১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬৫
একটি সত্য ঘটনা ও ঘটনা হতে শিক্ষা
দুর্ঘটনা :
ভদ্রলোক একটি ভাল চাকুরী করেন, এলাকায় তার খুব নাম এবং সবাই তাকে খুবই সম্মান করেন এবং তিনি অবসর সময়ে বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক কাজও করে বেড়ান। ভদ্রলোক স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতেই বসবাস করছেন। ভদ্রলোকের স্ত্রীর এক বান্ধবী প্রায়ই ভদ্রলোকের স্ত্রীর কাছে আসা-যাওয়া করেন। বান্ধবীটি আবার কোন কারণে স্বামীহারা এবং কয়েক সন্তানের মা। যাহোক, এভাবে আসা-যাওয়ার মধ্যে দিয়ে দুই পরিবারে মধ্যে খুব ভাল সম্পর্ক ডেভেলপ করে। মাঝে মধ্যে ভদ্রলোকের স্ত্রী বান্ধবীকে অনুরোধ করেন তার স্বামীকে ডাইনিংয়ে খাবারটা বেড়ে দিতে। অনেক সময় স্ত্রী বান্ধবীকে নিজ বাসায় রেখে কোন জরী কাজে বাইরে গেছেন এবং বান্ধবীকে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন যে তার স্বামী ঘুম থেকে উঠলে যেন নাস্তাটা তৈরী করে দেন। এভাবে চলতে থাকে কিছু দিন। দুই পরিবারের মধ্যে খুবই ভাল সম্পর্ক।
কিন্তু ইবলিস শয়তান তো আর বসে নেই সে অপেক্ষায় ছিল সুযোগের। কিছু দিনের মধ্যেই যা ঘটার তাই ঘটে গেছে। ভদ্রলোকের স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বান্ধবীর সাথে ভদ্রলোকের সম্পর্ক হয়ে গেছে। ঘটনা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ পেয়ে যায়। ভদ্রলোক ফাইনাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন যে স্ত্রীর বান্ধবীকে বিয়ে করবেন। যেই সিদ্ধান্ত সেই কাজ। ভদ্রলোক ঐ মহিলাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। ভদ্রলোকের স্ত্রীর এবার মাথায় হাত, কিন্তু যা হবার হয়েই গেছে, এখন আর কিছুই করার নেই।
ঘটনা হতে শিক্ষা :
আশা করি আমরা সকলে এ ঘটনা হতে শিক্ষা নেব। ভদ্রলোকের স্ত্রী কখনো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি যে তার ফিরিশতাতুল্য স্বামী এমন একটি কাজ করতে পারেন। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটার জন্য ভদ্রলোকের স্ত্রীই রাস্তা বাতলে দিয়েছেন। আফসোসের বিষয় হলো আমরা কেউ নিজেকে Vulnerable মনে করি না। আমাদের আত্মবিশ্বাস ও শয়তানের ব্যাপারে অস্বচ্ছ জ্ঞান নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনায় সহায়তা করে। সকল স্বামী মনে করেন আমার স্ত্রী পৃথিবীর সের, সকল স্ত্রী মনে করেন আমার স্বামী সচ্চরিত্রবান। কথা ঠিক, স্বামী ফুলের মত পবিত্র, স্ত্রী বিশ্বস্তা। কিন্তু শয়তানকেও কি বিশ্বাস করা যায়? মূল ঘটনা তো ঘটায় শয়তান। আমাদের আপত্তি এখানে। আমরা যেন শয়তানকে এক মুহুর্তের জন্যেও বিশ্বাস না করি। শয়তানের ঘোষণাই তো মানুষের ক্ষতি করা। সুযোগের অপেক্ষায় থাকা। আর সময় ও সুযোগ পেলেই কাজে লাগিয়ে ভাল মানুষদের ধ্বংস করে দেয়া। সূরা আ’রাফের ১৭ নং আয়াতে শয়তান ডিকলারেশন দিয়ে বলছেঃ
“আমি (শয়তান) এদের (মানবজাতির সামনে থেকে আসবো, পিছন থেকে আসবো, ডান দিক থেকে আসবো, বাম দিক থেকে আসবো”।
