১
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
নবী করীম (ﷺ) -এর আবির্ভাব
মানবতা যখন মরণ যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল, দুনিয়া তার যাবতীয় সাজ-সরঞ্জাম নিয়ে ধ্বংসের ভীতিপ্রদ ও গভীর গর্তে নিক্ষিপ্ত হতে চলেছিল ঠিক তখনই আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামকে ওহী ও রিসালতসহ প্রেরণ করেন যাতে করে তিনি এই মুমূর্ষ মানবতাকে নব জীবন দান করেন এবং লোকদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে আসেন।
( بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ الۤرۚ كِتَـٰبٌ أَنزَلۡنَـٰهُ إِلَیۡكَ لِتُخۡرِجَ ٱلنَّاسَ مِنَ ٱلظُّلُمَـٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذۡنِ رَبِّهِمۡ إِلَىٰ صِرَ ٰ طِ ٱلۡعَزِیزِ ٱلۡحَمِیدِ )
[Surah Ibrahim 1]
“আলিফ-লাম-রা; এই কিতাব, এটা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি যাতে করে তুমি মানব জাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে বের করে আনতে পার অন্ধকার থেকে আলোকে, তাঁর পথে যিনি পরাক্রমশালী, প্রশংসাহ।” (আল-কুরআন, ১৪:১)।
তিনি মানব জাতিকে কেবল এক আল্লাহর বন্দেগীর দিকে আহ্বান জানান এবং দুনিয়ার যাবতীয় বন্দেগী ও দাসত্বের হাত থেকে মুক্তি দেন। জীবনের প্রকৃত নেয়ামতরাজি (যে সব থেকে মানুষ নিজেকে মাহরূম করে দিয়েছিল) পুনর্বার তাকে দান করেন এবং সেই লৌহ শৃঙ্খল ও বেড়ি থেকে মুক্ত করেছিলেন যা তারা অপ্রয়োজনে নিজের ওপর ফেলে রেখেছিল।
( یَأۡمُرُهُم بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَیَنۡهَىٰهُمۡ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَیُحِلُّ لَهُمُ ٱلطَّیِّبَـٰتِ وَیُحَرِّمُ عَلَیۡهِمُ ٱلۡخَبَـٰۤىِٕثَ وَیَضَعُ عَنۡهُمۡ إِصۡرَهُمۡ وَٱلۡأَغۡلَـٰلَ ٱلَّتِی كَانَتۡ عَلَیۡهِمۡۚ )
[Surah Al-A'raf 157]
“যে তাদের সৎ কাজের নির্দেশ দেয় ও অসৎ কাজে বাধা দেয়, যে তাদের জন্য পবিত্র বস্তু বৈধ করে ও অপবিত্র বস্তু অবৈধ করে এবং যে মুক্ত করে তাদেরকে তাদের গুরুভার থেকে ও শৃংখল থেকে যা তাদের ওপর ছিল।” (আল -কুরআন, ৭:১৫৭)।
তাঁর আবির্ভাব মানব জাতিকে নবজীবন, নতুন আলোক-রশি, নবতর শক্তি, নতুন উত্তাপ, নতুন ঈমান, নবতর প্রত্যয়, নতুন বংশধারা, নতুন কৃষ্টি-সংস্কৃতি, নতুন সমাজ দান করে। তাঁর আগমনে দুনিয়ায় নতুন ইতিহাস এবং মানব জাতির কর্মের নবজীবনের সূত্রপাত হয়। কেননা আত্মবিস্মৃতি ও আত্মহত্যার ভেতর যেই যুগ অতিক্রান্ত হয়েছে তা ধর্তব্য নয়। চক্ষুম্মান ও অন্ধ এবং জীবিত ও মৃতকে এক পাল্লায় রাখা চলে না।
( وَمَا یَسۡتَوِی ٱلۡأَعۡمَىٰ وَٱلۡبَصِیرُ وَلَا ٱلظُّلُمَـٰتُ وَلَا ٱلنُّورُ وَلَا ٱلظِّلُّ وَلَا ٱلۡحَرُورُ وَمَا یَسۡتَوِی ٱلۡأَحۡیَاۤءُ وَلَا ٱلۡأَمۡوَ ٰ تُۚ )
[Surah Fatir 19 - 22]
“সমান নয় অন্ধ ও চক্ষুম্মান, অন্ধকার ও আলো, ছায়া ও রৌদ্র এবং সমান নয় জীবিত ও মৃত।” (আল-কুরআন ৩৫:১৯-২২)।
