার্পণ করেন মাতৃস্নেহ নিয়ে। প্রকৃত মা সেই, যে সঠিকভাবে সন্তান প্রতিপালন করেন। মা হওয়ার জন্য কেবল জন্মদাত্রী হওয়াই যথেষ্ট নয়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে যখন একজন মহিলা প্রেগন্যান্ট হন তখন তিনি এই বিষয়ের উপর কোন প্রকার পড়াশোনা করেন না। কিন্তু বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যাপক। প্রেগন্যান্ট মা শুধু খাওয়া-দাওয়া নিয়েই চিন্তিত থাকেন আর কোন বিষয় নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না। নর্থ-আমেরিকায় প্রেগন্যান্ট মহিলাদের জন্য নানারকম কোর্স রয়েছে। যেমন : Prenatal course, Post natal course, Parenting course, Childcare course ইত্যাদি। এই বিষয়ের উপর বাজারে অনেক বই এবং ডিভিডি পাওয়া যায় যা প্রেগন্যান্ট হওয়ার আগ থেকেই পড়া ও দেখা শুরু করা উচিত। এছাড়া ইন্টারনেটে এ বিষয়ে প্রচুর সাইট রয়েছে যেখান থেকে ঘরে বসেও পড়াশোনা করা যেতে পারে। এতো গেল একজন সাধারণ মা’র কথা।
কিন্তু একজন মুসলিম মায়ের দায়িত্ব অন্যান্য মায়েদের চেয়ে আরো অনেক বেশী। সে ঐসকল পড়াশোনার পাশাপাশি আরো অতিরিক্ত পড়াশোনা করবেন কিভাবে তার সন্তানকে আদর্শ মুসলিম হিসেবে গড়ে তুলবেন, কিভাবে তার সন্তানের অন্তরে সঠিক দ্বীনের আলো ঢুকাবেন। সেজন্য প্রয়োজন ইসলামী শিশু সাহিত্য পড়া, আল কুরআনের তাফসীর পড়া, রসূল (ﷺ)-এর জীবনী পড়া, সাহাবাদের জীবনী পড়া। এছাড়া এখন ইসলামিক প্রচুর ডিভিডি পাওয়া যায় এবং ইন্টারনেট থেকেও আমরা অনেক ভিডিও দেখার মাধ্যমে অজ্ঞান অর্জন করতে পারি। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় মায়েরা সাধারণতঃ অনেক সময় পান বা চাকুরীরত মায়েরা সন্তান জন্মের পর সাধারণতঃ বাসাই থাকেন। এই সময়ে মায়েরা ইসলামের উপর উপযুক্ত জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। এতে অনেক মানসিক শান্তিও পেতে পারেন।
মায়ের গর্ভে সন্তান নাভীর মাধ্যমে খাদ্যগ্রহণ করে তিল তিল করে বড় হতে থাকে। তাই মায়ের চরিত্রের যথেষ্ট প্রভাব সন্তানের উপর পরে। কোন মা যদি সলাতে নিয়মিত হয়ে না থাকি তাহলে এসময় থেকেই সলাতে নিয়মিত হয়ে যাওয়া উচিত। আমার মধ্যে যেসকল দোষ-ত্রুটি রয়েছে সেগুলো এসময় থেকেই আস্তে আস্তে কমিয়ে নিয়ে আসা উচিত।
কিন্তু একজন মুসলিম মায়ের দায়িত্ব অন্যান্য মায়েদের চেয়ে আরো অনেক বেশী। সে ঐসকল পড়াশোনার পাশাপাশি আরো অতিরিক্ত পড়াশোনা করবেন কিভাবে তার সন্তানকে আদর্শ মুসলিম হিসেবে গড়ে তুলবেন, কিভাবে তার সন্তানের অন্তরে সঠিক দ্বীনের আলো ঢুকাবেন। সেজন্য প্রয়োজন ইসলামী শিশু সাহিত্য পড়া, আল কুরআনের তাফসীর পড়া, রসূল (ﷺ)-এর জীবনী পড়া, সাহাবাদের জীবনী পড়া। এছাড়া এখন ইসলামিক প্রচুর ডিভিডি পাওয়া যায় এবং ইন্টারনেট থেকেও আমরা অনেক ভিডিও দেখার মাধ্যমে অজ্ঞান অর্জন করতে পারি। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় মায়েরা সাধারণতঃ অনেক সময় পান বা চাকুরীরত মায়েরা সন্তান জন্মের পর সাধারণতঃ বাসাই থাকেন। এই সময়ে মায়েরা ইসলামের উপর উপযুক্ত জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। এতে অনেক মানসিক শান্তিও পেতে পারেন।
মায়ের গর্ভে সন্তান নাভীর মাধ্যমে খাদ্যগ্রহণ করে তিল তিল করে বড় হতে থাকে। তাই মায়ের চরিত্রের যথেষ্ট প্রভাব সন্তানের উপর পরে। কোন মা যদি সলাতে নিয়মিত হয়ে না থাকি তাহলে এসময় থেকেই সলাতে নিয়মিত হয়ে যাওয়া উচিত। আমার মধ্যে যেসকল দোষ-ত্রুটি রয়েছে সেগুলো এসময় থেকেই আস্তে আস্তে কমিয়ে নিয়ে আসা উচিত।