১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠনের অন্যতম শর্ত হচ্ছে আত্মসমালোচনা বা নিজের সমালোচনা
ইসলামী জীবনের মৌলিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যক্তির নিজের পরিবর্তন। নিজেকে পরিবর্তন না করে অন্যকে উপদেশ দেয়ার অভ্যাস এমন একটি কর্ম যা দেখে আল্লাহ রাগান্বিত হন। যেমন আল্লাহ বলেন :
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা তোমরা নিজেরা করো না? আল্লাহর নিকট এটা ঘুণা উদ্রেককারী যে তোমরা বল এমন কথা যা তোমরা কর না।” (সূরা সফঃ ২-৩)
দেখা যায় যে কর্তা ব্যক্তিরা পরিবারের উপর আরোপিত আদেশ নিষেধের অধিকাংশ নিজেই মানেন না। ভাসা-ভাসা জ্ঞান আর লোক মুখে শোনা কিছু নীতিবাক্যকেই আদেশ নিষেধের বলয়ে নিয়ে তা পরিবারের উপর চাপিয়ে দেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি হয় অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ অথবা জীবনের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এ বিষয়ে কোন জ্ঞানী ব্যক্তি যদি সুস্পষ্ট দলীলের ভিত্তিতে ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসেন, তখনো সেই ব্যক্তি তার নিজের অতি সীমিত ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে আংশিক জ্ঞানকে বলিষ্ঠ মনে করে প্রতিপক্ষের আন্ত রিক সংশোধনী প্রচেষ্টাকে খাটো করে দেন।
সুতরাং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাকে নিজে আগে জ্ঞানার্জন করতে হবে। যদি আমি জীবন সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গীর অনুসারী হয়ে থাকি তাহলে তা ইসলামের আলোকে জেনে নিতে হবে। আমার চরিত্রের আপত্তিকর দিকগুলো আবিষ্কার করার চেষ্টা করতে হবে। আত্মসমালোচনা করে সেগুলির সংশোধনের পন্থা বের করতে হবে। কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
“তোমরা মানুষকে ভাল কাজের আদেশ করো কিন্তু নিজের জীবন সংশোধনের ব্যাপারে উদাসীন থাকো অথচ তোমরা কুরআন পড়া। তোমরা কি ভাবো না?” (সূরা বাকারা : ৪৪)
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা তোমরা নিজেরা করো না? আল্লাহর নিকট এটা ঘুণা উদ্রেককারী যে তোমরা বল এমন কথা যা তোমরা কর না।” (সূরা সফঃ ২-৩)
দেখা যায় যে কর্তা ব্যক্তিরা পরিবারের উপর আরোপিত আদেশ নিষেধের অধিকাংশ নিজেই মানেন না। ভাসা-ভাসা জ্ঞান আর লোক মুখে শোনা কিছু নীতিবাক্যকেই আদেশ নিষেধের বলয়ে নিয়ে তা পরিবারের উপর চাপিয়ে দেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি হয় অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ অথবা জীবনের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এ বিষয়ে কোন জ্ঞানী ব্যক্তি যদি সুস্পষ্ট দলীলের ভিত্তিতে ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসেন, তখনো সেই ব্যক্তি তার নিজের অতি সীমিত ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে আংশিক জ্ঞানকে বলিষ্ঠ মনে করে প্রতিপক্ষের আন্ত রিক সংশোধনী প্রচেষ্টাকে খাটো করে দেন।
সুতরাং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাকে নিজে আগে জ্ঞানার্জন করতে হবে। যদি আমি জীবন সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গীর অনুসারী হয়ে থাকি তাহলে তা ইসলামের আলোকে জেনে নিতে হবে। আমার চরিত্রের আপত্তিকর দিকগুলো আবিষ্কার করার চেষ্টা করতে হবে। আত্মসমালোচনা করে সেগুলির সংশোধনের পন্থা বের করতে হবে। কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
“তোমরা মানুষকে ভাল কাজের আদেশ করো কিন্তু নিজের জীবন সংশোধনের ব্যাপারে উদাসীন থাকো অথচ তোমরা কুরআন পড়া। তোমরা কি ভাবো না?” (সূরা বাকারা : ৪৪)