১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৮
সবশেষে পরামর্শ
ইসলাম মানবজাতির জন্য আল্লাহ প্রদত্ত চিরন্তন কল্যাণকর পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। মানুষের ব্যক্তি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, নৈতিকতা, চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস, কর্ম, আচার-আচরণ, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, মূল্যবোধ তথা সমগ্র জীবন ধারার সাথে সমন্বিত ও সম্পৃক্ত রেখে আর্থ-সামাজিক জীবন পরিচালনার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ অর্থ-ব্যবস্থা উপহার প্রদান ইসলামী জীবন দর্শনের বৈশিষ্ট্য। মানবজীবনে অর্থ খুবই প্রয়োজন। অর্থ ছাড়া জীবনধারণ অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু তাই বলে ইসলাম মানুষকে অর্থ উপার্জনের অবাধ সুযোগ দেয় না। উপার্জনের পন্থা ও উপায়ের ক্ষেত্রে সামাজিক স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে বৈধ-অবৈধতার পার্থক্য সৃষ্টি করে সম্পদ উপার্জন সমাজ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর প্রবণতা ও কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইসলাম। এর মধ্যে সুদ সম্পর্কিত নিষেধ সবচেয়ে বেশী কঠোর। তারপরও যারা সুদের সাথে সম্পৃক্ত হয় তাদের প্রতি আল্লাহ অসন্তষ্ট হয়। ফলে তারা কোন দিক দিয়েই কোন বরকত পান না এবং নানা সমস্যায় জর্জড়িত থাকেন। সূরা আনআম এর ১০৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন :
“তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ অবশ্যই এসেছে। সুতরাং কেউ তা মানলে তার দ্বারা সে নিজেই লাভবান হবে, আর কেউ না মানলে তাতে সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর আমি তোমাদের সংরক্ষক নই”।
১. আমি যদি কোনভাবে সুদের সাথে জড়িত হয়ে থাকি, মনে করতে হবে সেটা আমার ব্যক্তিগত ঈমানী দুর্বলতা।
২. নিজে এই কাজ করি বলে সেটা অন্য সবার জন্য যেন হালাল বলে দাবী না করি এবং সমাজে প্রতিষ্ঠা না করার চেষ্টা করি।
৩. সর্বপ্রথমে মনে প্রাণে এটা বিশ্বাস করতে হবে যে আমি অন্যায় করেছি, কবীরাহ গুনাহ করেছি।
৪. আল্লাহর কথা অনুযায়ী সুদ ইসলামে শর্তহীনভাবে নিষিদ্ধ এবং সব যুগের জন্য একটি কবীরাহ গুনাহ তা স্বীকার করতে হবে এবং মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।
৫. আমি যে সকল বিষয়ে সুদের সাথে জড়িত আছি তা ছেড়ে দিতে হবে এবং নুতন করে কোন সুদের সাথে জড়িত হওয়া যাবে না।
৬. অতঃপর মহান আল্লাহ তা'আলার দরবারে ক্ষমা চাইতে হবে, তাওবা করতে হবে। প্রয়োজনে কাফফারা দিতে হবে। এবং ভাল অংকের টাকা সদাকা করা উচিত।
৭. আমি যে দেশে থাকি সেখানে যদি ইসলামিক ব্যাংকিং না থাকে তাহলে সেখানে ইসলামিক ব্যাংকিং চালু করার জন্য চেষ্টা-সাধনা করা।
“তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তোমাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ অবশ্যই এসেছে। সুতরাং কেউ তা মানলে তার দ্বারা সে নিজেই লাভবান হবে, আর কেউ না মানলে তাতে সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর আমি তোমাদের সংরক্ষক নই”।
১. আমি যদি কোনভাবে সুদের সাথে জড়িত হয়ে থাকি, মনে করতে হবে সেটা আমার ব্যক্তিগত ঈমানী দুর্বলতা।
২. নিজে এই কাজ করি বলে সেটা অন্য সবার জন্য যেন হালাল বলে দাবী না করি এবং সমাজে প্রতিষ্ঠা না করার চেষ্টা করি।
৩. সর্বপ্রথমে মনে প্রাণে এটা বিশ্বাস করতে হবে যে আমি অন্যায় করেছি, কবীরাহ গুনাহ করেছি।
৪. আল্লাহর কথা অনুযায়ী সুদ ইসলামে শর্তহীনভাবে নিষিদ্ধ এবং সব যুগের জন্য একটি কবীরাহ গুনাহ তা স্বীকার করতে হবে এবং মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।
৫. আমি যে সকল বিষয়ে সুদের সাথে জড়িত আছি তা ছেড়ে দিতে হবে এবং নুতন করে কোন সুদের সাথে জড়িত হওয়া যাবে না।
৬. অতঃপর মহান আল্লাহ তা'আলার দরবারে ক্ষমা চাইতে হবে, তাওবা করতে হবে। প্রয়োজনে কাফফারা দিতে হবে। এবং ভাল অংকের টাকা সদাকা করা উচিত।
৭. আমি যে দেশে থাকি সেখানে যদি ইসলামিক ব্যাংকিং না থাকে তাহলে সেখানে ইসলামিক ব্যাংকিং চালু করার জন্য চেষ্টা-সাধনা করা।