১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৬
কোন বিপদে পড়লে কি করবো?
কোন বিপদে পড়লে আমরা বেশীরভাগ সময়েই বিচলিত হয়ে পরি। কী করবো ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। সবসময় মনে রাখতে হবে যে বিপদ দেয়ার মালিক আল্লাহ তা'আলা আবার সেই বিপদ থেকে রক্ষা করার মালিকও মহান আল্লাহ তাআলা। বিপদের মুহূর্তে আমরা নিম্মোক্ত উপায়ে মহান আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য চাইতে পারি। যেমন :
১. গভীর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ সলাত আদায় করে আল্লাহ তাআলার কাছে কান্না-কাটি করা যেতে পারে।
২. যা যা চাওয়ার তা দীর্ঘ সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে চাওয়া যেতে পারে।
৩. পাঁচ ওয়াক্ত সলাত জামাতে আদায় করে প্রতি ওয়াক্তে সমস্যার কথা মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে বলা যেতে পারে।
৪. সলাতের মধ্যে দুই সিজদার মাঝে, রুকুর পরে এবং শেষ বৈঠকে সালাম ফিরানোর আগে আল্লাহ তা'আলার কাছে জিকির">দু’আ করা যেতে পারে।
৫. জুম্মার সলাতে দুই খুতবার মাঝে আল্লাহ তা'আলার কাছে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।
৬. অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ কুরআন বুঝার চেষ্টা করা যেতে পারে।
৭. নফল সিয়াম রাখা যেতে পারে এবং সারাদিন সিয়ামরত অবস্থায় আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।
৮. দান-সদাকার পরিমাণ আরো অনেক গুণে বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। অন্যের হকগুলো ঠিক মতো পুরণ করতে হবে।
৯. বেশী বেশী ইসলামের দাওয়াতী কাজ করা অর্থাৎ পরিচিত-অপরিচিত মুসলিম-অমুসলিম সবাইকে ইসলামের দাওয়াত দেয়া যেতে পারে।
১০. বেশী বেশী মসজিদের সাথে সম্পর্ক রাখা এবং সেখানে অধিক সময় কাটানো।
১১. কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়া। আবার কারো সাথে বিরোধ থাকলে তা মিটিয়ে ফেলা।
১২. নিজের ভুলের জন্য সরাসরি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে অর্থাৎ তাওবা করতে হবে এবং সেই ভুল দ্বিতীয়বার আর না করা।
১৩. আল্লাহ তাআলার সমস্ত ফরয হুকুমগুলো ঠিকমতো নিয়মিত পালন হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল দিতে হবে এবং এই ব্যাপারে সিরিয়াস হতে হবে।
১৪. আল্লাহ তা'আলার দ্বীনকে এই পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থ ও সময় দিয়ে চেষ্টা করতে হবে।
১৫. আমাদের প্রকাশিত ১২ নম্বার বইতে (দু’আ ও নফল ইবাদত) বিপদ আপদ ও দুঃশ্চিন্তার সময়ে আমরা কোন দু’আ পড়ব তা উল্লেখিত আছে। আমরা বিপদ আসার আগেই উক্ত দু’আগুলো নিয়মিত পড়তে পারি।
সচেতনতা :
আমাদের অভ্যাসটা যেন এমন না হয় যে আমরা শুধু বিপদে পড়লেই মহান আল্লাহকে ডাকি। যেমন একটি উদাহরণ দেয়া যাক। আমরা ইনস্যুরেন্স কখন করি? দুর্ঘটনা হওয়ার আগে না পরে? অবশ্যই দুর্ঘটনা হওয়ার পরে নয় এবং ইনস্যুরেন্স কোম্পানীও দুর্ঘটনা হওয়ার পরে ইনস্যুরেন্স দিবে না। ঠিক তেমনি আমাদের জীবনে দুর্ঘটনা বা বিপদ আসার আগে আল্লাহর কাজ করতে হবে, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে, এটিই ইসলামের শিক্ষা।
১. গভীর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ সলাত আদায় করে আল্লাহ তাআলার কাছে কান্না-কাটি করা যেতে পারে।
২. যা যা চাওয়ার তা দীর্ঘ সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে চাওয়া যেতে পারে।
৩. পাঁচ ওয়াক্ত সলাত জামাতে আদায় করে প্রতি ওয়াক্তে সমস্যার কথা মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে বলা যেতে পারে।
৪. সলাতের মধ্যে দুই সিজদার মাঝে, রুকুর পরে এবং শেষ বৈঠকে সালাম ফিরানোর আগে আল্লাহ তা'আলার কাছে জিকির">দু’আ করা যেতে পারে।
৫. জুম্মার সলাতে দুই খুতবার মাঝে আল্লাহ তা'আলার কাছে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।
৬. অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ কুরআন বুঝার চেষ্টা করা যেতে পারে।
৭. নফল সিয়াম রাখা যেতে পারে এবং সারাদিন সিয়ামরত অবস্থায় আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।
৮. দান-সদাকার পরিমাণ আরো অনেক গুণে বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। অন্যের হকগুলো ঠিক মতো পুরণ করতে হবে।
৯. বেশী বেশী ইসলামের দাওয়াতী কাজ করা অর্থাৎ পরিচিত-অপরিচিত মুসলিম-অমুসলিম সবাইকে ইসলামের দাওয়াত দেয়া যেতে পারে।
১০. বেশী বেশী মসজিদের সাথে সম্পর্ক রাখা এবং সেখানে অধিক সময় কাটানো।
১১. কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়া। আবার কারো সাথে বিরোধ থাকলে তা মিটিয়ে ফেলা।
১২. নিজের ভুলের জন্য সরাসরি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে অর্থাৎ তাওবা করতে হবে এবং সেই ভুল দ্বিতীয়বার আর না করা।
১৩. আল্লাহ তাআলার সমস্ত ফরয হুকুমগুলো ঠিকমতো নিয়মিত পালন হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল দিতে হবে এবং এই ব্যাপারে সিরিয়াস হতে হবে।
১৪. আল্লাহ তা'আলার দ্বীনকে এই পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থ ও সময় দিয়ে চেষ্টা করতে হবে।
১৫. আমাদের প্রকাশিত ১২ নম্বার বইতে (দু’আ ও নফল ইবাদত) বিপদ আপদ ও দুঃশ্চিন্তার সময়ে আমরা কোন দু’আ পড়ব তা উল্লেখিত আছে। আমরা বিপদ আসার আগেই উক্ত দু’আগুলো নিয়মিত পড়তে পারি।
সচেতনতা :
আমাদের অভ্যাসটা যেন এমন না হয় যে আমরা শুধু বিপদে পড়লেই মহান আল্লাহকে ডাকি। যেমন একটি উদাহরণ দেয়া যাক। আমরা ইনস্যুরেন্স কখন করি? দুর্ঘটনা হওয়ার আগে না পরে? অবশ্যই দুর্ঘটনা হওয়ার পরে নয় এবং ইনস্যুরেন্স কোম্পানীও দুর্ঘটনা হওয়ার পরে ইনস্যুরেন্স দিবে না। ঠিক তেমনি আমাদের জীবনে দুর্ঘটনা বা বিপদ আসার আগে আল্লাহর কাজ করতে হবে, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে, এটিই ইসলামের শিক্ষা।