জাহেলিয়াত ও ইসলামের মাঝে যেই ব্যবধান ছিল এর থেকে বড় কোন ব্যবধান নেই। কিন্তু এই ব্যবধান যেই দ্রুততার সাথে অতিক্রান্ত হয় দুনিয়ার বুকে এরও কোন নজীর নেই। দুনিয়া তারই নেতৃত্বে এই দীর্ঘ সফর কিভাবে অতিক্রম করেছিল এবং জাহেলিয়াত থেকে ইসলামের দিকে কিভাবে উত্তরণ ঘটেছিল পরবর্তী পৃষ্ঠাগুলোয় সেই প্রশ্নেরই জওয়াব সবিস্তার বর্ণিত হয়েছে।
( بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ الۤرۚ كِتَـٰبٌ أَنزَلۡنَـٰهُ إِلَیۡكَ لِتُخۡرِجَ ٱلنَّاسَ مِنَ ٱلظُّلُمَـٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذۡنِ رَبِّهِمۡ إِلَىٰ صِرَ ٰ طِ ٱلۡعَزِیزِ ٱلۡحَمِیدِ )
[Surah Ibrahim 1]
“আলিফ-লাম-রা; এই কিতাব, এটা তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি যাতে করে তুমি মানব জাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে বের করে আনতে পার অন্ধকার থেকে আলোকে, তাঁর পথে যিনি পরাক্রমশালী, প্রশংসাহ।” (আল-কুরআন, ১৪:১)।
তিনি মানব জাতিকে কেবল এক আল্লাহর বন্দেগীর দিকে আহ্বান জানান এবং দুনিয়ার যাবতীয় বন্দেগী ও দাসত্বের হাত থেকে মুক্তি দেন। জীবনের প্রকৃত নেয়ামতরাজি (যে সব থেকে মানুষ নিজেকে মাহরূম করে দিয়েছিল) পুনর্বার তাকে দান করেন এবং সেই লৌহ শৃঙ্খল ও বেড়ি থেকে মুক্ত করেছিলেন যা তারা অপ্রয়োজনে নিজের ওপর ফেলে রেখেছিল।
( یَأۡمُرُهُم بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَیَنۡهَىٰهُمۡ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَیُحِلُّ لَهُمُ ٱلطَّیِّبَـٰتِ وَیُحَرِّمُ عَلَیۡهِمُ ٱلۡخَبَـٰۤىِٕثَ وَیَضَعُ عَنۡهُمۡ إِصۡرَهُمۡ وَٱلۡأَغۡلَـٰلَ ٱلَّتِی كَانَتۡ عَلَیۡهِمۡۚ )
[Surah Al-A'raf 157]
“যে তাদের সৎ কাজের নির্দেশ দেয় ও অসৎ কাজে বাধা দেয়, যে তাদের জন্য পবিত্র বস্তু বৈধ করে ও অপবিত্র বস্তু অবৈধ করে এবং যে মুক্ত করে তাদেরকে তাদের গুরুভার থেকে ও শৃংখল থেকে যা তাদের ওপর ছিল।” (আল -কুরআন, ৭:১৫৭)।
তাঁর আবির্ভাব মানব জাতিকে নবজীবন, নতুন আলোক-রশি, নবতর শক্তি, নতুন উত্তাপ, নতুন ঈমান, নবতর প্রত্যয়, নতুন বংশধারা, নতুন কৃষ্টি-সংস্কৃতি, নতুন সমাজ দান করে। তাঁর আগমনে দুনিয়ায় নতুন ইতিহাস এবং মানব জাতির কর্মের নবজীবনের সূত্রপাত হয়। কেননা আত্মবিস্মৃতি ও আত্মহত্যার ভেতর যেই যুগ অতিক্রান্ত হয়েছে তা ধর্তব্য নয়। চক্ষুম্মান ও অন্ধ এবং জীবিত ও মৃতকে এক পাল্লায় রাখা চলে না।
( وَمَا یَسۡتَوِی ٱلۡأَعۡمَىٰ وَٱلۡبَصِیرُ وَلَا ٱلظُّلُمَـٰتُ وَلَا ٱلنُّورُ وَلَا ٱلظِّلُّ وَلَا ٱلۡحَرُورُ وَمَا یَسۡتَوِی ٱلۡأَحۡیَاۤءُ وَلَا ٱلۡأَمۡوَ ٰ تُۚ )
[Surah Fatir 19 - 22]
“সমান নয় অন্ধ ও চক্ষুম্মান, অন্ধকার ও আলো, ছায়া ও রৌদ্র এবং সমান নয় জীবিত ও মৃত।” (আল-কুরআন ৩৫:১৯-২২)।
জাহেলিয়াত ও ইসলামের মাঝে যেই ব্যবধান ছিল এর থেকে বড় কোন ব্যবধান নেই। কিন্তু এই ব্যবধান যেই দ্রুততার সাথে অতিক্রান্ত হয় দুনিয়ার বুকে এরও কোন নজীর নেই। দুনিয়া তারই নেতৃত্বে এই দীর্ঘ সফর কিভাবে অতিক্রম করেছিল এবং জাহেলিয়াত থেকে ইসলামের দিকে কিভাবে উত্তরণ ঘটেছিল পরবর্তী পৃষ্ঠাগুলোয় সেই প্রশ্নেরই জওয়াব সবিস্তার বর্ণিত হয়েছে।