১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
পর্দার উপকারিতা
১. পর্দা নারী-পুরুষ উভয়ের অন্তরকে শয়তানের কুপ্রবঞ্চনা থেকে মুক্ত রাখে।
২. নারী-পুরুষকে ব্যভিচার ও নোংরামি থেকে মুক্ত রাখে।
৩. নারী-পুরুষের উভয় জীবনকে আদর্শিকভাবে সফল, সুশৃঙ্খল করে।
৪. সতী-সাধবী নারীরা দুশ্চরিত্রবান উদ্দেশ্যমূলক মন্দ চাহনি বা অপবিত্র চক্ষু থেকে হিফাযতে থাকে। সতী-সাধ্বী নারীদের সন্তান-সন্ততির প্রতি কারো সন্দেহ পোষণ করার সুযোগ থাকে না।
৬. এতে মানব বংশ পূতঃপবিত্র থাকে।
৭. পর্দানশীল নারীর সতীত্ব ও পবিত্রতা স্বামী ও তার বংশের লোকদের নিকট নিশ্চিতভাবে স্বীকৃত হয়। ফলে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।
৮. এতে নারীর শারীরিক সৌন্দর্য ও কমনীয়তা অক্ষুন্ন থাকে।
৯. পর্দা নারীর মান-সম্মান ও তাদের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধির প্রতীক।
১০. পর্দা নারীদের আভিজাত্যের প্রতীক।
১১. পর্দা লজ্জা ঢেকে রাখার উত্তম পন্থা।
১২. পর্দা নারী ও পুরুষ উভয়ের সচ্চরিত্র গঠনে সহায়ক।
১৩. পর্দা নারী ও পুরুষকে আল্লাহমুখী এবং যথাযথভাবে আমল করার সুযোগ করে দেয়।
১৪. পর্দা ব্যবহারের ফলে উদ্ভূত বিরূপ পরিস্থিতি থেকে মুক্ত থাকতে পারার ফলে সকল ধরনের অসংগত মানসিক চিন্তা এবং যৌন রোগ থেকে নারী পুরুষ উভয়ই মুক্তি পায়।
১৫. পর্দা সমাজ ব্যবস্থাকে সুস্থ্য ও কল্যাণময় করে তোলে। সেইসাথে নারীদের সম্মান মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকে বলে পুরুষরা তাদেরকে যৌতুকবিহীন বিয়ে করতে ইচ্ছা পোষণ করে। তাছাড়া এক শ্রেণীর যুবক যারা পর্দা সংরক্ষণ করে মহান আল্লাহর আদেশ পালনে নিজেকে নিয়োজিত রাখে, তাদের মহান স্রষ্টা আল্লাহর প্রতি এই অগাধ ভক্তি ও আল্লাহর আদেশ পালনে মাথানত দেখে তাদের প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে থাকে। ফলে এ বিয়ের ক্ষেত্রে সবকিছু সুন্দরভাবে আঞ্জাম দেয়ার সমূহ ব্যবস্থা খুব সহজেই হয়ে যায়। আর এভাবেই পর্দা সমাজ জীবনকে সুস্থ্য রাখতে সক্ষম হয়। সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিয়েতে যে যৌতুক দাবি করার এক অশুভ প্রতিযোগিতা রয়েছে তা হবু স্ত্রীকে পর্দা করতে দেখে, আল্লাহর আদেশ পালন করতে দেখে নিজে যৌতুক দাবি করে আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন করবে এমন দুঃসাহস মুসলিম স্বামী মাত্রই দেখাতে চায় না। এতে কন্যা দায়গ্রস্ত হওয়া থেকেও মানুষ মুক্ত থাকতে পারে।
২. নারী-পুরুষকে ব্যভিচার ও নোংরামি থেকে মুক্ত রাখে।
৩. নারী-পুরুষের উভয় জীবনকে আদর্শিকভাবে সফল, সুশৃঙ্খল করে।
৪. সতী-সাধবী নারীরা দুশ্চরিত্রবান উদ্দেশ্যমূলক মন্দ চাহনি বা অপবিত্র চক্ষু থেকে হিফাযতে থাকে। সতী-সাধ্বী নারীদের সন্তান-সন্ততির প্রতি কারো সন্দেহ পোষণ করার সুযোগ থাকে না।
৬. এতে মানব বংশ পূতঃপবিত্র থাকে।
৭. পর্দানশীল নারীর সতীত্ব ও পবিত্রতা স্বামী ও তার বংশের লোকদের নিকট নিশ্চিতভাবে স্বীকৃত হয়। ফলে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।
৮. এতে নারীর শারীরিক সৌন্দর্য ও কমনীয়তা অক্ষুন্ন থাকে।
৯. পর্দা নারীর মান-সম্মান ও তাদের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধির প্রতীক।
১০. পর্দা নারীদের আভিজাত্যের প্রতীক।
১১. পর্দা লজ্জা ঢেকে রাখার উত্তম পন্থা।
১২. পর্দা নারী ও পুরুষ উভয়ের সচ্চরিত্র গঠনে সহায়ক।
১৩. পর্দা নারী ও পুরুষকে আল্লাহমুখী এবং যথাযথভাবে আমল করার সুযোগ করে দেয়।
১৪. পর্দা ব্যবহারের ফলে উদ্ভূত বিরূপ পরিস্থিতি থেকে মুক্ত থাকতে পারার ফলে সকল ধরনের অসংগত মানসিক চিন্তা এবং যৌন রোগ থেকে নারী পুরুষ উভয়ই মুক্তি পায়।
১৫. পর্দা সমাজ ব্যবস্থাকে সুস্থ্য ও কল্যাণময় করে তোলে। সেইসাথে নারীদের সম্মান মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকে বলে পুরুষরা তাদেরকে যৌতুকবিহীন বিয়ে করতে ইচ্ছা পোষণ করে। তাছাড়া এক শ্রেণীর যুবক যারা পর্দা সংরক্ষণ করে মহান আল্লাহর আদেশ পালনে নিজেকে নিয়োজিত রাখে, তাদের মহান স্রষ্টা আল্লাহর প্রতি এই অগাধ ভক্তি ও আল্লাহর আদেশ পালনে মাথানত দেখে তাদের প্রতি বিশেষভাবে দুর্বল হয়ে থাকে। ফলে এ বিয়ের ক্ষেত্রে সবকিছু সুন্দরভাবে আঞ্জাম দেয়ার সমূহ ব্যবস্থা খুব সহজেই হয়ে যায়। আর এভাবেই পর্দা সমাজ জীবনকে সুস্থ্য রাখতে সক্ষম হয়। সমাজ ব্যবস্থা থেকে বিয়েতে যে যৌতুক দাবি করার এক অশুভ প্রতিযোগিতা রয়েছে তা হবু স্ত্রীকে পর্দা করতে দেখে, আল্লাহর আদেশ পালন করতে দেখে নিজে যৌতুক দাবি করে আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন করবে এমন দুঃসাহস মুসলিম স্বামী মাত্রই দেখাতে চায় না। এতে কন্যা দায়গ্রস্ত হওয়া থেকেও মানুষ মুক্ত থাকতে পারে।