১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৯
দাম্পত্য সম্পর্কের ৫০টি গুরুতপূর্ণ বিষয়
১. সুন্দর সম্পর্ক নিজে থেকেই তৈরি হয় না, সেটি তৈরি করতে হয়। তাই নিজেকেই সেটি তৈরি করতে হবে।
২. কর্মক্ষেত্রেই যদি আমি সবটুকু কর্মক্ষমতা নিঃশেষ করে ফেলি, তাহলে আমাদের দাম্পত্য জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
৩. আমার উৎফুল আচরণ হতে পারে আমার জীবনসঙ্গী জীবনসঙ্গিনীর জন্য খুব দামি একটি উপহার।
৪. একইসাথে ভালোবাসা এবং ঘৃণা করা ঠিক নয় নয়।
৫. আসুন জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর ব্যাপারে বন্ধুদের কাছে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকি। মনে রাখা উচিত যে বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া দাম্পত্য সম্পর্কে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
৬. দাম্পত্য জীবনে তা-ই নিয়ম যা দু’জনের পছন্দের ভিত্তিতে ঘটে।
৭. সাময়িক ঝগড়া বিবাদের কারণে দাম্পত্য সম্পর্ক পুরোপুরি ধবংস হয়ে যায়। মনের মধ্যে জমে থাকা চাপা ক্ষোভ আর যন্ত্রণাই দাম্পত্য জীবনকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়।
৮. দাম্পত্য সম্পর্কে, “কী পেলাম?” এর হিসাব মেলানোর জন্য নয়। বরং সঙ্গী/সঙ্গিনীকে “কী দিতে পেরেছি, সেটাই দাম্পত্য সম্পর্কের মূল কথা।
৯. “জীবনসঙ্গী/সঙ্গিনী হিসেবে আমি সর্বোত্তম”-এমনটি মনে হওয়া অতি আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। এমনটি মনে হলে নিজেকে যাচাই করা উচিত।
১০. সংসারের ক্রমাগত আর্থিক স্বচ্ছলতার অর্থ এই নয় যে দাম্পত্য জীবনও সুখের মধ্য দিয়ে কাটছে।
১১. যদি দুজনের মাঝে বিশ্বাস ভেঙ্গে গিয়ে থাকে, তাহলে সেই বিশ্বাস জোড়া দেয়ার সময় এখনও পার হয়ে যায়নি। এজন্য যেকোনো সময়ই উপযুক্ত সময়।
১২. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যা নিয়ে তর্ক হয় তাতে আসল বিষয় থাকে না।
১৩. ভালোবাসা কেবলমাত্র অনুভূতি নয় বরং আমাদের কাজের মাধ্যমেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
১৪. বেশী পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মনের হতাশা ও অতৃপ্তিকে বাড়িয়ে দেয়।
১৫. দাম্পত্য জীবনের অনেক তর্কই হয়ত এড়িয়ে যাওয়া যায় না, তবে ক্ষতিকর বিতর্ক এড়িয়ে যেতেই হবে।
১৬. জীবনসঙ্গী জীবনসঙ্গিনীর প্রতি গভীর মনোযোগ পরস্পরের জন্য হতে পারে অমূল্য উপহার।
১৭. অনেক সময় সুখী দম্পতিরাও ভাবেন যে তারা ভুল মানুষটিকে বিয়ে করেছেন।
১৮. আমার জীবনসঙ্গী,জীবনসঙ্গিনী আমাকে সুখী করার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারলেও তিনি আমার সুখী হওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন।
১৯. মিথ্যা বলে হয়ত সামান্য কিছু সুবিধা পাওয়া যায় কিন্তু পরিণামে মিথ্যা বলার জন্য সুবিধার চেয়ে অনেক বেশী চড়া মূল্য দিতে হয়। অতএব, মিথ্যা বলা বর্জন করাই উত্তম।
২০. আমার মতামত যে সবসময় সঠিক এমনটি ভাবা ঠিক নয়।
২১. বছরের পর বছর ধরে যে বিশ্বাস নিজেরা গড়ে তুলেছি তা এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, তাই সাবধান।
২২. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অপরাধবোধকে দীর্ঘায়িত করে তার অনুভূতি নিয়ে খেলা করে যা পেতে চাই তা কখনো পাওয়া যায় না, পাওয়া যাবে না।
২৩. ইসলামী মন-মানসিকতা সম্পন্ন বন্ধুদেরকে অবহেলা না করে তাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের সাথেই উঠাবসা করা উচিত।
