১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬৮
স্বামীকে হেয়-প্রতিপন্ন করা
আসুন একজন স্বামী এবং পিতার কষ্টের কথা শুনি। স্বামী, স্ত্রী এবং টিনএইজ মেয়ে নিয়ে তিনজনের পরিবার। স্বামী একটি সাধারণ চাকুরী করেন এবং হালাল উপায়ে সংসার চালান। স্বামী অফিস থেকে বাসায় ফিরলেই স্ত্রী তার মেয়ের সামনে স্বামীকে নানা ভাষায় কটাক্ষ করেন। স্বামী কোন উত্তর দেন না এবং মুখ বুজে সহ্য করেন। যেমন, একদিন মেয়ে মাকে একটি ড্রেসের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে বলছে কী সুন্দর! মা প্রতি উত্তরে বলে উঠছে যে, তোর বাবার কি মরদ আছে এই সকল ড্রেস কিনে দেবার? তোর বাবা তো অথর্ব! অকর্মন্যা। তোর বাবা জীবনে কী করতে পেরেছে? বাবা চুপ করে থাকেন, নীরবে কষ্ট পান, নিজ মেয়ের সামনে ইনসাল্ট ফিল করেন। এভাবে নিজ মেয়ের সামনে সবসময় স্ত্রী তার স্বামীকে নানাভাবে অপদস্ত এবং আজেবাজে কথা বলতে বলতে এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে, মেয়েও এখন থেকে তার বাবাকে আর সম্মান করে না, তার মার মতো বাবাকেও সে আজেবাজে ভাষায় কথা বলে। বাবার কোন কথাতো শুনেই না বরং উঠতে বসতে বাবাকে নানারকম কটুক্তি করে।
ঘটনা থেকে শিক্ষা :
হয়তো এরকম ঘটনা অনেক পরিবারেই হয়ে থাকে আর স্বামীরা নিরবে কাঁদেন। কিন্তু কিসের অভাবে আজ এই কষ্ট? স্বামীরা কেন স্ত্রীদের কথার মাধ্যমে কষ্ট দেন বা স্ত্রীরা কেন স্বামীদেরকে কথার মাধ্যমে কষ্ট দেন? কেন একে অপরকে কটাক্ষ করেন? কেন সন্তান পিতা-মাতাকে ইনসাল্ট করে? এই বিষয়ে দুজনকেই শুরু থেকে সাবধান হওয়া উচিত। সন্তানেরা পিতা-মাতাদের থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে, তারা ছোট থেকেই ঘরে যা দেখে তাই শিখে। তাই বাবা-মার আচরণ তাদের মনে প্রভাব ফেলে। স্বামী স্ত্রীকে বা স্ত্রী স্বামীকে যদি হেয় প্রতিপন্ন করেন, সারাক্ষণ নানাভাবে কটাক্ষ করেন তাহলে নিজ ঘরে তো অশান্তি ছাড়া আর কিছু থাকার কথা নয়। এতে লাভ কার হচ্ছে? দু’জনই তো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন!
এই বইয়ের বিভিন্ন চ্যাপ্টারে নানাভাবে আলোচনা করা হয়েছে যে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, একজন আরেকজনের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, একজন আরেক জনের প্রতি কীভাবে ভালোবাসা বাড়ানো উচিত ইত্যাদি। তবে দুজনেরই ধৈর্য এবং সহনশীলতা আরো বাড়ালে অনেক বিষয়েই অতীসহজে সমাধান এসে যায়। আমরা যদি একে অপরে কিছু বেসিক নিয়ম মেনে চলি এবং কোন বিষয়েই বাড়াবাড়ি না করি তাহলেই সংসারে শান্তি বিরাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।
ঘটনা থেকে শিক্ষা :
হয়তো এরকম ঘটনা অনেক পরিবারেই হয়ে থাকে আর স্বামীরা নিরবে কাঁদেন। কিন্তু কিসের অভাবে আজ এই কষ্ট? স্বামীরা কেন স্ত্রীদের কথার মাধ্যমে কষ্ট দেন বা স্ত্রীরা কেন স্বামীদেরকে কথার মাধ্যমে কষ্ট দেন? কেন একে অপরকে কটাক্ষ করেন? কেন সন্তান পিতা-মাতাকে ইনসাল্ট করে? এই বিষয়ে দুজনকেই শুরু থেকে সাবধান হওয়া উচিত। সন্তানেরা পিতা-মাতাদের থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে, তারা ছোট থেকেই ঘরে যা দেখে তাই শিখে। তাই বাবা-মার আচরণ তাদের মনে প্রভাব ফেলে। স্বামী স্ত্রীকে বা স্ত্রী স্বামীকে যদি হেয় প্রতিপন্ন করেন, সারাক্ষণ নানাভাবে কটাক্ষ করেন তাহলে নিজ ঘরে তো অশান্তি ছাড়া আর কিছু থাকার কথা নয়। এতে লাভ কার হচ্ছে? দু’জনই তো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন!
এই বইয়ের বিভিন্ন চ্যাপ্টারে নানাভাবে আলোচনা করা হয়েছে যে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, একজন আরেকজনের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, একজন আরেক জনের প্রতি কীভাবে ভালোবাসা বাড়ানো উচিত ইত্যাদি। তবে দুজনেরই ধৈর্য এবং সহনশীলতা আরো বাড়ালে অনেক বিষয়েই অতীসহজে সমাধান এসে যায়। আমরা যদি একে অপরে কিছু বেসিক নিয়ম মেনে চলি এবং কোন বিষয়েই বাড়াবাড়ি না করি তাহলেই সংসারে শান্তি বিরাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।