১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
পাত্রীর গুণাবলী
অভিভাবক এবং পাত্র উভয়ে মিলে পাত্রী খুঁজতে ব্যস্ত। এখানে ঐখানে সর্বত্রই পাত্রের উপযোগী পাত্রী খুঁজে হয়রান। দেখা সাক্ষাৎ হচ্ছে কিন্তু পছন্দ হচ্ছে না। এ অবস্থায় অনেকেই মন্তব্য করে থাকে এমনিতে পাত্রী তো অনেক কিন্তু বিয়ের সময় যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রী খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন প্রশ্ন হলো কেমন পাত্রী খুঁজে বেড়ান অভিভাবক বা সম্ভাব্য পাত্ররা? আর নারীদের কেমন যোগ্যতা থাকা উত্তম? এ প্রসঙ্গে ইসলামের কোনো বক্তব্য আছে কী? হা ইসলাম যেহেতু মানবজাতির পরিপূর্ণ জীবনবিধান তাই মানবজাতির আদর্শ জীবন ধারায় এ সম্পর্কে দিক নির্দেশনা থাকবে না তাতো হতে পারে না। তাইতো হাদীস বর্ণিত হয়েছে,
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : গোটা দুনিয়াই হলো সম্পদ। আর দুনিয়ার মধ্যে পুণ্যবতী স্ত্রীলোকের চাইতে অধিক উত্তম কোনো সম্পদ নেই। (সুনান ইবনে)
সওবান (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সোনা-রূপা (মূল্যবান সম্পদ) পুঞ্জীভূত করে রাখার সমালোচনায় কুরআনের আয়াত নাযিল হলে সাহাবায় কিরাম বলেন, তাহলে আমরা কোন সম্পদ ধরে রাখবো : উমার (রাদিআল্লাহু আনহু) বলেন আমি তা জেনে তোমাদের বলে দিবো। অতঃপর তিনি তার উটকে দ্রুত হাঁকিয়ে রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাক্ষাৎ পেয়ে গেলেন। আমিও তার পিছনে গেলাম। তিনি বলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমরা কোন সম্পদ সঞ্চয় করবো? নবী (ﷺ) বলেন : তোমাদের প্রত্যেকেই যেন অর্জন করে কৃতজ্ঞ অন্তর, যিকিরকারী জিহ্বা এবং আখিরাতের কাজে তাকে সহায়তাকারী ঈমানদার স্ত্রী। (সুনান ইবনে মাজাহ)
নবী (ﷺ) বলতেন : কোনো মু'মিন ব্যক্তি আল্লাহভীতির পর উত্তম যা লাভ করে তা হলো পুণ্যময় স্ত্রী। স্বামী তাকে কোনো নির্দেশ দিলে সে তা পালন করে; সে তার দিকে তাকালে (তার রূপ-সৌন্দর্য) তাকে আনন্দিত করে এবং সে তাকে শপথ করে কিছু বললে সে তা পূর্ণ করে। আর স্বামীর অনুপস্থিতিতে সে তার সম্রম ও স্বামীর সম্পদের হিফাযত করে। (সুনান ইবনে মাজাহ)
একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে প্রশ্ন করা হলো, কোন মহিলা উত্তম? তিনি বললেন : যে মহিলার প্রতি দৃষ্টিপাত স্বামীকে সন্তুষ্ট করে। সে আদেশ করলে তা সম্পন্ন করে এবং তার বাড়ির ও তার সম্পদের ব্যাপারে যা অপছন্দ করে, সে তার বিরোধিতা করে না। (সুনান নাসাঈ শরীফ)
এই হাদীস অনুসারে সর্বোত্তম নারীর যে কয়টি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় তা হলো :
১. পুণ্যবতী এবং আল্লাহভীতিসম্পন্ন নারী পৃথিবীর সকল সম্পদের চেয়ে উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