২৪. যদি মনে হয়,’তুমিই আমার জন্য সঠিক মানুষ, যাকে আমি বিয়ে করেছি, তাহলে মনে করতে হবে আমি ঠিক পথেই আছি।
২৫. নিজের যুক্তিতে প্রমাণ করার প্রলোভনকে দমন করতে পারলে একে অপরের জীবন সহজ হয়ে যাবে।
২৬. হৃদয়ের উদারতা একটি সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রধান ভিত্তি।
২৭. সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি কোনো রক্ষণাত্মক আচরণ করে, তাহলে তার রক্ষণাত্মক হওয়ার পক্ষে কারণ খুঁজে দোষ ধরার প্রয়োজন নেই।
২৮. বৈবাহিক জীবন কোন অসম্পূর্ণ বিষয় নয় এটা এক পরিপূর্ণ সমাধান।
২৯. দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি কোন কিছু এখনও পরিশোধ করতে নাও পারি। তবে যত দেরিতে তা করবো, ততবেশি ক্ষতি হতে পারে।
৩০.সুন্দর বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন।
৩১. ক্ষমা কোন সাময়িক গুণ নয় বরং ক্ষমা একটি চলমান প্রক্রিয়ার নাম।
৩২. দাম্পত্য জীবনের কঠিন সময়গুলো আমাদেরকে একজন ভালো মানুষ করে গড়ে তুলবে।
৩৩. বিয়ে অনেকটা রকেট উৎক্ষেপণের মতো। যখন তাতে মাধ্যাকর্ষণ টান পূর্ণ থাকে, তখন ফ্লাইট খুব সামান্য জ্বালানীতেই চলতে থাকে।
৩৪. দাম্পত্য জীবনে সাফল্য পেতে হলে অতীতে কী হয়েছে তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।
৩৫.সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি সবসময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। কৃতজ্ঞতা বোধকে নিজের ভেতর চেপে রাখা ঠিক নয়।
৩৬. বাস্তবতার খাতিরে মাঝে মাঝে নীরবতা পালন করা উচিত।
৩৭. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে আমার সর্বোত্তম প্রশ্নগুলোর একটি হতে পারে, “আমি কীভাবে তোমাকে আরও বেশী ভালোবাসতে পারি?”
৩৮. চাইলেই দাম্পত্য জীবনকে চিরসবুজ করে রাখা যায়।
৩৯. যৌক্তিক অনুমানের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। তবে পদক্ষেপ নেয়ার পূর্বে অনুমানকে যাচাই করে নেয়াই আবশ্যক।
৪০. মনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যই সবকিছু নয় কিন্তু সেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি।
৪১. সার্থক যৌনসম্পর্ক সার্থক দাম্পত্য সম্পর্কের নিশ্চয়তা দেয় না তবে তা সার্থক দাম্পত্য সম্পর্ক নির্মাণে সহায়তা করে।
৪২. ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করে না। তবে সন্দেহজনক বিষয় নিয়ে লুকোচুরি করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করে।
৪৩. সঙ্গী/সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরে রাখার প্রবণতা এবং ঈর্ষাপরায়ণতার জন্ম হয় ভয় থেকে, ভালোবাসা থেকে নয়।
৪৪. বিশ্বাসযোগ্যতা বিশ্বাসযোগ্যতার জন্ম দেয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলে।
৪৫. স্বামী বা স্ত্রী যদি কোনোকিছুকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তাহলে তা দু'জনেরই জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪৬. দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমাবেগের প্রয়োজন কখনো ফুরিয়ে যায় না।
৪৭. নতুন সম্পর্কের ঔজ্জ্বল্য সবসময়ই ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।
৪৮. নীরবতাও আক্রমণাত্মক হতে পারে যখন তা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪৯. উত্তম হলো নিজে কীভাবে সঠিক কাজটি করতে পারি সেদিকে মনোযোগ দেয়া। তারপর নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ভুলের দিকে মনোযোগ দেয়া।
