১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৫
দু’মুখোপনার নিন্দাবাদ
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, “এরা মানুষকে লজ্জা করে (মানুষের দৃষ্টি থেকে গোপনীয়তা অবলম্বন করে), কিন্তু আল্লাহকে লজ্জা করে না (তাঁর দৃষ্টি থেকে গোপনীয়তা অবলম্বন করতে পারে না) অথচ তিনি তাদের সঙ্গে থাকেন, যখন রাত্রে তারা তাঁর (আল্লাহর) অপছন্দনীয় বন্যা নিয়ে পরামর্শ করে। আর তারা যা করে তা সর্বতোভাবে আল্লাহর জ্ঞানায়ত্তে। (সূরা নিসা : ১০৮)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা মানবমন্ডলীকে বিভিন্ন (পদার্থের) খণির ন্যায় পাবে। জাহিলী (অজ্ঞতার যুগে) যারা উত্তম ছিল, তারা ইসলামে (দীক্ষিত হবার পর ও) উত্তম থাকবে; যখন তারা দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করবে। তোমরা শাসন ক্ষমতা ও কর্তৃত্বভার গ্রহণের ব্যাপারে সে সমস্ত লোককে সর্বাধিক উত্তম পাবে, যারা ঐ সব পদগুলিকে সবচেয়ে বেশী ঘুণা বোধ করবে। আর সর্বাধিক নিকষ্ট পাবে দু'মুখো লোককে, যে এদের নিকট এক মুখ নিয়ে আসে আর ওদের কাছে আর এক মুখ নিয়ে আসে।” (সহীহ বুখারী, ও সহীহ মুসলিম)
মুহাম্মদ ইবনে যায়িদ (রা.) হতে বর্ণিত, কতিপয় লোক তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.)-এর নিকট নিবেদন করল যে, আমরা আমাদের শাসকদের নিকট যাই এবং তাদেরকে ঐ সব কথা বলি, যার বিপরীত বলি তাদের নিকট থেকে বাইরে আসার পর। (সে সম্বন্ধে আপনার অভিমত কী?)' তিনি উত্তর দিলেন, “রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর যামানায় এরূপ আচরণকে আমরা মুনাফিকী আচরণ বলে গণ্য করতাম।” (সহীহ বুখারী)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা মানবমন্ডলীকে বিভিন্ন (পদার্থের) খণির ন্যায় পাবে। জাহিলী (অজ্ঞতার যুগে) যারা উত্তম ছিল, তারা ইসলামে (দীক্ষিত হবার পর ও) উত্তম থাকবে; যখন তারা দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করবে। তোমরা শাসন ক্ষমতা ও কর্তৃত্বভার গ্রহণের ব্যাপারে সে সমস্ত লোককে সর্বাধিক উত্তম পাবে, যারা ঐ সব পদগুলিকে সবচেয়ে বেশী ঘুণা বোধ করবে। আর সর্বাধিক নিকষ্ট পাবে দু'মুখো লোককে, যে এদের নিকট এক মুখ নিয়ে আসে আর ওদের কাছে আর এক মুখ নিয়ে আসে।” (সহীহ বুখারী, ও সহীহ মুসলিম)
মুহাম্মদ ইবনে যায়িদ (রা.) হতে বর্ণিত, কতিপয় লোক তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.)-এর নিকট নিবেদন করল যে, আমরা আমাদের শাসকদের নিকট যাই এবং তাদেরকে ঐ সব কথা বলি, যার বিপরীত বলি তাদের নিকট থেকে বাইরে আসার পর। (সে সম্বন্ধে আপনার অভিমত কী?)' তিনি উত্তর দিলেন, “রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর যামানায় এরূপ আচরণকে আমরা মুনাফিকী আচরণ বলে গণ্য করতাম।” (সহীহ বুখারী)