১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৪
যে বিষয়গুলো দাম্পত্য জীবনকে অশান্তিময়, দুর্বল এবং অকার্যকর করে
১) খারাপ ব্যবহার করা ও তাকে এমন কিছু নিয়ে ঠাট্টা করা যাতে সে মানসিকভাবে আহত হয়। এমন কোন ধমক দেয়া যাবে না যাতে সে অপমানিত বোধ করে।
২) উপেক্ষা করা ও তার পছন্দ, ভালোলাগা কিংবা তার কথাবার্তাকে গ্রাহ্য না করা বা গুরুত্ব/পাত্তা না দেয়া। স্ত্রীর সংগে চেঁচিয়ে অথবা প্রভুসুলভ কথাবার্তা দুজনের মাঝে সম্পর্ক নষ্ট করে।
৩) মিথ্যা বলার কিছুতেই মিথ্যা বলা ঠিক নয়। মিথ্যা পারস্পরিক বিশ্বাসকে ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়।
৪) কথা দিয়ে কথা না রাখা ও কথা দিয়ে কথা রাখা বা ওয়াদা রক্ষা করা একজন মু'মিনের বৈশিষ্ট্য। বিষয়টি দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৫) সন্দেহ ও গীবত করা ও কখনো সন্দেহ করা ঠিক না। সন্দেহ পারস্পরিক সম্পর্ককে ধবংস করে। জীবনসঙ্গী খুব কাছের মানুষ এটা সত্যি। কিন্তু তার খুঁত ধরে যদি তার বিষয়ে অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করা হয় তাহলে নিঃসন্দেহে হতাশ হতে হবে। সম্পর্ক ক্রমে বিষাক্ত হয়ে পড়বে যার প্রভাব সন্তানদের উপরেও পড়বে।
৬) সালাত এবং অন্যান্য ইবাদত না বরা : যে ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করে না, সলাত আদায় করে না অথবা আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলে না, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট নন। নিয়মিত সলাত আদায় না করা, অশ্লীল কাজ, হারাম উপার্জনগুলো থেকে সরে না আসার কারণে অনেক সংসার ভেঙ্গে গেছে। আল্লাহর প্রতি কর্তব্য পালনে অলসতা-উপেক্ষা করার কারণে মুসলিম সংসারে অত্যন্ত দ্রুত ভাঙ্গন ধরে যায়।
৭) খুব বেশী ব্যস্ততা ও খুব বেশী ব্যস্ততা ভাল নয়। তার প্রতি স্বামীর কর্তব্য রয়েছে, কিছু দায়িত্ব রয়েছে। কিছুটা সময় তিনি পাওয়ার অধিকার রাখেন। এই বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত।
৮) স্ত্রী হিজাব করতে চাইলে অথবা ইসলামী বিধান মেনে চলতে চাইলে তাকে বাধা না দেয়া।
৯) স্বামীর কোন বদঅভ্যাস স্ত্রী তাকে ত্যাগ করতে বললে তার উপর রাগ না করে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া। যথা, মদ-সিগারেট, জুয়া খেলা, Internet-এ Chatting, Pornography, অকারণে অনেক রাত পর্যন্ত ঘরের বাইরে থাকা, বাজে খরচ করা, আত্মীয়-বন্ধুদের সংগে প্রতিযোগিতামূলক খরচ করা ইত্যাদি
২) উপেক্ষা করা ও তার পছন্দ, ভালোলাগা কিংবা তার কথাবার্তাকে গ্রাহ্য না করা বা গুরুত্ব/পাত্তা না দেয়া। স্ত্রীর সংগে চেঁচিয়ে অথবা প্রভুসুলভ কথাবার্তা দুজনের মাঝে সম্পর্ক নষ্ট করে।
৩) মিথ্যা বলার কিছুতেই মিথ্যা বলা ঠিক নয়। মিথ্যা পারস্পরিক বিশ্বাসকে ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়।
৪) কথা দিয়ে কথা না রাখা ও কথা দিয়ে কথা রাখা বা ওয়াদা রক্ষা করা একজন মু'মিনের বৈশিষ্ট্য। বিষয়টি দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৫) সন্দেহ ও গীবত করা ও কখনো সন্দেহ করা ঠিক না। সন্দেহ পারস্পরিক সম্পর্ককে ধবংস করে। জীবনসঙ্গী খুব কাছের মানুষ এটা সত্যি। কিন্তু তার খুঁত ধরে যদি তার বিষয়ে অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করা হয় তাহলে নিঃসন্দেহে হতাশ হতে হবে। সম্পর্ক ক্রমে বিষাক্ত হয়ে পড়বে যার প্রভাব সন্তানদের উপরেও পড়বে।
৬) সালাত এবং অন্যান্য ইবাদত না বরা : যে ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করে না, সলাত আদায় করে না অথবা আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলে না, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট নন। নিয়মিত সলাত আদায় না করা, অশ্লীল কাজ, হারাম উপার্জনগুলো থেকে সরে না আসার কারণে অনেক সংসার ভেঙ্গে গেছে। আল্লাহর প্রতি কর্তব্য পালনে অলসতা-উপেক্ষা করার কারণে মুসলিম সংসারে অত্যন্ত দ্রুত ভাঙ্গন ধরে যায়।
৭) খুব বেশী ব্যস্ততা ও খুব বেশী ব্যস্ততা ভাল নয়। তার প্রতি স্বামীর কর্তব্য রয়েছে, কিছু দায়িত্ব রয়েছে। কিছুটা সময় তিনি পাওয়ার অধিকার রাখেন। এই বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত।
৮) স্ত্রী হিজাব করতে চাইলে অথবা ইসলামী বিধান মেনে চলতে চাইলে তাকে বাধা না দেয়া।
৯) স্বামীর কোন বদঅভ্যাস স্ত্রী তাকে ত্যাগ করতে বললে তার উপর রাগ না করে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া। যথা, মদ-সিগারেট, জুয়া খেলা, Internet-এ Chatting, Pornography, অকারণে অনেক রাত পর্যন্ত ঘরের বাইরে থাকা, বাজে খরচ করা, আত্মীয়-বন্ধুদের সংগে প্রতিযোগিতামূলক খরচ করা ইত্যাদি