৫০. দাম্পত্য সম্পর্ককে মানিয়ে নেয়া একেবারেই অসম্ভব মনে হলে, কেবল তখনই বিচ্ছেদের দিকে পা বাড়ানো উচিত। এই কাজটি আল্লাহ খুব অপছন্দ করেন।
২. কর্মক্ষেত্রেই যদি আমি সবটুকু কর্মক্ষমতা নিঃশেষ করে ফেলি, তাহলে আমাদের দাম্পত্য জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
৩. আমার উৎফুল আচরণ হতে পারে আমার জীবনসঙ্গী জীবনসঙ্গিনীর জন্য খুব দামি একটি উপহার।
৪. একইসাথে ভালোবাসা এবং ঘৃণা করা ঠিক নয় নয়।
৫. আসুন জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর ব্যাপারে বন্ধুদের কাছে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকি। মনে রাখা উচিত যে বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া দাম্পত্য সম্পর্কে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
৬. দাম্পত্য জীবনে তা-ই নিয়ম যা দু’জনের পছন্দের ভিত্তিতে ঘটে।
৭. সাময়িক ঝগড়া বিবাদের কারণে দাম্পত্য সম্পর্ক পুরোপুরি ধবংস হয়ে যায়। মনের মধ্যে জমে থাকা চাপা ক্ষোভ আর যন্ত্রণাই দাম্পত্য জীবনকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়।
৮. দাম্পত্য সম্পর্কে, “কী পেলাম?” এর হিসাব মেলানোর জন্য নয়। বরং সঙ্গী/সঙ্গিনীকে “কী দিতে পেরেছি, সেটাই দাম্পত্য সম্পর্কের মূল কথা।
৯. “জীবনসঙ্গী/সঙ্গিনী হিসেবে আমি সর্বোত্তম”-এমনটি মনে হওয়া অতি আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। এমনটি মনে হলে নিজেকে যাচাই করা উচিত।
১০. সংসারের ক্রমাগত আর্থিক স্বচ্ছলতার অর্থ এই নয় যে দাম্পত্য জীবনও সুখের মধ্য দিয়ে কাটছে।
১১. যদি দুজনের মাঝে বিশ্বাস ভেঙ্গে গিয়ে থাকে, তাহলে সেই বিশ্বাস জোড়া দেয়ার সময় এখনও পার হয়ে যায়নি। এজন্য যেকোনো সময়ই উপযুক্ত সময়।
১২. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যা নিয়ে তর্ক হয় তাতে আসল বিষয় থাকে না।
১৩. ভালোবাসা কেবলমাত্র অনুভূতি নয় বরং আমাদের কাজের মাধ্যমেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
১৪. বেশী পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মনের হতাশা ও অতৃপ্তিকে বাড়িয়ে দেয়।
১৫. দাম্পত্য জীবনের অনেক তর্কই হয়ত এড়িয়ে যাওয়া যায় না, তবে ক্ষতিকর বিতর্ক এড়িয়ে যেতেই হবে।
১৬. জীবনসঙ্গী জীবনসঙ্গিনীর প্রতি গভীর মনোযোগ পরস্পরের জন্য হতে পারে অমূল্য উপহার।
১৭. অনেক সময় সুখী দম্পতিরাও ভাবেন যে তারা ভুল মানুষটিকে বিয়ে করেছেন।
১৮. আমার জীবনসঙ্গী,জীবনসঙ্গিনী আমাকে সুখী করার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারলেও তিনি আমার সুখী হওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন।
১৯. মিথ্যা বলে হয়ত সামান্য কিছু সুবিধা পাওয়া যায় কিন্তু পরিণামে মিথ্যা বলার জন্য সুবিধার চেয়ে অনেক বেশী চড়া মূল্য দিতে হয়। অতএব, মিথ্যা বলা বর্জন করাই উত্তম।
২০. আমার মতামত যে সবসময় সঠিক এমনটি ভাবা ঠিক নয়।
২১. বছরের পর বছর ধরে যে বিশ্বাস নিজেরা গড়ে তুলেছি তা এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, তাই সাবধান।
২২. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অপরাধবোধকে দীর্ঘায়িত করে তার অনুভূতি নিয়ে খেলা করে যা পেতে চাই তা কখনো পাওয়া যায় না, পাওয়া যাবে না।
২৩. ইসলামী মন-মানসিকতা সম্পন্ন বন্ধুদেরকে অবহেলা না করে তাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের সাথেই উঠাবসা করা উচিত।
২৪. যদি মনে হয়,’তুমিই আমার জন্য সঠিক মানুষ, যাকে আমি বিয়ে করেছি, তাহলে মনে করতে হবে আমি ঠিক পথেই আছি।
