hadith book logo

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৮১

কোন মুসলিম ভাই বা বোনকে তুচ্ছ জ্ঞান করা হারাম

আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: “হে বিশ্বাসীগণ! একদল পুরুষ যেন অপর একদল পুরুষকে উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হয় তারা উপহাসকারী দল অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং একদল নারী যেন অপর একদল নারীকেও উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হয় তারা উপহাসকারিণী দল অপেক্ষা উত্তম হতে পারে। আর তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না; কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাকে মন্দ নামে ডাকা গর্হিত কাজ। যারা এ ধরনের আচরণ হতে) নিবৃত্ত না হয়, তারাই সীমালংঘনকারী।” (সূরা হুজুরাত : ১১)

আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন : “দুর্ভোগ প্রত্যেকের, যে পশ্চাতে ও সম্মুখে লোকের নিন্দা করে।” (সূরা হুমাযাহ : ১)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ ভাবে। (সহীহ মুসলিম)

নবী (ﷺ) বলেছেন,’যার অন্তরে অণ, পরিমাণও অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (এ কথা শুনে) এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল,’মানুষ তো পছন্দ করে যে, তার কাপড়-চোপড় সুন্দর হোক, তার জুতা সুন্দর হোক, (তাহলে সেটাও কি অহংকারের মধ্যে গণ্য হবে?)' তিনি বললেন, “নিশ্চয় আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্য ভালোবাসেন। অহংকার হচ্ছে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা ও মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা।” (সহীহ মুসলিম)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “একজন বলল, আল্লাহর কসম! আল্লাহ অমুককে ক্ষমা করবেন না।” আল্লাহ তা'আলা বললেন,’কে সে আমার উপর কসম খায় এ মর্মে যে, আমি অমুককে ক্ষমা করব না। আমি তাকে ক্ষমা করলাম এবং তোর (শপথকারীর) কৃতকর্ম নষ্ট করে দিলাম!” (সহীহ মুসলিম)

কোন মুসলিমের দুঃখ-কষ্ট দেখে আনন্দ প্রকাশ করা নিষেধ

আল্লাহ বলেছেন, “সকল বিশ্বাসীরা তো পরস্পর ভাই ভাই।” (সূরা হুজুরাত : ১০)

অন্যত্র তিনি বলেন, “যারা বিশ্বাসীদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে ইহলোক ও পরলোকে মর্মন্তুদ শাস্তি। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।” (সূরা নূর : ১৯)