২. যে সকল নারী শরীয়াত সম্পন্ন আদেশ নির্দেশ মেনে চলার মতো মনোভাব পোষণ এবং আত্মমর্যাদা তথা নিজের ইজ্জত সম্বম সংরক্ষণে সোচ্চার সে সকল নারী উত্তম।
৩. স্বামীর পছন্দের মূল্যায়ন এবং কোনো কিছুর ব্যাপারে বিরোধিতার কারণে বিরোধিতা করে না, কোনো বিষয় সম্পর্কে ধারণা না থাকলে সে বিষয়ে কথা বলে না সে সকল মহিলাই উত্তম।
৪. যে সকল নারী ঈমানদার এবং আখিরাতকে সামনে রেখে দুনিয়ার জীবনে যখন যা পায় তাতেই শুকরিয়া জ্ঞাপন করে তারা উত্তম।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : গোটা দুনিয়াই হলো সম্পদ। আর দুনিয়ার মধ্যে পুণ্যবতী স্ত্রীলোকের চাইতে অধিক উত্তম কোনো সম্পদ নেই। (সুনান ইবনে)
সওবান (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সোনা-রূপা (মূল্যবান সম্পদ) পুঞ্জীভূত করে রাখার সমালোচনায় কুরআনের আয়াত নাযিল হলে সাহাবায় কিরাম বলেন, তাহলে আমরা কোন সম্পদ ধরে রাখবো : উমার (রাদিআল্লাহু আনহু) বলেন আমি তা জেনে তোমাদের বলে দিবো। অতঃপর তিনি তার উটকে দ্রুত হাঁকিয়ে রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাক্ষাৎ পেয়ে গেলেন। আমিও তার পিছনে গেলাম। তিনি বলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমরা কোন সম্পদ সঞ্চয় করবো? নবী (ﷺ) বলেন : তোমাদের প্রত্যেকেই যেন অর্জন করে কৃতজ্ঞ অন্তর, যিকিরকারী জিহ্বা এবং আখিরাতের কাজে তাকে সহায়তাকারী ঈমানদার স্ত্রী। (সুনান ইবনে মাজাহ)
নবী (ﷺ) বলতেন : কোনো মু'মিন ব্যক্তি আল্লাহভীতির পর উত্তম যা লাভ করে তা হলো পুণ্যময় স্ত্রী। স্বামী তাকে কোনো নির্দেশ দিলে সে তা পালন করে; সে তার দিকে তাকালে (তার রূপ-সৌন্দর্য) তাকে আনন্দিত করে এবং সে তাকে শপথ করে কিছু বললে সে তা পূর্ণ করে। আর স্বামীর অনুপস্থিতিতে সে তার সম্রম ও স্বামীর সম্পদের হিফাযত করে। (সুনান ইবনে মাজাহ)
একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে প্রশ্ন করা হলো, কোন মহিলা উত্তম? তিনি বললেন : যে মহিলার প্রতি দৃষ্টিপাত স্বামীকে সন্তুষ্ট করে। সে আদেশ করলে তা সম্পন্ন করে এবং তার বাড়ির ও তার সম্পদের ব্যাপারে যা অপছন্দ করে, সে তার বিরোধিতা করে না। (সুনান নাসাঈ শরীফ)
এই হাদীস অনুসারে সর্বোত্তম নারীর যে কয়টি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় তা হলো :
১. পুণ্যবতী এবং আল্লাহভীতিসম্পন্ন নারী পৃথিবীর সকল সম্পদের চেয়ে উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
২. যে সকল নারী শরীয়াত সম্পন্ন আদেশ নির্দেশ মেনে চলার মতো মনোভাব পোষণ এবং আত্মমর্যাদা তথা নিজের ইজ্জত সম্বম সংরক্ষণে সোচ্চার সে সকল নারী উত্তম।
৩. স্বামীর পছন্দের মূল্যায়ন এবং কোনো কিছুর ব্যাপারে বিরোধিতার কারণে বিরোধিতা করে না, কোনো বিষয় সম্পর্কে ধারণা না থাকলে সে বিষয়ে কথা বলে না সে সকল মহিলাই উত্তম।
৪. যে সকল নারী ঈমানদার এবং আখিরাতকে সামনে রেখে দুনিয়ার জীবনে যখন যা পায় তাতেই শুকরিয়া জ্ঞাপন করে তারা উত্তম।