১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২৭
আল্লাহর পথে ব্যয় করার গুরুত্ব
রসূল (ﷺ) বলেছেন, হে আদম সন্তান, যদি তোমার উদ্ধৃত্ত সম্পদ খরচ কর তা হলে তা তোমার জন্যে কল্যাণকর হবে। আর যদি তা সঞ্চয় করে রাখ তা হলে তা হবে তোমার জন্যে অকল্যাণকর। তবে হ্যা, তোমার জীবন ধারণের ন্যূনতম সম্পদের জন্যে তোমাকে পাকড়াও করা হবে না। এ খরচের সূচনা কর তোমার পরিবার থেকেই। (সহীহ মুসলিম)
রসূল (ﷺ) বলেছেন, দানকারী আল্লাহর নিকটতম, জান্নাতের নিকটতম এবং মানুষেরও নিকটতম হয়ে থাকে। আর দূরে থাক জাহান্নাম থেকে। পক্ষান্তরে কৃপণ ব্যক্তি অবস্থান করে আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে, মানুষ থেকে দূরে, জাহান্নামের নিকটে। অবশ্য অবশ্যই একজন মুর্থ দাতা একজন কৃপণ ব্যক্তির তুলনায় আল্লাহর কাছে অধিকতর প্রিয়। (তিরমিযী)
আজকের দিনে আল্লাহর দ্বীন এমন একদল আল্লাহর বান্দাহর মাধ্যমে বিজয় লাভে সক্ষম হবে যারা শেষ নবীর হাতে গড়া সাহাবায়ে কিরামের ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। সাহাবায়ে কিরাম মাল ও জানের কুরবানীর যে নযিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন- তার প্রেরণার উৎস ছিল আল্লাহর কুরআন ও এবং রসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহর সার্থক অনুসরণ। তাই আমরা এটাকে উপলব্ধি করার জন্য এ পর্যায়ে আল্লাহ তা'আলার কুরআন এবং রসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহর। মূল দিক নির্দেশনা উপলব্ধি করার চেষ্টা করবো।
বাস্তবে কী হচ্ছে?
সূরা মুহাম্মাদের আয়াতের সাথে এই যুগের সাথে অনেকটা মিলে যাচ্ছে। ইউরোপ এবং নর্থ আমেরিকাতে যারা নিজেদের জান-মাল দিয়ে দ্বীন ইসলামের কাজ করছেন তাদের বেশীরভাগই নতুন মুসলিম অর্থাৎ অন্য ধর্ম থেকে converted। যেমন :
ড. ইউসুফ স্টেস: তিনি ছিলেন আমেরিকার একজন সফল মিউজিক্যাল ইট্রম্যান্ট ব্যবসায়ী এবং বিলিওনিয়র। ইসলাম গ্রহণ করার পর তিনি দ্বীন ইসলামের দাওয়াতী কাজকে নিয়েছেন জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হিসেবে। তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি ব্যয় করে দিয়েছেন দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ হাজার হাজার অমুসলিম প্রতিনিয়ত তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করছেন। জার্মানিতে তার একটি ইসলামিক কনফারেন্সে একসাথে ১,২৫০ জন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করেছেন (আল্লাহু আকবার)
ড. ইউসুফ ইসলাম: যার আগের নাম ছিল’ক্যাট স্টিভ্যান। তিনি ছিলেন ইংল্যান্ডের একজন বিখ্যাত পপ গায়ক (মাইকেল জ্যাকসনের মত সুপার স্টার) তিনিও বিলিওনিয়র ছিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করার পর তার সমস্ত অর্থ দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যয় করে দিয়েছেন। আর তিনি সারা পৃথিবী ঘুরে দ্বীন ইসলাম প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। বর্তমানে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ইসলামিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা তিনি, যে স্কুলে মুসলিম ছেলেমেয়েরা ভর্তি হওয়ার জন্য নাম লিখিয়ে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে থাকে (আল্লাহু আকবার)
রসূল (ﷺ) বলেছেন, দানকারী আল্লাহর নিকটতম, জান্নাতের নিকটতম এবং মানুষেরও নিকটতম হয়ে থাকে। আর দূরে থাক জাহান্নাম থেকে। পক্ষান্তরে কৃপণ ব্যক্তি অবস্থান করে আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে, মানুষ থেকে দূরে, জাহান্নামের নিকটে। অবশ্য অবশ্যই একজন মুর্থ দাতা একজন কৃপণ ব্যক্তির তুলনায় আল্লাহর কাছে অধিকতর প্রিয়। (তিরমিযী)
আজকের দিনে আল্লাহর দ্বীন এমন একদল আল্লাহর বান্দাহর মাধ্যমে বিজয় লাভে সক্ষম হবে যারা শেষ নবীর হাতে গড়া সাহাবায়ে কিরামের ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। সাহাবায়ে কিরাম মাল ও জানের কুরবানীর যে নযিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন- তার প্রেরণার উৎস ছিল আল্লাহর কুরআন ও এবং রসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহর সার্থক অনুসরণ। তাই আমরা এটাকে উপলব্ধি করার জন্য এ পর্যায়ে আল্লাহ তা'আলার কুরআন এবং রসূল (ﷺ)-এর সুন্নাহর। মূল দিক নির্দেশনা উপলব্ধি করার চেষ্টা করবো।
বাস্তবে কী হচ্ছে?
সূরা মুহাম্মাদের আয়াতের সাথে এই যুগের সাথে অনেকটা মিলে যাচ্ছে। ইউরোপ এবং নর্থ আমেরিকাতে যারা নিজেদের জান-মাল দিয়ে দ্বীন ইসলামের কাজ করছেন তাদের বেশীরভাগই নতুন মুসলিম অর্থাৎ অন্য ধর্ম থেকে converted। যেমন :
ড. ইউসুফ স্টেস: তিনি ছিলেন আমেরিকার একজন সফল মিউজিক্যাল ইট্রম্যান্ট ব্যবসায়ী এবং বিলিওনিয়র। ইসলাম গ্রহণ করার পর তিনি দ্বীন ইসলামের দাওয়াতী কাজকে নিয়েছেন জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হিসেবে। তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি ব্যয় করে দিয়েছেন দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ হাজার হাজার অমুসলিম প্রতিনিয়ত তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করছেন। জার্মানিতে তার একটি ইসলামিক কনফারেন্সে একসাথে ১,২৫০ জন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করেছেন (আল্লাহু আকবার)
ড. ইউসুফ ইসলাম: যার আগের নাম ছিল’ক্যাট স্টিভ্যান। তিনি ছিলেন ইংল্যান্ডের একজন বিখ্যাত পপ গায়ক (মাইকেল জ্যাকসনের মত সুপার স্টার) তিনিও বিলিওনিয়র ছিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করার পর তার সমস্ত অর্থ দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে ব্যয় করে দিয়েছেন। আর তিনি সারা পৃথিবী ঘুরে দ্বীন ইসলাম প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। বর্তমানে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ইসলামিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা তিনি, যে স্কুলে মুসলিম ছেলেমেয়েরা ভর্তি হওয়ার জন্য নাম লিখিয়ে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে থাকে (আল্লাহু আকবার)