১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৯
লজ্জাশীলতা ও শালীনতা
সচ্চরিত্র গঠনে লজ্জাশীলতা ও শালীনতাবোধ অত্যন্ত জরুরী। লজ্জাহীন ব্যক্তি পশুর সমতুল্য। সে যে কোন অসৎ কাজ করতে পারে, আর এজন্যই বলা হয়, যার লজ্জা-শরম নেই তার ঈমানও নেই। কারণ লজ্জা ও শালীনতাবোধ মানুষকে সকল প্রকার অশ্লীলতা ও অসৎকর্ম থেকে বাঁচার উত্তম হাতিয়ার।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটি শাখা। (সহীহ বুখারী)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : লজ্জা ও ঈমান সবর্দা পরস্পর সাথী হয়ে থাকে। যখন এর একটি বিলুপ্ত হয়, অপরটিও উঠিয়ে নেয়া হয়। (বায়হাকী)
অন্যত্র রসূল (ﷺ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা নিজেও এ গুণে গুণান্বিত। তোমাদের প্রতিপালক লজ্জাশীল, পরম দয়ালু। বান্দা যখন তাঁর দরবারে মুনাজাতে উভয় হাত উত্তোলন করে তখন তিনি তা খালি ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (তিরমিযী)
মূলতঃ লজ্জাবোধ মানবজাতির একটি অন্যতম গুণ। এ প্রসংগে নবী কারীম (ﷺ) বলেন : লজ্জা এমন একটি গুণ যার ফলে সর্বদা কল্যাণ লাভ করা যায়।
নবী কারীম (ﷺ) বলেন : লজ্জাশীলতা কেবল কল্যাণ ও মঙ্গলই বয়ে আনে। (সহীহ বুখারী)
লজ্জাহীন লোক ভাল-মন্দ সকল কাজ করতে পারে, কোন কিছুই তাকে মন্দকাজ থেকে নিবৃত্ত রাখতে পারে না। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : লজ্জা-শরম না থাকলে তুমি যা ইচ্ছা করতে পারবে। (সহীহ বুখারী)
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে পুরুষ কি নারী সবার জন্যই লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা শ্রেষ্ঠ আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। আল্লাহ মানুষের লজ্জাস্থানের হিফাযত করার বিশেষ তাকীদ রয়েছে। লজ্জাস্থানের উপর কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখাই শুধু লজ্জাস্থানের হিফাযত নয়। বরং অবৈধভাবে লজ্জাস্থানের ব্যবহার না করাই লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করার মর্ম। এ বিষয়ে কুরআনে বলা হয়েছে।
“হে রসূল! মুমিনদের বলুন, তাঁরা যেন তাঁদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাঁদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। এটা তাঁদের জন্য উত্তম।” (সূরা আন নূর : ৩০)
“আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তাঁরা যেন তাঁদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে ও তাঁদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে, তাঁরা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশ থাকে তা ছাড়া তাঁদের আভরণ প্রদর্শন না করে, তাঁদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় ওড়না ও চাদর দ্বারা আবৃত করে।” (সূরা আন নূর : ৩১)
প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে কোন অবস্থাতেই অশ্লীল আচরণ ও ক্রিয়াকাণ্ড যা লজ্জাস্থানের পবিত্রতা নষ্ট করে তার কাছেও যাওয়া যাবে না।
“আর প্রকাশ্যে হোক কিংবা গোপনে হোক, বেহায়াপনা ও অশ্লীল আচরণের নিকটও যাবে না।” (সূরা আনআম : ১৫১)
উক্ত আয়াতে’অশ্লীল আচরণের নিকটও যাবে না বলে এদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, যে সব কাজ ও কাজের উৎস অশ্লীলতা ও পাপাচারের সাথে সম্পৃক্ত বা সেদিকে নিয়ে যায় তাও পরিত্যাগ করতে হবে। এর মধ্যে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, অভিসার, অশ্লীল গান-বাদ্য, বিনোদন, ম্যাগাজিন, হিন্দি নাচ গান, সিনেমা ইত্যাদিও এর মধ্যে শামিল।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটি শাখা। (সহীহ বুখারী)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : লজ্জা ও ঈমান সবর্দা পরস্পর সাথী হয়ে থাকে। যখন এর একটি বিলুপ্ত হয়, অপরটিও উঠিয়ে নেয়া হয়। (বায়হাকী)
অন্যত্র রসূল (ﷺ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা নিজেও এ গুণে গুণান্বিত। তোমাদের প্রতিপালক লজ্জাশীল, পরম দয়ালু। বান্দা যখন তাঁর দরবারে মুনাজাতে উভয় হাত উত্তোলন করে তখন তিনি তা খালি ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (তিরমিযী)
মূলতঃ লজ্জাবোধ মানবজাতির একটি অন্যতম গুণ। এ প্রসংগে নবী কারীম (ﷺ) বলেন : লজ্জা এমন একটি গুণ যার ফলে সর্বদা কল্যাণ লাভ করা যায়।
নবী কারীম (ﷺ) বলেন : লজ্জাশীলতা কেবল কল্যাণ ও মঙ্গলই বয়ে আনে। (সহীহ বুখারী)
লজ্জাহীন লোক ভাল-মন্দ সকল কাজ করতে পারে, কোন কিছুই তাকে মন্দকাজ থেকে নিবৃত্ত রাখতে পারে না। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : লজ্জা-শরম না থাকলে তুমি যা ইচ্ছা করতে পারবে। (সহীহ বুখারী)
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে পুরুষ কি নারী সবার জন্যই লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা শ্রেষ্ঠ আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। আল্লাহ মানুষের লজ্জাস্থানের হিফাযত করার বিশেষ তাকীদ রয়েছে। লজ্জাস্থানের উপর কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখাই শুধু লজ্জাস্থানের হিফাযত নয়। বরং অবৈধভাবে লজ্জাস্থানের ব্যবহার না করাই লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করার মর্ম। এ বিষয়ে কুরআনে বলা হয়েছে।
“হে রসূল! মুমিনদের বলুন, তাঁরা যেন তাঁদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাঁদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। এটা তাঁদের জন্য উত্তম।” (সূরা আন নূর : ৩০)
“আর মুমিন নারীদেরকে বলুন, তাঁরা যেন তাঁদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে ও তাঁদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে, তাঁরা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশ থাকে তা ছাড়া তাঁদের আভরণ প্রদর্শন না করে, তাঁদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় ওড়না ও চাদর দ্বারা আবৃত করে।” (সূরা আন নূর : ৩১)
প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে কোন অবস্থাতেই অশ্লীল আচরণ ও ক্রিয়াকাণ্ড যা লজ্জাস্থানের পবিত্রতা নষ্ট করে তার কাছেও যাওয়া যাবে না।
“আর প্রকাশ্যে হোক কিংবা গোপনে হোক, বেহায়াপনা ও অশ্লীল আচরণের নিকটও যাবে না।” (সূরা আনআম : ১৫১)
উক্ত আয়াতে’অশ্লীল আচরণের নিকটও যাবে না বলে এদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, যে সব কাজ ও কাজের উৎস অশ্লীলতা ও পাপাচারের সাথে সম্পৃক্ত বা সেদিকে নিয়ে যায় তাও পরিত্যাগ করতে হবে। এর মধ্যে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, অভিসার, অশ্লীল গান-বাদ্য, বিনোদন, ম্যাগাজিন, হিন্দি নাচ গান, সিনেমা ইত্যাদিও এর মধ্যে শামিল।