১
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬৮
আরব বিশ্বের গুরুত্ব
বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্রে আরব জাহানের গুরুত্ব অপরিসীম। আরব বিশ্ব সেই সব জাতিগোষ্ঠীর লালন ক্ষেত্র ও দোলনা বিশেষ যারা মানব ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তার বুকে শক্তি ও সম্পদের এক বিপুল ভাণ্ডার সংরক্ষিত। তার আছে পেট্রোল যা আজ সামরিক ও শিল্পক্ষেত্রে সেই ভূমিকা পালন করে যেমনটি পালন করে শরীরের ক্ষেত্রে রক্ত এবং য়ুরোপ, আমেরিকা ও দূরপ্রাচ্যের মাঝে সংযোগ সেতু হিসেবে বিরাজ করছে।
আরব জাহান মুসলিম বিশ্বের স্পন্দিত হৃৎপিণ্ড যার দিকে আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় দিক দিয়ে গোটা মুসলিম বিশ্বের গতি পরিচালিত হয়, যারা সব সময় তার আলোচনায় মুখর এবং তার প্রতি ভালবাসায় ও বিশ্বস্ততায় আপ্লুত। তার গুরুত্ত্ব এজন্য আরও বৃদ্ধি পায়, এর পূর্ণ সম্ভাবনা বিদ্যমান, আল্লাহ না করুন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের এ যেন রণক্ষেত্রে পরিণত না হয়! কেননা সেখানে শক্তিশালী বাহু আছে চিন্তা-ভাবনা করার মত, উপলব্ধি করার মত বুদ্ধি-বিবেচনা আছে, যুদ্ধ করার মত শক্তিশালী দেহ আছে, আছে বড় বড় বাণিজ্য কেন্দ্র ও কর্ষণযোগ্য উর্বর ভূমি।
মিসর আরব জাহানের বুকেই অবস্থিত যা উৎপদিত খাদ্যশস্যে, আয়-আমদানীতে, শ্যামল সবুজে ও উর্বরতায়, সম্পদে ও উন্নতি-অগ্রগতিতে এবং সভ্যতা-সংস্কৃতির ময়দানে এক বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত যার কোল দিয়ে নীলনদ প্রবাহিত। এখানেই আছে ফিলিস্তীন ও তার প্রতিবেশী দেশগুলো যা আবহাওয়ার শোভা-সৌন্দর্য ও দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যের অপূর্ব সমাহারে ও সামরিক গুরুত্বে বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে।
তার আছে ইরাকের মত দেশ যা আপন শৌর্যে-বীর্যে, কষ্ট সহিষ্ণুতায়, বীরত্বে, অটুট ইচ্ছাশক্তি ও মনোবলে অদ্বিতীয়। তদুপরি পেট্রোলের ভাণ্ডার হিসেবেও সে মশহুর।
এখানেই আছে আরব উপদ্বীপ (জয়ীরায়ে আরব) যা স্বীয় আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও ধর্মীয় প্রভাবের দিক দিয়ে একক ও অনন্য যার হজ্জ্বের মত বার্ষিক সমাবেশের নজীর বিশ্বের বুকে আর নেই, যেখানকার তেল খনি সর্বাধিক পরিমাণ তেল উৎপাদন করে থাকে।
এসব জিনিসের কারণেই আরব জাহানকে পাশ্চাত্যের অধিবাসীদের দৃষ্টিকেন্দ্র, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রস্থল এবং নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের নিমিত্ত প্রতিদ্বন্দিতার ক্ষেত্রে পরিণত করেছে যার প্রতিক্রিয়া হয়েছে, এসব দেশে আরব জাতীয়তাবাদ ও দেশপূজার তীব্র মানসিকতা সৃষ্টি হয়ে গেছে।
আরব জাহান মুসলিম বিশ্বের স্পন্দিত হৃৎপিণ্ড যার দিকে আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় দিক দিয়ে গোটা মুসলিম বিশ্বের গতি পরিচালিত হয়, যারা সব সময় তার আলোচনায় মুখর এবং তার প্রতি ভালবাসায় ও বিশ্বস্ততায় আপ্লুত। তার গুরুত্ত্ব এজন্য আরও বৃদ্ধি পায়, এর পূর্ণ সম্ভাবনা বিদ্যমান, আল্লাহ না করুন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের এ যেন রণক্ষেত্রে পরিণত না হয়! কেননা সেখানে শক্তিশালী বাহু আছে চিন্তা-ভাবনা করার মত, উপলব্ধি করার মত বুদ্ধি-বিবেচনা আছে, যুদ্ধ করার মত শক্তিশালী দেহ আছে, আছে বড় বড় বাণিজ্য কেন্দ্র ও কর্ষণযোগ্য উর্বর ভূমি।
মিসর আরব জাহানের বুকেই অবস্থিত যা উৎপদিত খাদ্যশস্যে, আয়-আমদানীতে, শ্যামল সবুজে ও উর্বরতায়, সম্পদে ও উন্নতি-অগ্রগতিতে এবং সভ্যতা-সংস্কৃতির ময়দানে এক বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত যার কোল দিয়ে নীলনদ প্রবাহিত। এখানেই আছে ফিলিস্তীন ও তার প্রতিবেশী দেশগুলো যা আবহাওয়ার শোভা-সৌন্দর্য ও দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যের অপূর্ব সমাহারে ও সামরিক গুরুত্বে বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে।
তার আছে ইরাকের মত দেশ যা আপন শৌর্যে-বীর্যে, কষ্ট সহিষ্ণুতায়, বীরত্বে, অটুট ইচ্ছাশক্তি ও মনোবলে অদ্বিতীয়। তদুপরি পেট্রোলের ভাণ্ডার হিসেবেও সে মশহুর।
এখানেই আছে আরব উপদ্বীপ (জয়ীরায়ে আরব) যা স্বীয় আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও ধর্মীয় প্রভাবের দিক দিয়ে একক ও অনন্য যার হজ্জ্বের মত বার্ষিক সমাবেশের নজীর বিশ্বের বুকে আর নেই, যেখানকার তেল খনি সর্বাধিক পরিমাণ তেল উৎপাদন করে থাকে।
এসব জিনিসের কারণেই আরব জাহানকে পাশ্চাত্যের অধিবাসীদের দৃষ্টিকেন্দ্র, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রস্থল এবং নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের নিমিত্ত প্রতিদ্বন্দিতার ক্ষেত্রে পরিণত করেছে যার প্রতিক্রিয়া হয়েছে, এসব দেশে আরব জাতীয়তাবাদ ও দেশপূজার তীব্র মানসিকতা সৃষ্টি হয়ে গেছে।