১
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
এক নজরে বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠী
এ যুগে বড় বড় ধর্ম বাচ্চাদের খেলার পুতুল এবং ভণ্ড মুনাফিকদের অনুশীলন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এসব ধর্মের আকার-আকৃতি ও প্রকৃতি এতটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছিল যে, যদি কোনভাবে ও কোনক্রমে ঐসব ধর্মের পিতৃপুরুষগণ দুনিয়ার বুকে পুনরাগমনপূর্বক তাদের রেখে যাওয়া ধর্মের অবস্থা দেখতে পেতেন তবে এটা অবধারিত যে, তাঁরা নিজেরাও তাঁদের ধর্ম চিনতে পারতেন না।
সভ্যতা ও সংস্কৃতির লালন ক্ষেত্রগুলোতে আত্মম্ভরিতা, নৈরাজ্য ও নৈতিক অবক্ষয়ের রাজত্ব চলছিল। সরকারী প্রশাসনে ছিল সীমাহীন বিশৃঙ্খলা। শাসন কর্তৃত্বে সমাসীন ব্যক্তিবর্গের কঠোরতা প্রদর্শন এবং জনগণের চারিত্রিক অধঃপতনের পরিণতি হলো এই যে, গোটা জাতিই নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার আবর্তে জড়িয়ে গেল। দুনিয়ার সামনে পেশ করবার মত তাদের কাছে কোন পয়গাম ছিল না, ছিল না মানবতার জন্য কোন দাওয়াত। বস্তুত এই সব জাতিগোষ্ঠী ও ধর্ম ভেতরে ভেতরে ফোকলা হয়ে গিয়েছিল। তাদের জীবনের সূত্র শুকিয়ে গিয়েছিল। তাদের কাছে না ছিল ধর্মের দিক-নির্দেশনা আর না ছিল রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালনার সুদৃঢ় ও যুক্তিযুক্ত কোন নীতিমালা।
সভ্যতা ও সংস্কৃতির লালন ক্ষেত্রগুলোতে আত্মম্ভরিতা, নৈরাজ্য ও নৈতিক অবক্ষয়ের রাজত্ব চলছিল। সরকারী প্রশাসনে ছিল সীমাহীন বিশৃঙ্খলা। শাসন কর্তৃত্বে সমাসীন ব্যক্তিবর্গের কঠোরতা প্রদর্শন এবং জনগণের চারিত্রিক অধঃপতনের পরিণতি হলো এই যে, গোটা জাতিই নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার আবর্তে জড়িয়ে গেল। দুনিয়ার সামনে পেশ করবার মত তাদের কাছে কোন পয়গাম ছিল না, ছিল না মানবতার জন্য কোন দাওয়াত। বস্তুত এই সব জাতিগোষ্ঠী ও ধর্ম ভেতরে ভেতরে ফোকলা হয়ে গিয়েছিল। তাদের জীবনের সূত্র শুকিয়ে গিয়েছিল। তাদের কাছে না ছিল ধর্মের দিক-নির্দেশনা আর না ছিল রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালনার সুদৃঢ় ও যুক্তিযুক্ত কোন নীতিমালা।