১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৪
আসুন আল্লাহকে ধন্যবাদ জানাই
ব্রিটেনের বিখ্যাত পপ গায়ক “ক্যাট স্টীভেনস” কিভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তা আমরা সবাই জানি। তিনি তার জীবনের এক অশান্তিময় মুহূর্তে কুরআনের একটা অনুবাদের কপি হাতের কাছে পেয়ে খুলে পড়া শুরু করেছিলেন। পড়তে-পড়তে এক সময় তিনি এই বইয়ের লেখককে খুঁজতে গিয়ে এমন এক লেখকের সন্ধান পেলেন তিনি হলেন মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। যিনি স্রষ্টা, আসমান ও জমিনের একচ্ছত্র অধিপতি।
আর সে জন্য তিনি সেই লেখক মহান রব্বুল আলামীন এর নিকট মাথা নত করে স্বীকার করে নিয়েছিলেন “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” (ﷺ) তোতা পাখিকে দিয়ে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” বলাতে চাইলে হয়ত বলাতে পারবো, ময়না পাখিকে দিয়েও যদি বলতে চাই তাও হয়ত বলাতে পারবো। কিন্তু সেই পাখি এই কালেমার অর্থ জানে না, তার উপর এই কালেমার কোন প্রভাব নেই। আমরা যদি তোতা পাখির মতো “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” এ বলে দাবি করি যে, আমরা মুসলিম, তাহলে সে দাবি কি যুক্তিসংগত?
ফযর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশার ওয়াক্ত চলে যাচ্ছে! তাঁর দেয়া হাত, পা, চোখ, নাক, কান, হৃদয়, মস্তিষ্ক ইত্যাদি ব্যবহার করে আমরা যে সুন্দর জীবনযাপন করছি, সে সব নিয়ামতের জন্যে তাঁকে যদি ধন্যবাদ না দেই, তাহলে কি আমরা মুসলিম বলে পরিচয় দিতে পারব? তাকে কি আমাদের ধন্যবাদ দেয়া উচিৎ নয়? আসুন আমরা সকলে মিলে আল্লাহ তা'আলার নির্দেশিত পথে চলার চেষ্টা করি, এবং তাঁকে ধন্যবাদ দিই, বলি আলহামদুলিল্লাহ।
আমরা যে সলাত আদায় করি এটা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ আমরা তাঁর দেয়া খাচ্ছি, তাঁর দেয়া পরছি, তার দেয়া অক্সিজেন গ্রহণ করছি। তাঁর দেয়া হাত পা দিয়ে চলছি ও কাজ করছি। চোখ দিয়ে দেখছি, তাঁর দেয়া সবকিছু ব্যবহার করছি। তাঁকে ধন্যবাদ দেব না? আর পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের মধ্য দিয়ে তিনি ধন্যবাদের একটা সুন্দর ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আসুন আমরা আল্লাহ তা'আলাকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর রহমতের জন্য বলি আলহামদুলিল্লাহ। (সমস্ত প্রশংসা তাঁরই)
আর সে জন্য তিনি সেই লেখক মহান রব্বুল আলামীন এর নিকট মাথা নত করে স্বীকার করে নিয়েছিলেন “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” (ﷺ) তোতা পাখিকে দিয়ে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” বলাতে চাইলে হয়ত বলাতে পারবো, ময়না পাখিকে দিয়েও যদি বলতে চাই তাও হয়ত বলাতে পারবো। কিন্তু সেই পাখি এই কালেমার অর্থ জানে না, তার উপর এই কালেমার কোন প্রভাব নেই। আমরা যদি তোতা পাখির মতো “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ” এ বলে দাবি করি যে, আমরা মুসলিম, তাহলে সে দাবি কি যুক্তিসংগত?
ফযর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশার ওয়াক্ত চলে যাচ্ছে! তাঁর দেয়া হাত, পা, চোখ, নাক, কান, হৃদয়, মস্তিষ্ক ইত্যাদি ব্যবহার করে আমরা যে সুন্দর জীবনযাপন করছি, সে সব নিয়ামতের জন্যে তাঁকে যদি ধন্যবাদ না দেই, তাহলে কি আমরা মুসলিম বলে পরিচয় দিতে পারব? তাকে কি আমাদের ধন্যবাদ দেয়া উচিৎ নয়? আসুন আমরা সকলে মিলে আল্লাহ তা'আলার নির্দেশিত পথে চলার চেষ্টা করি, এবং তাঁকে ধন্যবাদ দিই, বলি আলহামদুলিল্লাহ।
আমরা যে সলাত আদায় করি এটা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ আমরা তাঁর দেয়া খাচ্ছি, তাঁর দেয়া পরছি, তার দেয়া অক্সিজেন গ্রহণ করছি। তাঁর দেয়া হাত পা দিয়ে চলছি ও কাজ করছি। চোখ দিয়ে দেখছি, তাঁর দেয়া সবকিছু ব্যবহার করছি। তাঁকে ধন্যবাদ দেব না? আর পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের মধ্য দিয়ে তিনি ধন্যবাদের একটা সুন্দর ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আসুন আমরা আল্লাহ তা'আলাকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর রহমতের জন্য বলি আলহামদুলিল্লাহ। (সমস্ত প্রশংসা তাঁরই)