১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬৯
আমানত খিয়ানত করার সত্য ঘটনা
এই সত্য ঘটনাটি আমাদের দেশে খুবই কমোন। ছোট ভাই এখনো বিয়ে করেননি, মধ্যপ্রাচ্যে থাকেন, সেখানে অনেক কষ্টের কাজ করেন। কোম্পানী থেকে থাকার জায়গা দিয়েছে কিন্তু খাওয়া নিজের। চাকুরী করেন এবং ওভারটাইম করে যা বেতন পান তার সামান্য কিছু অংশ নিজের খাওয়ার জন্য রেখে প্রতি মাসে বাকি টাকাটা দেশে পাঠিয়ে দেন। প্রতি মাসে এই টাকা পাঠান বড় ভাইয়ের নামে, বড় ভাইয়ের একাউন্টে। বড় বইয়ের সাথে বোঝাপড়া হলো, প্রতিমাসের টাকা থেকে কিছু অংশ পরিবারের জন্য খরচ করবেন আর বাকিটা ব্যাংকে জমা করতে থাকবেন। ইতিমধ্যে ছোটভাই জানতে পারলো যে বড় ভাই তার জমানো টাকা থেকে তার জন্য একটি প্লটও কিনে দিয়েছেন এবং ব্যবসার উদ্দেশ্যে একটি দোকানও কিনে দিয়েছেন এবং বাকী টাকা ব্যাংকে জমা আছে। এভাবে ছোট ভাই প্রতি মাসে বড় ভাইয়ের নামে টাকা পাঠান। দেশেও দীর্ঘদিন যাবত বেড়াতে যান না খরচ হবে বলে। মনে মনে নিয়ত বেশ কিছু টাকা জমলে একেবারে দেশে চলে যাবেন, দেশে ফিরে ভাল একটা ব্যবসা করবেন এবং অতঃপর বিয়ে করে সংসার করবেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ছোট ভাই দশ বছর পর দেশে ফিরলেন। প্রথম এক সপ্তাহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে খুবই আনন্দে কাটলো। এবার বাস্তবাতার সম্মুখীন।
হিসাব-কিতাব নিয়ে বড় ভাইয়ের সাথে বসলেন তার জমানো টাকা, দোকান এবং প্লট বুঝে নিতে। কিন্তু ঘটনা ভিন্ন, ছোট ভাইয়ের মাথায় বাজ পড়লো। এই দশ বছরে যতো টাকা পাঠিয়েছেন তার কিছুই নেই, তার নামে কোন দোকান বা পুট কোনটাই নেই। বড় ভাই সব খেয়ে বসে আছেন! এখন কোন হিসাবই দিতে পারেন না!
শিক্ষা :
এখানে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে সর্বপ্রথম ভুল ছোট ভাইয়ের, সে তার বড় ভাইকে সুযোগ করে দিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী খোজ-খবর নেন নাই, নিজের নামে ব্যাংকে টাকা রাখেন নাই, নিজের নামে দোকান এবং প্লট হলো কিনা, দলিল হলো কিনা তা খোজ খবর নেন নাই, দলিলের কপি কখনো চান নাই, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট কখনো চান নাই। ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে যে কোন লেনদেনে সাক্ষীসহ এগ্রিমেন্ট, দলিল বা যে কোন ডকুমেন্ট করে নিতে হবে, মৌখিকভাবে কোন কিছু করা যাবে না, এটি কুরআনের আদেশ। যদি সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী লিখিত থাকে তাহলে কাউকে অবিশ্বাস করারও প্রশ্ন আসে না। তারপরও চোখ-কান খোলা রেখে সবসময় সজাগ থাকতে হবে, কাউকে সুযোগ দেয়া যাবে না।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ছোট ভাই দশ বছর পর দেশে ফিরলেন। প্রথম এক সপ্তাহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে খুবই আনন্দে কাটলো। এবার বাস্তবাতার সম্মুখীন।
হিসাব-কিতাব নিয়ে বড় ভাইয়ের সাথে বসলেন তার জমানো টাকা, দোকান এবং প্লট বুঝে নিতে। কিন্তু ঘটনা ভিন্ন, ছোট ভাইয়ের মাথায় বাজ পড়লো। এই দশ বছরে যতো টাকা পাঠিয়েছেন তার কিছুই নেই, তার নামে কোন দোকান বা পুট কোনটাই নেই। বড় ভাই সব খেয়ে বসে আছেন! এখন কোন হিসাবই দিতে পারেন না!
শিক্ষা :
এখানে শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে সর্বপ্রথম ভুল ছোট ভাইয়ের, সে তার বড় ভাইকে সুযোগ করে দিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী খোজ-খবর নেন নাই, নিজের নামে ব্যাংকে টাকা রাখেন নাই, নিজের নামে দোকান এবং প্লট হলো কিনা, দলিল হলো কিনা তা খোজ খবর নেন নাই, দলিলের কপি কখনো চান নাই, ব্যাংকের স্টেটমেন্ট কখনো চান নাই। ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে যে কোন লেনদেনে সাক্ষীসহ এগ্রিমেন্ট, দলিল বা যে কোন ডকুমেন্ট করে নিতে হবে, মৌখিকভাবে কোন কিছু করা যাবে না, এটি কুরআনের আদেশ। যদি সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী লিখিত থাকে তাহলে কাউকে অবিশ্বাস করারও প্রশ্ন আসে না। তারপরও চোখ-কান খোলা রেখে সবসময় সজাগ থাকতে হবে, কাউকে সুযোগ দেয়া যাবে না।