১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩
অমুসলিম দেশে থাকতে হলে দাওয়াতী কাজের বিকল্প নেই
১ম হাদীস :
রসূল (ﷺ) -এর সহীহ বুখারীর একটি হাদীসের সারমর্ম হচ্ছে যে, রসূল (ﷺ) -এর মক্কা বিজয়ের পর আর কোন হিজরত নেই তবে দুটি কারণে নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে হিজরত করা যেতে পারে অর্থাৎ ইমিগ্রেশন নেয়া যেতে পারে।
১) প্রথম কারণ হচ্ছে জিহাদ এবং দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে,
২) যদি কেউ অমুসলিমদের মধ্যে দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে কোন অমুসলিম দেশে সিটিজেনশিপ নিয়ে বসবাস করে তাহলেও তার জন্য হিজরত করা জায়িয হবে। অন্যথায় শুধুমাত্র ক্যারিয়ার, বাড়ি, গাড়ি, ডলার, উন্নত জীবনযাপন, সন্তান মানুষ করণ ইত্যাদির জন্য কোন অমুসলিম দেশে ইমিগ্রেশন নিয়ে বা সিটিজেনশিপ নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করার অনুমতি নেই।
উপরের দুটি শর্তের মধ্যে প্রথমটি আমাদের জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। এবার আসি দ্বিতীয় শর্তটিতে, এটি আমাদের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে যদি আমরা অমুসলিমদের মাঝে দাওয়াতী কাজ করি। হয়তো আমরা অমুসলিম দেশে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট, বাড়ি, গাড়ি, ডলার, উন্নত জীবনযাপন, সন্তান মানুষ করণ ইত্যাদির জন্য এসেছি এবং এই চাওয়াটা কোন দোষের নয়, কিন্তু আমাদের এই অমুসলিম দেশে থাকাটা আমরা অতি সহজেই জায়িয করে নিতে পারি শুধুমাত্র নিয়্যতের পরিবর্তন করে। অর্থাৎ আমার প্রথম নিয়্যত হবে অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত তারপর উন্নত জীবনযাপন। এতে আমরা দু’টো দিক থেকেই লাভবান হতে পারি। অর্থাৎ আখিরাত এবং দুনিয়া দুই-ই পেতে পারি। নিয়্যতের বিষয়টি সরাসরি আল্লাহ তা'আলার সাথে সম্পর্কিত। নিয়ত শুধু মুখে বা অন্তরে করলে হবে না তার পরিবর্তন বাস্তবে রূপায়িত করতে হবে। কারণ মহান আল্লাহ তা'আলা সব জানেন।
২য় হাদীস :
রসূল (ﷺ) বলেছেন যে, কোন মুসলিমের যদি কুফরের দেশে মৃত্যু হয় (অর্থাৎ অমুসলিম দেশে মৃত্যু হয়) আখিরাতের ময়দানে আমি তার কোন দায়-দায়িত্ব নিতে পারবো না। (আবু দাউদ) এই হাদীসটি বলার সময় রসূল (ﷺ) কথাটির গুরুত্ব বুঝানোর জন্য তাঁর দুই হাত উপরের দিকে উঠিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন।
২য় হাদীসটি উপরের ১ম হাদীসের সাথে সম্পর্কিত। আমরা জানি আখিরাতে আল্লাহর অনুমতিতে রসূল (ﷺ) তাঁর যোগ্য উম্মতদের জন্য শাফায়াত করবেন। যদি কেউ উপরের ১ম হাদীস অনুযায়ী শুধুমাত্র দাওয়াতী উদ্দেশ্যে কুফরের দেশে থাকে এবং মৃত্যু হয় তাহলে তারা ২য় হাদীসের ঐ দলভুক্ত নয়। এছাড়া যারা শুধুমাত্র ডলার কামাই ও উন্নত জীবনযাপনের জন্য থাকবে তাদের দায় দায়িত্ব রসূল নিবেন না।
রসূল (ﷺ) -এর সহীহ বুখারীর একটি হাদীসের সারমর্ম হচ্ছে যে, রসূল (ﷺ) -এর মক্কা বিজয়ের পর আর কোন হিজরত নেই তবে দুটি কারণে নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে হিজরত করা যেতে পারে অর্থাৎ ইমিগ্রেশন নেয়া যেতে পারে।
১) প্রথম কারণ হচ্ছে জিহাদ এবং দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে,
২) যদি কেউ অমুসলিমদের মধ্যে দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে কোন অমুসলিম দেশে সিটিজেনশিপ নিয়ে বসবাস করে তাহলেও তার জন্য হিজরত করা জায়িয হবে। অন্যথায় শুধুমাত্র ক্যারিয়ার, বাড়ি, গাড়ি, ডলার, উন্নত জীবনযাপন, সন্তান মানুষ করণ ইত্যাদির জন্য কোন অমুসলিম দেশে ইমিগ্রেশন নিয়ে বা সিটিজেনশিপ নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করার অনুমতি নেই।
উপরের দুটি শর্তের মধ্যে প্রথমটি আমাদের জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে। এবার আসি দ্বিতীয় শর্তটিতে, এটি আমাদের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে যদি আমরা অমুসলিমদের মাঝে দাওয়াতী কাজ করি। হয়তো আমরা অমুসলিম দেশে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট, বাড়ি, গাড়ি, ডলার, উন্নত জীবনযাপন, সন্তান মানুষ করণ ইত্যাদির জন্য এসেছি এবং এই চাওয়াটা কোন দোষের নয়, কিন্তু আমাদের এই অমুসলিম দেশে থাকাটা আমরা অতি সহজেই জায়িয করে নিতে পারি শুধুমাত্র নিয়্যতের পরিবর্তন করে। অর্থাৎ আমার প্রথম নিয়্যত হবে অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত তারপর উন্নত জীবনযাপন। এতে আমরা দু’টো দিক থেকেই লাভবান হতে পারি। অর্থাৎ আখিরাত এবং দুনিয়া দুই-ই পেতে পারি। নিয়্যতের বিষয়টি সরাসরি আল্লাহ তা'আলার সাথে সম্পর্কিত। নিয়ত শুধু মুখে বা অন্তরে করলে হবে না তার পরিবর্তন বাস্তবে রূপায়িত করতে হবে। কারণ মহান আল্লাহ তা'আলা সব জানেন।
২য় হাদীস :
রসূল (ﷺ) বলেছেন যে, কোন মুসলিমের যদি কুফরের দেশে মৃত্যু হয় (অর্থাৎ অমুসলিম দেশে মৃত্যু হয়) আখিরাতের ময়দানে আমি তার কোন দায়-দায়িত্ব নিতে পারবো না। (আবু দাউদ) এই হাদীসটি বলার সময় রসূল (ﷺ) কথাটির গুরুত্ব বুঝানোর জন্য তাঁর দুই হাত উপরের দিকে উঠিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন।
২য় হাদীসটি উপরের ১ম হাদীসের সাথে সম্পর্কিত। আমরা জানি আখিরাতে আল্লাহর অনুমতিতে রসূল (ﷺ) তাঁর যোগ্য উম্মতদের জন্য শাফায়াত করবেন। যদি কেউ উপরের ১ম হাদীস অনুযায়ী শুধুমাত্র দাওয়াতী উদ্দেশ্যে কুফরের দেশে থাকে এবং মৃত্যু হয় তাহলে তারা ২য় হাদীসের ঐ দলভুক্ত নয়। এছাড়া যারা শুধুমাত্র ডলার কামাই ও উন্নত জীবনযাপনের জন্য থাকবে তাদের দায় দায়িত্ব রসূল নিবেন না।