১
সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন
লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
সুখী পরিবার গঠনে কুরআন বুঝা জরুরী
আল কুরআন আল্লাহর সর্বশেষ আসমানী কিতাব। জীবন পরিচালনার জন্য একটি পরিপূর্ণ গাইডলাইন। এর পরিপূর্ণ ব্যবহারই প্রকৃত সুফলের নিশ্চয়তা বিধান করতে পারে। আংশিক অনুসরণ ইহকালীন লাঞ্ছনা ও পরকালীন আযাবের সংবাদ প্রদান করে। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা মানুষকে আগেই সতর্ক করে দিয়েছেন এই বলে যে :
“তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখ্যান কর? সুতরাং তোমাদের মাঝে যারা এরূপ করে তাদের একমাত্র প্রতিফল (জাযা) পার্থিব জীবনে হীনতা, এবং কিয়ামতের দিনে তারা কঠিনতম শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে। তারা যা করে আল্লাহ সে সম্বন্ধে অনবহিত বেখবর। নহেন।” (সূরা বাকারা : ৮৫)
এধরণের সুস্পষ্ট কঠোর হুশিয়ারী থাকা সত্ত্বেও শুধু অজ্ঞতার কারণে আমরা ক্রমাগত আল্লাহর কিতাবের প্রতি হাস্যকর আচরণ করেই যাচ্ছি। এ কিতাবকে সবীনা খতম আর সূরা ইয়াসীন পাঠ করার জন্য ব্যবহার করে যাচ্ছি। যে কিতাব আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় সফলতায় শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদায় ভূষিত করতে পারত, সেই মহান কিতাবকে আমরা শুধু সামান্য সওয়াব আদায়ের জন্য আর মূতের কুলখানির জন্য ব্যবহার করছি। অথচ এটি বিস্তারিত অর্থসহ পড়ে আমাদের জেনে নেয়া উচিত কিভাবে আমরা একটি সোনালী সমৃদ্ধিশালী জীবন গড়তে পারি যা আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের সুস্পষ্ট সফলতার গ্যারান্টি দিতে পারে। আল্লাহ তাঁর নবীকে বলেছিলেন :
“হে নবী! আপনাকে কষ্ট দেবার জন্যে আমি এই কিতাব নাযিল করিনি।” (সূরা ত্ব-হা : ২)
আসুন আমরা আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত আল কুরআন বুঝে পড়ার চেষ্টা করি, রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সুন্নত বিস্তারিত পড়ে জেনে নিই কিভাবে একটি উন্নত নৈতিকতাসম্পন্ন সুখীসমৃদ্ধ পরিবার ও সমাজ গড়তে পারি। আল্লাহ আমাদের তার দ্বীনকে পরিপূর্ণভাবে জেনে এর পূর্ণ অনুসরণের তৌফিক দিন। ইহকালীন লাঞ্ছনা ও পরকালীন আজাব হতে পরিত্রাণ দিন। যথেষ্ট পরিমাণ অধ্যয়নের পর সওয়াবের উদ্দেশ্যে বা কুরআনের মর্মবাণী হতে উপকারের উদ্দেশ্যে, কুরআনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা এবং এর উপলব্ধি করে যদি তিলাওয়াত করতে চাই তাহলে কোন দোষ নেই।
শুধু তিলাওয়াতের মধ্যে যেন সীমাবদ্ধ না থাকি, অর্থ বোঝার চেষ্টা করি। অসুস্থ হওয়ার পর ডাক্তার যে প্রেসক্রিপশন দেন তা হাজার বার পড়লেও (অর্থাৎ তিলাওয়াত করলেও) কি আমার অসুখ সারবে? মোটেও না। আমাকে ঐ ঔষধগুলি কিনে খেতে হবে, তবেই কেবল আমি রোগমুক্তির আশা করতে পারি। কুরআন হলো জীবনের সকল সমস্যার কার্যকরী প্রেসক্রিপশন। এটা অধ্যয়ন করে, অনুধাবন করে এর শিক্ষা কাজে লাগানোর জন্য কুরআন পাঠানো হয়েছে। আমি যদি অর্থ ছাড়া এটা কেবল রিডিং পড়ে যাই তাহলে এটা কুরআন পাঠানোর মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্যও ব্যর্থ করে দেবে এবং আমিও অজ্ঞদের দলের একজন থেকে যাবো, ক্ষতিগ্রস্ত হবো। তাই আসুন আজই অর্থসহ কুরআনের তাফসীর সংগ্রহ করি এবং প্রতিদিন অন্ততঃ ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা নিয়মিত অধ্যয়ন করি এবং কুরআনের আলোকে জীবনকে গড়ে তোলার চেষ্টা করি।
“তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখ্যান কর? সুতরাং তোমাদের মাঝে যারা এরূপ করে তাদের একমাত্র প্রতিফল (জাযা) পার্থিব জীবনে হীনতা, এবং কিয়ামতের দিনে তারা কঠিনতম শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে। তারা যা করে আল্লাহ সে সম্বন্ধে অনবহিত বেখবর। নহেন।” (সূরা বাকারা : ৮৫)
এধরণের সুস্পষ্ট কঠোর হুশিয়ারী থাকা সত্ত্বেও শুধু অজ্ঞতার কারণে আমরা ক্রমাগত আল্লাহর কিতাবের প্রতি হাস্যকর আচরণ করেই যাচ্ছি। এ কিতাবকে সবীনা খতম আর সূরা ইয়াসীন পাঠ করার জন্য ব্যবহার করে যাচ্ছি। যে কিতাব আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় সফলতায় শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদায় ভূষিত করতে পারত, সেই মহান কিতাবকে আমরা শুধু সামান্য সওয়াব আদায়ের জন্য আর মূতের কুলখানির জন্য ব্যবহার করছি। অথচ এটি বিস্তারিত অর্থসহ পড়ে আমাদের জেনে নেয়া উচিত কিভাবে আমরা একটি সোনালী সমৃদ্ধিশালী জীবন গড়তে পারি যা আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের সুস্পষ্ট সফলতার গ্যারান্টি দিতে পারে। আল্লাহ তাঁর নবীকে বলেছিলেন :
“হে নবী! আপনাকে কষ্ট দেবার জন্যে আমি এই কিতাব নাযিল করিনি।” (সূরা ত্ব-হা : ২)
আসুন আমরা আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত আল কুরআন বুঝে পড়ার চেষ্টা করি, রসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সুন্নত বিস্তারিত পড়ে জেনে নিই কিভাবে একটি উন্নত নৈতিকতাসম্পন্ন সুখীসমৃদ্ধ পরিবার ও সমাজ গড়তে পারি। আল্লাহ আমাদের তার দ্বীনকে পরিপূর্ণভাবে জেনে এর পূর্ণ অনুসরণের তৌফিক দিন। ইহকালীন লাঞ্ছনা ও পরকালীন আজাব হতে পরিত্রাণ দিন। যথেষ্ট পরিমাণ অধ্যয়নের পর সওয়াবের উদ্দেশ্যে বা কুরআনের মর্মবাণী হতে উপকারের উদ্দেশ্যে, কুরআনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা এবং এর উপলব্ধি করে যদি তিলাওয়াত করতে চাই তাহলে কোন দোষ নেই।
শুধু তিলাওয়াতের মধ্যে যেন সীমাবদ্ধ না থাকি, অর্থ বোঝার চেষ্টা করি। অসুস্থ হওয়ার পর ডাক্তার যে প্রেসক্রিপশন দেন তা হাজার বার পড়লেও (অর্থাৎ তিলাওয়াত করলেও) কি আমার অসুখ সারবে? মোটেও না। আমাকে ঐ ঔষধগুলি কিনে খেতে হবে, তবেই কেবল আমি রোগমুক্তির আশা করতে পারি। কুরআন হলো জীবনের সকল সমস্যার কার্যকরী প্রেসক্রিপশন। এটা অধ্যয়ন করে, অনুধাবন করে এর শিক্ষা কাজে লাগানোর জন্য কুরআন পাঠানো হয়েছে। আমি যদি অর্থ ছাড়া এটা কেবল রিডিং পড়ে যাই তাহলে এটা কুরআন পাঠানোর মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্যও ব্যর্থ করে দেবে এবং আমিও অজ্ঞদের দলের একজন থেকে যাবো, ক্ষতিগ্রস্ত হবো। তাই আসুন আজই অর্থসহ কুরআনের তাফসীর সংগ্রহ করি এবং প্রতিদিন অন্ততঃ ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা নিয়মিত অধ্যয়ন করি এবং কুরআনের আলোকে জীবনকে গড়ে তোলার চেষ্টা করি।