১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
স্বামী-স্ত্রীর জন্য কিছু টিপস
১. ঘরে ঢুকেই স্বামী বা স্ত্রী একে অপরকে অন্তর থেকে সালাম দেই। সালাম হচ্ছে জিকির">দু'আ, একে অপরের জন্য সত্যিকার অর্থে শান্তি কামনা করা।
২. স্বামী বা স্ত্রী যখনই বাহির থেকে ঘরে ফিরে আসেন, তখন একে অপরের কর্তব্য হচ্ছে হাসিমুখে তাকে অভ্যর্থনা করা।
৩. স্বামী-স্ত্রী উভয়েই যে কোন বিষয়ে জিদ করা বা ক্রোধ থেকে বিরত থাকতে হবে। জিদ বা ক্রোধ এসে গেলে আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে এবং মনে। করতে হবে ইবলিস শয়তান পেছন থেকে এই কাজ করাচ্ছে, তাই তাকে কোন ক্রমেই কৃতকার্য হতে দেয়া যাবে না।
৪. স্বামী-স্ত্রীতে একটু-আধটু ঝগড়া-ঝাটি হতেই পারে সেজন্য চিৎকার চেঁচামেচি করা উচিত নয়, জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারা ঠিক নয় এবং ভাঙ্গচুর করা ঠিক নয়।
৫. কোনো ব্যাপারে উভয়ের মর্জি ও মন-মেজাজের বিপরীত ঘটলেই আগুনের মতো জ্বলে উঠা যাবে না।
৬. ছোট-খাটো বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক এবং গন্ডগোল না করে হাসিমুখে এড়িয়ে যেতে হবে। কখনো একে অপরকে ছোট করে দেখা যাবে না।
৭. একজন রেগে গেল অন্যজন ঐ মুহূর্তে অবশ্যই রাগা যাবে না এবং চুপ থাকতে হবে। একজন আরেকজনকে কখনো কোন বিষয়ে খোটা দেয়া যাবে না।
৮. মনকে সারাক্ষণ তিও-বিরক্ত করে রাখা যাবে না। কুরআন পড়া, নফল সলাত আদায় করা, ইসলামী বই পড়া, ডিভিডি দেখা ইত্যাদিতে ইন্শাল্লাহ মন ভাল হয়ে যাবে।
৯. অপরিহার্য কোনো ব্যাপার ঘটলে স্ত্রীর কর্তব্য অপরিসীম ধৈর্য সহকারে স্বামীকে বোঝানো অথবা স্বামীর উচিত স্ত্রীকে বোঝানো।
১০. ঐ মুহুর্তে যদি বোঝানোর মতো পরিবেশ না থাকে তাহলে চুপ থাকতে হবে এবং উপযুক্ত সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
১১. স্বামীকে অসন্তুষ্ট বা ক্রুদ্ধ দেখতে পেলে যথাসম্ভব শান্ত ও নরম হয়ে যাওয়া স্ত্রীর কর্তব্য, কারণ মহান আল্লাহ স্ত্রীদেরকে কিছু স্পেশাল ক্ষমতা দিয়েছেন। এবং সময় সুযোগ মতো কোন একদিন বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে হবে।
১২. স্ত্রীর বাড়াবাড়ি ও ক্রুদ্ধ মেজাজ দেখতে পেলে স্বামীর খুব সতর্কতার সাথেই কাজ করা ও কথা বলা উচিত। এ অবস্থায় স্বামীরও বাড়াবাড়ি করা কিংবা নিজের সম-মর্যাদার অভিমানে হঠাৎ করে ফেটে পড়া কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। স্ত্রীকে তুচ্ছ জ্ঞান করা উচিত নয়।
১৩. মানুষ মাত্রই ভুল করে। তাই সারাক্ষণ একে অপরের ভুল ধরে বেড়ানো যাবে না।
১৪. একজন আরেকজনকে কখনোই ঘৃণা করা যাবে না। আর কখনোই যেন দু’জনের মধ্যে communication gap অর্থাৎ বোঝার ভুল না হয়।
