hadith book logo

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭৯

কোন মুসলিমকে অন্যায়ভাবে গালি-গালাজ করা নিষেধ

আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “যারা বিনা অপরাধে বিশ্বাসী পুরুষ ও নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা অবশ্যই মিথ্যা অপবাদ এবং স্পষ্ট অপরাধের বোঝা বহন করে।” (সূরা আহযাব : ৫৮)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসিকী (আল্লাহর অবাধ্যাচরণ) এবং তার সাথে লড়াই ঝগড়া করা কুফরী। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন কোন মানুষ অন্য মানুষের প্রতি’ফাসিক’ অথবা’কাফির’ বলে অপবাদ দেয়, তখনই তা তার উপরেই বর্তায়; যদি তার প্রতিপক্ষ তা না হয়। (সহীহ বুখারী)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আপোসে গালাগালিতেরত দু'জন ব্যক্তি যে সব কুবাক্য উচ্চারণ করে, সে সব তাদের মধ্যে সূচনাকারীর উপরে বর্তায়; যতক্ষণ না অত্যাচারিত ব্যক্তি (প্রতিশোধ গ্রহণে) সীমা অতিক্রম করে। (সহীহ মুসলিম)

অপ্রয়োজনে মুসলিমদের প্রতি কুধারণা করা নিষেধ

মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, “হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা বহুবিধ ধারণা হতে দূরে থাক; কারণ কোন কোন ধারণা পাপ।” (সূরা হুজুরাত : ১২)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা কুধারণা থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখ। কারণ কুধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

তিনদিনের অধিক এক মুসলিমের অন্য মুসলিমের সাথে কথা-বার্তা বন্ধ রাখা হারাম। তবে যদি বিদআতী, প্রকাশ্য মহাপাপী ইত্যাদি হয়, তাহলে তার সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করার কথা ভিন্ন

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা পরস্পর সম্পর্কছেদ করো না, একে অপরের বিরুদ্ধে শত্রুভাবাপন্ন হয়ো না, পরস্পরের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পর হিংসা করো না। তোমরা আল্লাহর বান্দা, ভাই ভাই হয়ে যাও। কোন মুসলিমের জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী কথাবার্তা বলা বন্ধ রাখবে। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

যে ব্যক্তি কোন বিদ’আতীকে সাহায্য করে, আল্লাহ তাকে লানত করেন। (সহীহ মুসলিম)

বিদ’আতীর সলাত, সিয়াম, হাজ্জ প্রভৃতি ফরয কিংবা নফল কোনো ইবাদতই যায় যেভাবে মাখানো আটা থেকে এক গুচ্ছ চুল বের হয়। (ইবনে মাজাহ)