১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৫
বউ এর জন্য কিছু করণীয়
১. ভাল না লাগলেও সবসময় শাশুড়ীর খোঁজখবর নেয়া।
২. শাশুড়ীর মাথা আঁচড়িয়ে দেয়া, মাথায় তেল দিয়ে দেয়া।
৩. শাশুড়ী ঠিক মতো ঔষুধ-পত্র ঠিক মতো খাচ্ছেন কিনা তা খেয়াল রাখা।
৪. শাশুড়ীর ব্লাডপ্রেসার বা ডায়েবেটিস মেপে দেয়া বা তাকে মাঝে মধ্যে ডাক্তারের কাছে চেকআপের জন্য নেয়া।
৫. মাঝে মধ্যেই শাশুড়ীর পড়নের কাপড় লন্ড্রি করে দেয়া।
৬. শাশুড়ী যা খেতে পছন্দ করেন তা মাঝে মধ্যে ঘরে রান্না করা।
৭. শাশুড়ীর সাথে বসে গল্প করা বা টিভি দেখা।
৮. শাশুড়ীকে কোন কাজ দিয়ে ব্যস্ত রাখা যে কাজটি তিনি খুব পছন্দ করেন এবং আগ্রহভরে করেন।
৯. শাশুড়ীকে সবসময় সালাম দেয়া (অর্থাৎ তার শান্তি কামনা করা)
১০. বাইরে যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করা যে তার কিছু লাগবে কিনা।
১১. শাশুড়ীর জন্য মাঝে মধ্যেই উপহার নিয়ে আসা যদিও সস্তা দামেরও হয়।
১২. শাশুড়ীকে বেশী বেশী করে কুরআন ও হাদীস থেকে নবী-রসূলদের জীবনী শুনানো, সাহাবাদের জীবনী শুনানো।
১৩. শাশুড়ীকে ইসলামিক ডিভিডি ছেড়ে দেয়া এবং সেখান থেকে শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে মাঝে মধ্যেই আলোচনা করা।
১৪. শাশুড়ীকে বিভিন্ন ইসলামিক প্রোগ্রামে নিয়ে যাওয়া।
১৫. শাশুড়ী যদি অন্য কারো গীবত করতে শুরু করেন তাহলে তা হিকমতের সাথে (অর্থাৎ টেকনিকের সাথে) অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয়া।
১৬. অন্যের কাছে সবসময় শাশুড়ীর প্রশংসা করা যদিও তিনি খারাপ হন।
১৭. শাশুড়ী যদি কোন ভুল করে ফেলেন বা কোন অন্যায় কাজ বা কথা বলেন তৎক্ষণাত উত্তর না দিয়ে অপেক্ষা করা।
১৮. সময় সুযোগ মতো তাকে কুরআন-হাদীসের আলোকে তার ভুলের সংশোধন করে দেয়া, তবে মনে রাখতে হবে বিষয়টি খুবই সেনসিটিভ। তিনি যেন আবার ভুলের উপর ভুল না বুঝেন। এতে হাসব্যন্ডের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
১৯. শাশুড়ীর কথার নেগেটিভ জবাব না দেয়া বা তার মুখে মুখে কথা না বলা।
২০. শাশুড়ী যেন ভুল বুঝে কোনভাবেই বদদু’আ করার সুযোগ না পায় সেদিকে সচেতন থাকা।
২১. সবসময় শাশুড়ীর জন্য আল্লাহর দরবারে জিকির">দু'আ করা।
২২. নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট দিয়ে শাশুড়ীর মনমানসিকতা পরিবর্তন করে ফেলা যেন সে বউ ছাড়া আর কিছুই না বুঝে।
২৩. এটাকে জীবনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়া এবং সবসময় মহান আল্লাহ তা'আলার উপর ভরসা রাখা।
২৪. কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কুরআন-হাদীসের আশ্রয় নেয়া এবং সেজন্য নিয়মিত কুরআনের ব্যাখ্যা, হাদীস গ্রন্থ ও সাহাবীদের জীবনী পড়া।