২৫. নিজের যুক্তিতে প্রমাণ করার প্রলোভনকে দমন করতে পারলে একে অপরের জীবন সহজ হয়ে যাবে।
২৬. হৃদয়ের উদারতা একটি সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রধান ভিত্তি।
২৭. সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি কোনো রক্ষণাত্মক আচরণ করে, তাহলে তার রক্ষণাত্মক হওয়ার পক্ষে কারণ খুঁজে দোষ ধরার প্রয়োজন নেই।
২৮. বৈবাহিক জীবন কোন অসম্পূর্ণ বিষয় নয় এটা এক পরিপূর্ণ সমাধান।
২৯. দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি কোন কিছু এখনও পরিশোধ করতে নাও পারি। তবে যত দেরিতে তা করবো, ততবেশি ক্ষতি হতে পারে।
৩০.সুন্দর বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন।
৩১. ক্ষমা কোন সাময়িক গুণ নয় বরং ক্ষমা একটি চলমান প্রক্রিয়ার নাম।
৩২. দাম্পত্য জীবনের কঠিন সময়গুলো আমাদেরকে একজন ভালো মানুষ করে গড়ে তুলবে।
৩৩. বিয়ে অনেকটা রকেট উৎক্ষেপণের মতো। যখন তাতে মাধ্যাকর্ষণ টান পূর্ণ থাকে, তখন ফ্লাইট খুব সামান্য জ্বালানীতেই চলতে থাকে।
৩৪. দাম্পত্য জীবনে সাফল্য পেতে হলে অতীতে কী হয়েছে তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।
৩৫.সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি সবসময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। কৃতজ্ঞতা বোধকে নিজের ভেতর চেপে রাখা ঠিক নয়।
৩৬. বাস্তবতার খাতিরে মাঝে মাঝে নীরবতা পালন করা উচিত।
৩৭. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে আমার সর্বোত্তম প্রশ্নগুলোর একটি হতে পারে, “আমি কীভাবে তোমাকে আরও বেশী ভালোবাসতে পারি?”
৩৮. চাইলেই দাম্পত্য জীবনকে চিরসবুজ করে রাখা যায়।
৩৯. যৌক্তিক অনুমানের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। তবে পদক্ষেপ নেয়ার পূর্বে অনুমানকে যাচাই করে নেয়াই আবশ্যক।
৪০. মনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যই সবকিছু নয় কিন্তু সেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি।
৪১. সার্থক যৌনসম্পর্ক সার্থক দাম্পত্য সম্পর্কের নিশ্চয়তা দেয় না তবে তা সার্থক দাম্পত্য সম্পর্ক নির্মাণে সহায়তা করে।
৪২. ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করে না। তবে সন্দেহজনক বিষয় নিয়ে লুকোচুরি করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করে।
৪৩. সঙ্গী/সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরে রাখার প্রবণতা এবং ঈর্ষাপরায়ণতার জন্ম হয় ভয় থেকে, ভালোবাসা থেকে নয়।
৪৪. বিশ্বাসযোগ্যতা বিশ্বাসযোগ্যতার জন্ম দেয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলে।
৪৫. স্বামী বা স্ত্রী যদি কোনোকিছুকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে তাহলে তা দু'জনেরই জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪৬. দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমাবেগের প্রয়োজন কখনো ফুরিয়ে যায় না।
৪৭. নতুন সম্পর্কের ঔজ্জ্বল্য সবসময়ই ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।
৪৮. নীরবতাও আক্রমণাত্মক হতে পারে যখন তা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪৯. উত্তম হলো নিজে কীভাবে সঠিক কাজটি করতে পারি সেদিকে মনোযোগ দেয়া। তারপর নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ভুলের দিকে মনোযোগ দেয়া।
৫০. দাম্পত্য সম্পর্ককে মানিয়ে নেয়া একেবারেই অসম্ভব মনে হলে, কেবল তখনই বিচ্ছেদের দিকে পা বাড়ানো উচিত। এই কাজটি আল্লাহ খুব অপছন্দ করেন।