১৫. একজন আরেকজনকে সম্মান করতে হবে। একে অপরকে মাঝে মধ্যেই বলা উচিত I love you, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।
২. স্বামী বা স্ত্রী যখনই বাহির থেকে ঘরে ফিরে আসেন, তখন একে অপরের কর্তব্য হচ্ছে হাসিমুখে তাকে অভ্যর্থনা করা।
৩. স্বামী-স্ত্রী উভয়েই যে কোন বিষয়ে জিদ করা বা ক্রোধ থেকে বিরত থাকতে হবে। জিদ বা ক্রোধ এসে গেলে আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে এবং মনে। করতে হবে ইবলিস শয়তান পেছন থেকে এই কাজ করাচ্ছে, তাই তাকে কোন ক্রমেই কৃতকার্য হতে দেয়া যাবে না।
৪. স্বামী-স্ত্রীতে একটু-আধটু ঝগড়া-ঝাটি হতেই পারে সেজন্য চিৎকার চেঁচামেচি করা উচিত নয়, জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারা ঠিক নয় এবং ভাঙ্গচুর করা ঠিক নয়।
৫. কোনো ব্যাপারে উভয়ের মর্জি ও মন-মেজাজের বিপরীত ঘটলেই আগুনের মতো জ্বলে উঠা যাবে না।
৬. ছোট-খাটো বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক এবং গন্ডগোল না করে হাসিমুখে এড়িয়ে যেতে হবে। কখনো একে অপরকে ছোট করে দেখা যাবে না।
৭. একজন রেগে গেল অন্যজন ঐ মুহূর্তে অবশ্যই রাগা যাবে না এবং চুপ থাকতে হবে। একজন আরেকজনকে কখনো কোন বিষয়ে খোটা দেয়া যাবে না।
৮. মনকে সারাক্ষণ তিও-বিরক্ত করে রাখা যাবে না। কুরআন পড়া, নফল সলাত আদায় করা, ইসলামী বই পড়া, ডিভিডি দেখা ইত্যাদিতে ইন্শাল্লাহ মন ভাল হয়ে যাবে।
৯. অপরিহার্য কোনো ব্যাপার ঘটলে স্ত্রীর কর্তব্য অপরিসীম ধৈর্য সহকারে স্বামীকে বোঝানো অথবা স্বামীর উচিত স্ত্রীকে বোঝানো।
১০. ঐ মুহুর্তে যদি বোঝানোর মতো পরিবেশ না থাকে তাহলে চুপ থাকতে হবে এবং উপযুক্ত সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
১১. স্বামীকে অসন্তুষ্ট বা ক্রুদ্ধ দেখতে পেলে যথাসম্ভব শান্ত ও নরম হয়ে যাওয়া স্ত্রীর কর্তব্য, কারণ মহান আল্লাহ স্ত্রীদেরকে কিছু স্পেশাল ক্ষমতা দিয়েছেন। এবং সময় সুযোগ মতো কোন একদিন বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে হবে।
১২. স্ত্রীর বাড়াবাড়ি ও ক্রুদ্ধ মেজাজ দেখতে পেলে স্বামীর খুব সতর্কতার সাথেই কাজ করা ও কথা বলা উচিত। এ অবস্থায় স্বামীরও বাড়াবাড়ি করা কিংবা নিজের সম-মর্যাদার অভিমানে হঠাৎ করে ফেটে পড়া কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। স্ত্রীকে তুচ্ছ জ্ঞান করা উচিত নয়।
১৩. মানুষ মাত্রই ভুল করে। তাই সারাক্ষণ একে অপরের ভুল ধরে বেড়ানো যাবে না।
১৪. একজন আরেকজনকে কখনোই ঘৃণা করা যাবে না। আর কখনোই যেন দু’জনের মধ্যে communication gap অর্থাৎ বোঝার ভুল না হয়।
১৫. একজন আরেকজনকে সম্মান করতে হবে। একে অপরকে মাঝে মধ্যেই বলা উচিত I love you, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।