শাশুড়ীর সাথে সময় কাটানোর জন্য গল্পের আরো কিছু বিষয় যা সাধারণতঃ বয়ষ্করা পছন্দ করেন। যেমন : তার অতীতকাল কেমন কেটেছে? তার বিয়ের আগে কোথায় কোথায় ছিলেন? মুক্তিযুদ্ধের সময় কীভাবে নিজেদেরকে রক্ষা করেছেন? গ্রামের বাড়িতে কে কে আছে? দেশের বাড়ি কে দেখাশোনা করেন? গ্রামের বাড়িতে কী কী ফসল হতো? তার ভূমিকা কী ছিল? বাড়িতে রাখাল কয়জন ছিল? ধানি জমি কেমন ছিল? কীভাবে তার বিয়ে ঠিক হলো? তার বাবা মা, দাদা-দাদী, নানা-নানী কেমন ছিলেন? দেশে আত্মীয়-স্বজন কে কে আছেন? তখন নদীতে মাছ কেমন হতো? তখন কী কী পিঠা বানানো হতো? ইত্যাদি ইত্যাদি।
আলোচনার বিষয়গুলো এমন দিকে ধরে রাখা যে তা যেন কোনভাবেই কারো বিরুদ্ধে গীবত বা সমালোচনার দিকে না যায়, কারো ক্ষতি না হয়। উদ্দেশ্য আলোচনা করে সময় কাটানো, তাকে সংগ দেয়া। আমরা যদি ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে দেখি তাহলে সবসময় মনে করা উচিত যে আল্লাহ তা'আলা আমাকে আরো আট-দশজন থেকে অনেক ভাল রেখেছেন, সঠিক দ্বীন ইসলামের বুঝ দিয়েছেন, ইসলামী পরিবেশ দিয়েছেন, তার জন্য সবসময় মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে শোকরিয়া আদায় করা উচিত। মুমিন মুমিনের আয়নাস্বরূপ, ভুল সংশোধন করে দেয়া একে অপরের ঈমানী দায়িত্ব, কাউকে হেয় বা ছোট করা নয়। আমাকে সবসময় এটা মনে রাখতে হবে যে আমার প্রতিটি কার্যকলাপের জন্য আখিরাতে আমাকেই জবাবদিহি করতে হবে।
২. শাশুড়ীর মাথা আঁচড়িয়ে দেয়া, মাথায় তেল দিয়ে দেয়া।
৩. শাশুড়ী ঠিক মতো ঔষুধ-পত্র ঠিক মতো খাচ্ছেন কিনা তা খেয়াল রাখা।
৪. শাশুড়ীর ব্লাডপ্রেসার বা ডায়েবেটিস মেপে দেয়া বা তাকে মাঝে মধ্যে ডাক্তারের কাছে চেকআপের জন্য নেয়া।
৫. মাঝে মধ্যেই শাশুড়ীর পড়নের কাপড় লন্ড্রি করে দেয়া।
৬. শাশুড়ী যা খেতে পছন্দ করেন তা মাঝে মধ্যে ঘরে রান্না করা।
৭. শাশুড়ীর সাথে বসে গল্প করা বা টিভি দেখা।
৮. শাশুড়ীকে কোন কাজ দিয়ে ব্যস্ত রাখা যে কাজটি তিনি খুব পছন্দ করেন এবং আগ্রহভরে করেন।
৯. শাশুড়ীকে সবসময় সালাম দেয়া (অর্থাৎ তার শান্তি কামনা করা)
১০. বাইরে যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করা যে তার কিছু লাগবে কিনা।
১১. শাশুড়ীর জন্য মাঝে মধ্যেই উপহার নিয়ে আসা যদিও সস্তা দামেরও হয়।
১২. শাশুড়ীকে বেশী বেশী করে কুরআন ও হাদীস থেকে নবী-রসূলদের জীবনী শুনানো, সাহাবাদের জীবনী শুনানো।
১৩. শাশুড়ীকে ইসলামিক ডিভিডি ছেড়ে দেয়া এবং সেখান থেকে শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে মাঝে মধ্যেই আলোচনা করা।
১৪. শাশুড়ীকে বিভিন্ন ইসলামিক প্রোগ্রামে নিয়ে যাওয়া।
১৫. শাশুড়ী যদি অন্য কারো গীবত করতে শুরু করেন তাহলে তা হিকমতের সাথে (অর্থাৎ টেকনিকের সাথে) অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয়া।
