১
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৬
মিসরীয় সেনাবাহিনীর মুকাবিলায় তাতারীদের পরাজয়
ইরাক ও সিরিয়া দখলের পর তাতারীদের লক্ষ্য স্বাভাবিকভাবেই মিসরের দিকে ছিল। আর মিসরই ছিল একমাত্র দেশ যা তাতারীদের ধ্বংসযজ্ঞের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল। মিসরের সুলতান আল-মালিকুল মুজাফফার সায়ফুদ্দীন কুতুয পরিষ্কার বুঝতে পারছিলেন, এবার নির্ঘাত মিসরের পালা। তাতারীরা যদি আগেভাগেই তার ওপর চড়াও হয়ে বসে তাহলে দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হবে। অতএব, মিসরের অভ্যন্তরে থেকে আত্মরক্ষার পরিবর্তে সম্মুখে অগ্রসর হয়ে শামে তাতারীদের ওপর হামলা পরিচালনা করাটাকেই তিনি সমীচীন মনে করলেন। অনন্তর ৬৫৮ হিজরীর পবিত্র মাহে রমযানের ২৫ তারিখে আয়ন-ই জাত নামক স্থানে তাতারীদের সঙ্গে মিসরের মুসলিম ফৌজের তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার বিপরীত এ যুদ্ধে তাতারীদের সম্পূর্ণ পরাজয় ঘটে এবং তারা পালাতে থাকে। মিসরীয় ফৌজ পলায়নরত তাতারীদের পশ্চাদ্ধাবন করে এবং ব্যাপক হারে তাদের কচুকাটা করে। বিপুল সংখ্যক তাতারী মুসলমানদের হাতে বন্দীও হয়।
সায়ফুদ্দীন কুতুয-এর পর আল-মালিকুজ-জাহির বায়বার্স কয়েকবার তাতারীদের উপর্যুপরি পরাজিত করেন এবং গোটা সিরিয়া এলাকা থেকে তাদেরকে উৎখাত ও বহিস্কৃত করেন। এভাবে “তাতারীদের পরাজয় অসম্ভব” এই প্রবাদ বাক্যটি মিথ্যায় পর্যবসিত হয়।
সায়ফুদ্দীন কুতুয-এর পর আল-মালিকুজ-জাহির বায়বার্স কয়েকবার তাতারীদের উপর্যুপরি পরাজিত করেন এবং গোটা সিরিয়া এলাকা থেকে তাদেরকে উৎখাত ও বহিস্কৃত করেন। এভাবে “তাতারীদের পরাজয় অসম্ভব” এই প্রবাদ বাক্যটি মিথ্যায় পর্যবসিত হয়।