১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
ধর্মপরায়ণা নারী বিয়ে করা
ইসলাম পুরুষদের পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে পাত্রীর যে দিকটি বেশী গুরুত্ব দেয়ার প্রতি তাকিদ দিয়েছে তা হলো পাত্রীদের ধর্মপরায়ণতা। কেননা ইসলাম মনে করে যে সকল পাত্রীরা মহান স্রষ্টা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার দেয়া বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে সে সকল নারীরা স্বামীর প্রতিও হবে কৃতজ্ঞ এবং ধৈর্য-সবরকারী। তারা ইসলামী জীবনবিধান মেনে জীবনধারণ করার চেষ্টা করে ফলে তাদের সংস্পর্শে পরিবার অঙ্গনে শান্তি প্রতিষ্ঠা পায়। এ জন্যেই। রসূল (ﷺ) ধর্মপরায়ণা নারীকে বিয়ে করার প্রতি তাকিদ দিয়েছেন।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : চারটি বিষয় বিবেচনায় রেখে নারীদের বিয়ে করা হয়। তার সম্পদ, তার বংশ মর্যাদা, তার রূপ-সৌন্দর্য এবং তার ধর্মপরায়ণতা। অতএব তুমি ধর্মপরায়ণা নারীর সন্ধান করো। অন্যথায় তোমার দুই হাত ধূলি ধুসরিত হোক। (সুনান ইবনে মাজাহ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা শুধু রূপ-সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নারীদের বিয়ে করো না। এই রূপ-সৌন্দর্য হয়তো তাদের ধবংসের কারণও হতে পারে। তোমরা শুধু সম্পদের মোহেও নারীদেরকে বিয়ে করো না। হয়তো এই সম্পদই তাদের অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার কারণ হতে পারে। অতএব ধর্মপরায়ণতা বিবেচনায় তোমরা তাদের বিয়ে করো। চেপ্টা নাকবিশিষ্ট কুৎসিত দাসীও অধিক উত্তম যদি সে হয় ধর্মপরায়ণ। (সুনান ইবনে মাজাহ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : চারটি বিষয় বিবেচনায় রেখে নারীদের বিয়ে করা হয়। তার সম্পদ, তার বংশ মর্যাদা, তার রূপ-সৌন্দর্য এবং তার ধর্মপরায়ণতা। অতএব তুমি ধর্মপরায়ণা নারীর সন্ধান করো। অন্যথায় তোমার দুই হাত ধূলি ধুসরিত হোক। (সুনান ইবনে মাজাহ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা শুধু রূপ-সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নারীদের বিয়ে করো না। এই রূপ-সৌন্দর্য হয়তো তাদের ধবংসের কারণও হতে পারে। তোমরা শুধু সম্পদের মোহেও নারীদেরকে বিয়ে করো না। হয়তো এই সম্পদই তাদের অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার কারণ হতে পারে। অতএব ধর্মপরায়ণতা বিবেচনায় তোমরা তাদের বিয়ে করো। চেপ্টা নাকবিশিষ্ট কুৎসিত দাসীও অধিক উত্তম যদি সে হয় ধর্মপরায়ণ। (সুনান ইবনে মাজাহ)