১৬. অন্যের কাছে সবসময় শাশুড়ীর প্রশংসা করা যদিও তিনি খারাপ হন।
১৭. শাশুড়ী যদি কোন ভুল করে ফেলেন বা কোন অন্যায় কাজ বা কথা বলেন তৎক্ষণাত উত্তর না দিয়ে অপেক্ষা করা।
১৮. সময় সুযোগ মতো তাকে কুরআন-হাদীসের আলোকে তার ভুলের সংশোধন করে দেয়া, তবে মনে রাখতে হবে বিষয়টি খুবই সেনসিটিভ। তিনি যেন আবার ভুলের উপর ভুল না বুঝেন। এতে হাসব্যন্ডের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
১৯. শাশুড়ীর কথার নেগেটিভ জবাব না দেয়া বা তার মুখে মুখে কথা না বলা।
২০. শাশুড়ী যেন ভুল বুঝে কোনভাবেই বদদু’আ করার সুযোগ না পায় সেদিকে সচেতন থাকা।
২১. সবসময় শাশুড়ীর জন্য আল্লাহর দরবারে জিকির">দু'আ করা।
২২. নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট দিয়ে শাশুড়ীর মনমানসিকতা পরিবর্তন করে ফেলা যেন সে বউ ছাড়া আর কিছুই না বুঝে।
২৩. এটাকে জীবনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়া এবং সবসময় মহান আল্লাহ তা'আলার উপর ভরসা রাখা।
২৪. কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কুরআন-হাদীসের আশ্রয় নেয়া এবং সেজন্য নিয়মিত কুরআনের ব্যাখ্যা, হাদীস গ্রন্থ ও সাহাবীদের জীবনী পড়া।
শাশুড়ীর সাথে সময় কাটানোর জন্য গল্পের আরো কিছু বিষয় যা সাধারণতঃ বয়ষ্করা পছন্দ করেন। যেমন : তার অতীতকাল কেমন কেটেছে? তার বিয়ের আগে কোথায় কোথায় ছিলেন? মুক্তিযুদ্ধের সময় কীভাবে নিজেদেরকে রক্ষা করেছেন? গ্রামের বাড়িতে কে কে আছে? দেশের বাড়ি কে দেখাশোনা করেন? গ্রামের বাড়িতে কী কী ফসল হতো? তার ভূমিকা কী ছিল? বাড়িতে রাখাল কয়জন ছিল? ধানি জমি কেমন ছিল? কীভাবে তার বিয়ে ঠিক হলো? তার বাবা মা, দাদা-দাদী, নানা-নানী কেমন ছিলেন? দেশে আত্মীয়-স্বজন কে কে আছেন? তখন নদীতে মাছ কেমন হতো? তখন কী কী পিঠা বানানো হতো? ইত্যাদি ইত্যাদি।
আলোচনার বিষয়গুলো এমন দিকে ধরে রাখা যে তা যেন কোনভাবেই কারো বিরুদ্ধে গীবত বা সমালোচনার দিকে না যায়, কারো ক্ষতি না হয়। উদ্দেশ্য আলোচনা করে সময় কাটানো, তাকে সংগ দেয়া। আমরা যদি ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে দেখি তাহলে সবসময় মনে করা উচিত যে আল্লাহ তা'আলা আমাকে আরো আট-দশজন থেকে অনেক ভাল রেখেছেন, সঠিক দ্বীন ইসলামের বুঝ দিয়েছেন, ইসলামী পরিবেশ দিয়েছেন, তার জন্য সবসময় মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে শোকরিয়া আদায় করা উচিত। মুমিন মুমিনের আয়নাস্বরূপ, ভুল সংশোধন করে দেয়া একে অপরের ঈমানী দায়িত্ব, কাউকে হেয় বা ছোট করা নয়। আমাকে সবসময় এটা মনে রাখতে হবে যে আমার প্রতিটি কার্যকলাপের জন্য আখিরাতে আমাকেই জবাবদিহি করতে হবে।