১
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?
লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
য়ুরোপীয়রা মানব-জীবনের যে দিকগুলো ইতিহাস রচনাকালে এড়িয়ে গেছে
য়ুরোপীয়রা মানব-জীবনের যে দিকগুলো ইতিহাস রচনাকালে এড়িয়ে গেছে তা এই গ্রন্থে গুরুত্ব সহকারে স্থান পেয়েছে। এতে উল্লিখিত হয়েছে ইতিহাসের জন্যে অপরিহার্য ও অতি প্রয়োজনীয় আরো অনেক কিছু। এখানে দ্ব্যর্থহীনভাবে মানবতার মাহাত্মের স্বীকৃতির কথাও আলোচিত হয়েছে।
পাঠকের মনের কোণে প্রশ্ন আসতে পারে, এই গ্রন্থের লেখক, যিনি রুহানিয়াত ও আধ্যাত্মিকতার একজন শ্রেষ্ঠ বাহক, যিনি বিশ্ব নেতৃত্ব ইসলামের হাতে তুলে দেওয়ার জন্যে ব্যাকুল, এই তিনি যখন নেতৃত্ব লাভের এবং নেতৃত্বদানের যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করবেন, তখন কি রুহানী শক্তি অর্জনের পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধবিদ্যা ও প্রযুক্তিগত উত্তৰ্ষতা অর্জনের ব্যাপারেও আলোচনা করবেন? চলমান বিশ্বের আধুনিক চ্যালেঞ্জ মুকাবিলার জন্যে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণের কথাটুকুও কি তিনি বলবেন?
বড় আনন্দের বিষয় যে, লেখক পাঠকের এই মনোভাবও বুঝতে পেরেছেন এবং অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়টিও তাঁর গ্রন্থে আলোচনা করেছেন।
নিঃসন্দেহে এই গ্রন্থ মানব জীবনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারকারী সব বিষয়ের একটি বিরল সমষ্টি। এক সুসংহত শব্দচিত্র। লেখক তার এই সুসংহত ও সুবিন্যস্ত পংক্তিমালায় ইতিহাসকে বড় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। সেই সাথে মুসলিম উম্মাহকে দিয়েছেন সঠিক দিক-নির্দেশনা।
গ্রন্থের এই বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, এই গ্রন্থ ‘ইতিহাস কীভাবে রচিত হওয়া উচিত তার একটি প্রকৃষ্ট ও হৃদয়গ্রাহী উদাহরণ। য়ুরোপীয় ঐতিহাসিকদের স্টাইল থেকে মুখ ফিরিয়ে (যাতে রয়েছে অসংগতি ও অসাম স্যতা, রয়েছে বিকৃতি ও সত্য-বিচ্যুতি, রয়েছে জ্ঞান-গবেষণার হাজারো দৈন্য) ইতিহাসমুখী আলোচনায় গবেষণায় কীভাবে কলম ধরতে হবে সে দিকনির্দেশনাও এখানে রয়েছে।
এই গ্রন্থ সম্পর্কে আমার নিজস্ব অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পেয়ে নিজেকে বড় ধন্য মনে করছি। আরেকটি আনন্দের বিষয় হলো, আমার মাতৃভাষা আরবীতেই আমি বইটি পড়ার সৌভাগ্য লাভ করেছি যে ভাষা লেখকের প্রাণপ্রিয় ভাষা।
মিসরে এই গ্রন্থের আজ দ্বিতীয় সংস্করণ বের হতে যাচ্ছে। আল্লাহ কবুল করুন।
( إِنَّ فِی ذَ ٰ لِكَ لَذِكۡرَىٰ لِمَن كَانَ لَهُۥ قَلۡبٌ أَوۡ أَلۡقَى ٱلسَّمۡعَ وَهُوَ شَهِید ࣱ)
[Surah Qaf 37]
(সূরা কাফ)
পাঠকের মনের কোণে প্রশ্ন আসতে পারে, এই গ্রন্থের লেখক, যিনি রুহানিয়াত ও আধ্যাত্মিকতার একজন শ্রেষ্ঠ বাহক, যিনি বিশ্ব নেতৃত্ব ইসলামের হাতে তুলে দেওয়ার জন্যে ব্যাকুল, এই তিনি যখন নেতৃত্ব লাভের এবং নেতৃত্বদানের যোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করবেন, তখন কি রুহানী শক্তি অর্জনের পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধবিদ্যা ও প্রযুক্তিগত উত্তৰ্ষতা অর্জনের ব্যাপারেও আলোচনা করবেন? চলমান বিশ্বের আধুনিক চ্যালেঞ্জ মুকাবিলার জন্যে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণের কথাটুকুও কি তিনি বলবেন?
বড় আনন্দের বিষয় যে, লেখক পাঠকের এই মনোভাবও বুঝতে পেরেছেন এবং অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়টিও তাঁর গ্রন্থে আলোচনা করেছেন।
নিঃসন্দেহে এই গ্রন্থ মানব জীবনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারকারী সব বিষয়ের একটি বিরল সমষ্টি। এক সুসংহত শব্দচিত্র। লেখক তার এই সুসংহত ও সুবিন্যস্ত পংক্তিমালায় ইতিহাসকে বড় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। সেই সাথে মুসলিম উম্মাহকে দিয়েছেন সঠিক দিক-নির্দেশনা।
গ্রন্থের এই বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, এই গ্রন্থ ‘ইতিহাস কীভাবে রচিত হওয়া উচিত তার একটি প্রকৃষ্ট ও হৃদয়গ্রাহী উদাহরণ। য়ুরোপীয় ঐতিহাসিকদের স্টাইল থেকে মুখ ফিরিয়ে (যাতে রয়েছে অসংগতি ও অসাম স্যতা, রয়েছে বিকৃতি ও সত্য-বিচ্যুতি, রয়েছে জ্ঞান-গবেষণার হাজারো দৈন্য) ইতিহাসমুখী আলোচনায় গবেষণায় কীভাবে কলম ধরতে হবে সে দিকনির্দেশনাও এখানে রয়েছে।
এই গ্রন্থ সম্পর্কে আমার নিজস্ব অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পেয়ে নিজেকে বড় ধন্য মনে করছি। আরেকটি আনন্দের বিষয় হলো, আমার মাতৃভাষা আরবীতেই আমি বইটি পড়ার সৌভাগ্য লাভ করেছি যে ভাষা লেখকের প্রাণপ্রিয় ভাষা।
মিসরে এই গ্রন্থের আজ দ্বিতীয় সংস্করণ বের হতে যাচ্ছে। আল্লাহ কবুল করুন।
( إِنَّ فِی ذَ ٰ لِكَ لَذِكۡرَىٰ لِمَن كَانَ لَهُۥ قَلۡبٌ أَوۡ أَلۡقَى ٱلسَّمۡعَ وَهُوَ شَهِید ࣱ)
[Surah Qaf 37]
(সূরা কাফ)