১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৬
সুদ গ্রহণের কিছু কারণ
বাস্তবে দেখা গেছে যে অনেক দ্বীনি ভাই পরিবারের চাপে পরে সুদের সাথে জড়িয়ে যান, নিজ স্ত্রীকে খুশী করতে গিয়ে আল্লাহ তা'আলার আইনকে অমান্য করেন। তখন ঐ মুমিন ভাইকে অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে যে ইবলিস শয়তানের এটা এক ধরণের প্ররোচনা, সে সোজা পথে পারেনি বলে অন্য পথ ধরেছে। রসূল (ﷺ)-এর হাদীস থেকে আমরা জানি যে জন্মদাত্রী মাতার সন্তষ্টির জন্য সন্তানকে তার সব কথা শুনতে হবে কিন্তু যদি কোন মা তার সন্তানকে কোন শরীয়ত বিরোধী কাজ করতে হুকুম করেন তাহলে তা অবশ্যই মানা যাবে না। এখন যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীকে আল্লাহর কোন ফরয হুকুম অমান্য করতে প্রেসার দেয় বা কোন কবীরাহ গুনাহ করতে বাধ্য করে তাহলে সেই স্ত্রীকে নিয়ে অবশ্যই চিন্তা-ভাবনা করতে হবে, স্কলারদের সাথে এই বিষয়ে আলাপ আলোচনা করতে হবে, কুরআন-হাদীসের আলোকে সঠিক সমাধান বের করে আনতে হবে। মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ
“হে ঐ সব লোক যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর কথা ভুলিয়ে না দেয়। যারা এরূপ করবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” (সূরা মুনাফিকূন : ৯)
সুদ গ্রহণের অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি ক্ষতিকারক কারণ হচ্ছে সুদে গাড়ি-বাড়ি কিনে প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে একপ্রকার indirect প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া এবং যা হচ্ছে ইসলামের দৃষ্টিতে’রিয়া’ এবং মহিলারাই সাধারণতঃ এই বিষয়ে অধিক দুর্বল।
মাহমুদ ইবনে লুবাইদ বর্ণনা করেছেন “আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেন : “আমি তোমাদের জন্য যা সবচেয়ে বেশী ভয় করি তা হল আশ-শিরক আল-আসগর (ছোট শিরক)” সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন “হে আল্লাহর রসূল, ছোট শিরক কি?” তিনি উত্তর দিলেন, “আর-রিয়া” – লোক দেখানো বা জাহির করা, কারণ নিশ্চয়ই শেষ বিচারের দিনে মানুষ তার পুরস্কার গ্রহণের সময় আল্লাহ বলবেন, “দুনিয়ার জগতে যাদের কাছে তুমি নিজেকে জাহির করেছিলে তাদের কাছে যাও এবং দেখ তাদের নিকট হতে কোন পুরস্কার পাও কি না।” (আহমদ)
তাই বিভিন্ন ধরনের ভাল কাজের মধ্যে অন্যকে দেখানোর এবং প্রশংসিত হবার জন্য। যে ধরনের কাজ অনুশীলন করা হয়ে থাকে এই কাজগুলো হলো’রিয়া।
“হে ঐ সব লোক যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর কথা ভুলিয়ে না দেয়। যারা এরূপ করবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” (সূরা মুনাফিকূন : ৯)
সুদ গ্রহণের অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি ক্ষতিকারক কারণ হচ্ছে সুদে গাড়ি-বাড়ি কিনে প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে একপ্রকার indirect প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া এবং যা হচ্ছে ইসলামের দৃষ্টিতে’রিয়া’ এবং মহিলারাই সাধারণতঃ এই বিষয়ে অধিক দুর্বল।
মাহমুদ ইবনে লুবাইদ বর্ণনা করেছেন “আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেন : “আমি তোমাদের জন্য যা সবচেয়ে বেশী ভয় করি তা হল আশ-শিরক আল-আসগর (ছোট শিরক)” সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন “হে আল্লাহর রসূল, ছোট শিরক কি?” তিনি উত্তর দিলেন, “আর-রিয়া” – লোক দেখানো বা জাহির করা, কারণ নিশ্চয়ই শেষ বিচারের দিনে মানুষ তার পুরস্কার গ্রহণের সময় আল্লাহ বলবেন, “দুনিয়ার জগতে যাদের কাছে তুমি নিজেকে জাহির করেছিলে তাদের কাছে যাও এবং দেখ তাদের নিকট হতে কোন পুরস্কার পাও কি না।” (আহমদ)
তাই বিভিন্ন ধরনের ভাল কাজের মধ্যে অন্যকে দেখানোর এবং প্রশংসিত হবার জন্য। যে ধরনের কাজ অনুশীলন করা হয়ে থাকে এই কাজগুলো হলো’রিয়া।