১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৮
নিজ দেশের জন্য কী করছি?
যারা প্রবাসে বসবাস করে তাদেরও নিজ দেশের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। নিজ দেশে ইসলামের দাওয়াতী কাজ ও ইসলাম প্রতিষ্ঠা হচ্ছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখা উচিত। নিজ দেশেও ইসলাম প্রচারের কাজে অর্থ ব্যয় করা উচিত। সকলকে সঠিক ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তাই বিদেশে বসেই এই কাজ করা যেতে পারে। বিদেশে থাকি, অনেক দূরে থাকি, দেশের ব্যাপার আমার না। এই ধরনের মানসিকতা ঠিক নয়। আমাদের দেশের গরিব-অসহায় মানুষের প্রতিও আমাদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। আমরা বিদেশে বসে যা আয় করছি তার কতটুকু অংশ গরিব-অসহায়দের জন্য ব্যয় হচ্ছে? না কি শুধু ব্যাংক ব্যালেন্সই বাড়ছে? এই বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে।
আমাদের ব্যস্ততা সম্পর্কে আল্লাহ কী বলেন?
১. আল্লাহ তা'আলা বলেন, হে আদম সন্তান, আমার দ্বীনের কাজের জন্য তুমি (দুনিয়ার) ব্যস্ততা কমাও, আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দরিদ্রতা ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর, তবে তোমার হাত (আমি) ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব দূর করব না। (তিরমিযী, মুসনাদ আহমদ, ইবনে মাজাহ)
২. যে ব্যক্তি দুনিয়াকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে আল্লাহ তার (ভালো-মন্দের) দায়িত্ব থেকে পৃথক থাকেন। তিনি (আল্লাহ) তার (ঐ ব্যক্তির) চোখের সামনে দরিদ্রতাকে তুলে ধরেন আর প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ যা তাকদিরে লিখে রেখেছেন তা ব্যতীত ঐ ব্যক্তির জন্য আর কিছুই আসবে। আর যে ব্যক্তি পরকালকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে, আল্লাহ ঐ ব্যক্তির (ভাল-মন্দের) দায়িত্ব নিজেই গ্রহণ করেন, তাকে অন্তরে সমৃদ্ধি দান করেন, আর পৃথিবী তার কাছে ছুটে আসে আকুল হয়ে। (ইবনে মাজাহ ও ইবনে হিব্বান)
৩. আব্দুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) -কে বলতে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি পরকালকে তার জীবনের পরম ঠিকানা বানিয়ে নিয়েছে আল্লাহ তার যাবতীয় অভাব-অনটনের দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন আর যে ব্যক্তির আগ্রহ-আরাধনা হয়েছে পার্থিব বিষয়াদি তবে আল্লাহ তার বিষয়ে কোনো জামিনদার নন। (ইবনে মাজাহ)
আমাদের ব্যস্ততা সম্পর্কে আল্লাহ কী বলেন?
১. আল্লাহ তা'আলা বলেন, হে আদম সন্তান, আমার দ্বীনের কাজের জন্য তুমি (দুনিয়ার) ব্যস্ততা কমাও, আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দরিদ্রতা ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর, তবে তোমার হাত (আমি) ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব দূর করব না। (তিরমিযী, মুসনাদ আহমদ, ইবনে মাজাহ)
২. যে ব্যক্তি দুনিয়াকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে আল্লাহ তার (ভালো-মন্দের) দায়িত্ব থেকে পৃথক থাকেন। তিনি (আল্লাহ) তার (ঐ ব্যক্তির) চোখের সামনে দরিদ্রতাকে তুলে ধরেন আর প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ যা তাকদিরে লিখে রেখেছেন তা ব্যতীত ঐ ব্যক্তির জন্য আর কিছুই আসবে। আর যে ব্যক্তি পরকালকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে, আল্লাহ ঐ ব্যক্তির (ভাল-মন্দের) দায়িত্ব নিজেই গ্রহণ করেন, তাকে অন্তরে সমৃদ্ধি দান করেন, আর পৃথিবী তার কাছে ছুটে আসে আকুল হয়ে। (ইবনে মাজাহ ও ইবনে হিব্বান)
৩. আব্দুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) -কে বলতে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি পরকালকে তার জীবনের পরম ঠিকানা বানিয়ে নিয়েছে আল্লাহ তার যাবতীয় অভাব-অনটনের দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন আর যে ব্যক্তির আগ্রহ-আরাধনা হয়েছে পার্থিব বিষয়াদি তবে আল্লাহ তার বিষয়ে কোনো জামিনদার নন। (ইবনে মাজাহ)