১
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৯
পাশ্চাত্য সভ্যতার বংশধারা
বিংশ শতাব্দীর পাশ্চাত্য সভ্যতা (যেমনটি কোন কোন ভাসা ভাসা দৃষ্টির অধিকারী মনে করেন) এমন কোন স্বল্প বয়সী সভ্যতা নয় বিগত কয়েক শতাব্দী যার জন্ম হয়েছে। মূলত এই সভ্যতার ইতিহাস কয়েক হাজার বছরের পুরনো।
এর পৈতৃক বংশগত সম্পর্ক গ্রীক ও রোমক সভ্যতার সঙ্গে। উক্ত দুই সভ্যতা। আপন উত্তরাধিকার হিসেবে যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সামাজিক দর্শন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ও তাত্ত্বিক পুঁজি রেখে গিয়েছিল তা তার ভাগে পড়ে। এর সমগ্র ঝোক-প্রবণতা ও বৈশিষ্ট্য সে বংশপরম্পরায় লাভ করে।
সর্বপ্রথম গ্রীক সভ্যতায় পাশ্চাত্য মন-মানসিকতার অভিব্যক্তি ঘটে। এটাই ছিল প্রথম কৃষ্টি ও সংস্কৃতি যা নির্ভেজাল পাশ্চাত্য দর্শনের ভিত্তির ওপর কায়েম হয় এবং এর মধ্যে পাশ্চাত্য মনস্তত্ত্বের পরিপূর্ণ অভিব্যক্তি ঘটে। গ্রীক সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের ওপর রোমক সভ্যতার প্রাসাদ গড়ে ওঠে যার মধ্যে একই পাশ্চাত্য স্পিরিট কাজ করছিল। পাশ্চাত্যের জাতিগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী এই দুই সভ্যতার বৈশিষ্ট্যগুলো ও মেযাজ, তাদের দর্শন, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য ও চিন্তাধারাসমূহে আঁকড়ে ধরে থাকে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে সেই সব বৈশিষ্ট্যসহ সেগুলো এক নতুন পোশাকে আবির্ভূত হয়। এই পোশাকের চাকচিক্যে তা নতুন বলে দৃষ্টিবিভ্রম ঘটে। কিন্তু মূলত তার পুরোটা বুনন গ্রীক ও রোমকদের হাতেই সম্পন্ন হয়েছে।
এরই ভিত্তিতে আমরা জরুরী মনে করছি, আমরা প্রথমে গ্রীক ও রোমান সভ্যতার সাথে পরিচিত হব এবং উল্লিখিত দুই সভ্যতার মেযাজ ও স্পিরিট সম্পর্কে জানব যাতে করে আমরা নির্ভুল ও যথার্থভাবে বিংশ শতাব্দীর পাশ্চাত্য সভ্যতার মূল্যায়ন করতে পারি।
এর পৈতৃক বংশগত সম্পর্ক গ্রীক ও রোমক সভ্যতার সঙ্গে। উক্ত দুই সভ্যতা। আপন উত্তরাধিকার হিসেবে যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সামাজিক দর্শন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ও তাত্ত্বিক পুঁজি রেখে গিয়েছিল তা তার ভাগে পড়ে। এর সমগ্র ঝোক-প্রবণতা ও বৈশিষ্ট্য সে বংশপরম্পরায় লাভ করে।
সর্বপ্রথম গ্রীক সভ্যতায় পাশ্চাত্য মন-মানসিকতার অভিব্যক্তি ঘটে। এটাই ছিল প্রথম কৃষ্টি ও সংস্কৃতি যা নির্ভেজাল পাশ্চাত্য দর্শনের ভিত্তির ওপর কায়েম হয় এবং এর মধ্যে পাশ্চাত্য মনস্তত্ত্বের পরিপূর্ণ অভিব্যক্তি ঘটে। গ্রীক সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের ওপর রোমক সভ্যতার প্রাসাদ গড়ে ওঠে যার মধ্যে একই পাশ্চাত্য স্পিরিট কাজ করছিল। পাশ্চাত্যের জাতিগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী এই দুই সভ্যতার বৈশিষ্ট্যগুলো ও মেযাজ, তাদের দর্শন, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য ও চিন্তাধারাসমূহে আঁকড়ে ধরে থাকে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে সেই সব বৈশিষ্ট্যসহ সেগুলো এক নতুন পোশাকে আবির্ভূত হয়। এই পোশাকের চাকচিক্যে তা নতুন বলে দৃষ্টিবিভ্রম ঘটে। কিন্তু মূলত তার পুরোটা বুনন গ্রীক ও রোমকদের হাতেই সম্পন্ন হয়েছে।
এরই ভিত্তিতে আমরা জরুরী মনে করছি, আমরা প্রথমে গ্রীক ও রোমান সভ্যতার সাথে পরিচিত হব এবং উল্লিখিত দুই সভ্যতার মেযাজ ও স্পিরিট সম্পর্কে জানব যাতে করে আমরা নির্ভুল ও যথার্থভাবে বিংশ শতাব্দীর পাশ্চাত্য সভ্যতার মূল্যায়ন করতে পারি।