ভদ্রলোক একটি ভাল চাকুরী করেন, এলাকায় তার খুব নাম এবং সবাই তাকে খুবই সম্মান করেন এবং তিনি অবসর সময়ে বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক কাজও করে বেড়ান। ভদ্রলোক স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতেই বসবাস করছেন। ভদ্রলোকের স্ত্রীর এক বান্ধবী প্রায়ই ভদ্রলোকের স্ত্রীর কাছে আসা-যাওয়া করেন। বান্ধবীটি আবার কোন কারণে স্বামীহারা এবং কয়েক সন্তানের মা। যাহোক, এভাবে আসা-যাওয়ার মধ্যে দিয়ে দুই পরিবারে মধ্যে খুব ভাল সম্পর্ক ডেভেলপ করে। মাঝে মধ্যে ভদ্রলোকের স্ত্রী বান্ধবীকে অনুরোধ করেন তার স্বামীকে ডাইনিংয়ে খাবারটা বেড়ে দিতে। অনেক সময় স্ত্রী বান্ধবীকে নিজ বাসায় রেখে কোন জরী কাজে বাইরে গেছেন এবং বান্ধবীকে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন যে তার স্বামী ঘুম থেকে উঠলে যেন নাস্তাটা তৈরী করে দেন। এভাবে চলতে থাকে কিছু দিন। দুই পরিবারের মধ্যে খুবই ভাল সম্পর্ক।
কিন্তু ইবলিস শয়তান তো আর বসে নেই সে অপেক্ষায় ছিল সুযোগের। কিছু দিনের মধ্যেই যা ঘটার তাই ঘটে গেছে। ভদ্রলোকের স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে বান্ধবীর সাথে ভদ্রলোকের সম্পর্ক হয়ে গেছে। ঘটনা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ পেয়ে যায়। ভদ্রলোক ফাইনাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন যে স্ত্রীর বান্ধবীকে বিয়ে করবেন। যেই সিদ্ধান্ত সেই কাজ। ভদ্রলোক ঐ মহিলাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। ভদ্রলোকের স্ত্রীর এবার মাথায় হাত, কিন্তু যা হবার হয়েই গেছে, এখন আর কিছুই করার নেই।
ঘটনা হতে শিক্ষা :
আশা করি আমরা সকলে এ ঘটনা হতে শিক্ষা নেব। ভদ্রলোকের স্ত্রী কখনো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি যে তার ফিরিশতাতুল্য স্বামী এমন একটি কাজ করতে পারেন। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটার জন্য ভদ্রলোকের স্ত্রীই রাস্তা বাতলে দিয়েছেন। আফসোসের বিষয় হলো আমরা কেউ নিজেকে Vulnerable মনে করি না। আমাদের আত্মবিশ্বাস ও শয়তানের ব্যাপারে অস্বচ্ছ জ্ঞান নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনায় সহায়তা করে। সকল স্বামী মনে করেন আমার স্ত্রী পৃথিবীর সের, সকল স্ত্রী মনে করেন আমার স্বামী সচ্চরিত্রবান। কথা ঠিক, স্বামী ফুলের মত পবিত্র, স্ত্রী বিশ্বস্তা। কিন্তু শয়তানকেও কি বিশ্বাস করা যায়? মূল ঘটনা তো ঘটায় শয়তান। আমাদের আপত্তি এখানে। আমরা যেন শয়তানকে এক মুহুর্তের জন্যেও বিশ্বাস না করি। শয়তানের ঘোষণাই তো মানুষের ক্ষতি করা। সুযোগের অপেক্ষায় থাকা। আর সময় ও সুযোগ পেলেই কাজে লাগিয়ে ভাল মানুষদের ধ্বংস করে দেয়া। সূরা আ’রাফের ১৭ নং আয়াতে শয়তান ডিকলারেশন দিয়ে বলছেঃ
“আমি (শয়তান) এদের (মানবজাতির সামনে থেকে আসবো, পিছন থেকে আসবো, ডান দিক থেকে আসবো, বাম দিক থেকে আসবো”।