১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১২
সিজদায় যেতে আগে হাত মাটিতে রাখবে না হাঁটু
সুন্নাত হলো সিজদায় যাওয়ার সময় আগে মাটিতে হাত রাখা এবং পরে হাঁটু রাখা। এ মর্মে সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। যেমন-
عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّهٗ كَانَ إِذَا سَجَدَ بَدَأَ بِوَضْعِ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ , وَكَانَ يَقُوْلُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَصْنَعُ ذٰلِكَ
নাফে‘ (রহ.) ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি যখন সিজদা করতেন তখন দু’হাঁটু রাখার পূর্বে দু’হাত রাখতেন। আর তিনি বলতেন, নবী ﷺ এমনটি করতেন। [সহীহ বুখারী, ৪৬ নং অধ্যায় (তাকবীর দিয়ে সিজদা দেয়া); সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৬২৭; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৮২১।]
ইমাম হাকেম, যাহাবী, আলবানী প্রমুখ মুহাদ্দীস উক্ত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া ইমাম বুখারী হাদীসটিকে বাবের সাথে নিয়ে এসেছেন।
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ -ﷺ : إِذَا سَجَدَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَبْرُكْ كَمَا يَبْرُكُ الْبَعِيْرُ وَلْيَضَعْ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন সিজদাতে যাবে তখন সে যেন উটের মতো না বসে, বরং সে যেন তার দু’হাঁটুর আগে তার হাত দুটি মাটিতে স্থাপন করে। [আবু দাউদ, হা/৮৪০; সুনানে কুবরা লিল বায়হাকী, হা/২৭৩৯; জামেউস সগীর, হা/৫৯৬; মিশকাত, হা/৮৯৯।]
সিজদায় যাওয়ার সময় হাতের পূর্বে হাঁটু রাখার ব্যাপারে যে বর্ণনা এসেছে তা হলো :
عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِىَّ -ﷺ - إِذَا سَجَدَ وَضَعَ رُكْبَتَيْهِ قَبْلَ يَدَيْهِ وَإِذَا نَهَضَ رَفَعَ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ
ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন সিজদা করতেন তখন তাকে দেখেছি তিনি দু’হাত রাখার আগে দু’হাঁটু রাখতেন এবং যখন তিনি উঠতেন তখন হাঁটুর আগে দু’হাত উঠাতেন। [আবু দাউদ, হা/৮৩৮; তিরমিযী, হা/২৬৮; নাসাঈ, হা/১০৮৯; ইবনে মাজাহ, হা/৮৮২; দার কুতনী, হা/১৩০৭; মিশকাত, হা/৮৯৮।]
ইমাম তিরমিযী (রহ.) বলেন, হাদীসটি হাসান এবং গরীব। এ হাদীসটি ‘শারীক’ ব্যতীত অন্য কারো কাছে পাওয়া যায়নি। [তিরমিযী, ৮৩৮ নং হাদীসের মন্তব্য।] তাছাড়া শাইখ আলবানী (রহ.) হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। [তিরমিযী, ৮৩৮ নং হাদীসের তাহকীক।]
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) বলেন, অন্য হাদীসের বিপরীতে প্রথমে দু’হাত রাখার হাদীসটি বেশি সহীহ। কারণ ঐ হাদীসের সমর্থনে ইবনে উমর (রাঃ) এর হাদীসটি পাওয়া যায়। যাকে ইবনে খুযায়মা (রহ.) সহীহ বলেছেন এবং ইমাম বুখারীও এটাকে বর্ণনা করেছেন। [বুলূগুল মারাম, হা/৩১২।] সুতরাং এর উপর আমল করাই উত্তম।
عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّهٗ كَانَ إِذَا سَجَدَ بَدَأَ بِوَضْعِ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ , وَكَانَ يَقُوْلُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَصْنَعُ ذٰلِكَ
নাফে‘ (রহ.) ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি যখন সিজদা করতেন তখন দু’হাঁটু রাখার পূর্বে দু’হাত রাখতেন। আর তিনি বলতেন, নবী ﷺ এমনটি করতেন। [সহীহ বুখারী, ৪৬ নং অধ্যায় (তাকবীর দিয়ে সিজদা দেয়া); সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৬২৭; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৮২১।]
ইমাম হাকেম, যাহাবী, আলবানী প্রমুখ মুহাদ্দীস উক্ত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া ইমাম বুখারী হাদীসটিকে বাবের সাথে নিয়ে এসেছেন।
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ -ﷺ : إِذَا سَجَدَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَبْرُكْ كَمَا يَبْرُكُ الْبَعِيْرُ وَلْيَضَعْ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন সিজদাতে যাবে তখন সে যেন উটের মতো না বসে, বরং সে যেন তার দু’হাঁটুর আগে তার হাত দুটি মাটিতে স্থাপন করে। [আবু দাউদ, হা/৮৪০; সুনানে কুবরা লিল বায়হাকী, হা/২৭৩৯; জামেউস সগীর, হা/৫৯৬; মিশকাত, হা/৮৯৯।]
সিজদায় যাওয়ার সময় হাতের পূর্বে হাঁটু রাখার ব্যাপারে যে বর্ণনা এসেছে তা হলো :
عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِىَّ -ﷺ - إِذَا سَجَدَ وَضَعَ رُكْبَتَيْهِ قَبْلَ يَدَيْهِ وَإِذَا نَهَضَ رَفَعَ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ
ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন সিজদা করতেন তখন তাকে দেখেছি তিনি দু’হাত রাখার আগে দু’হাঁটু রাখতেন এবং যখন তিনি উঠতেন তখন হাঁটুর আগে দু’হাত উঠাতেন। [আবু দাউদ, হা/৮৩৮; তিরমিযী, হা/২৬৮; নাসাঈ, হা/১০৮৯; ইবনে মাজাহ, হা/৮৮২; দার কুতনী, হা/১৩০৭; মিশকাত, হা/৮৯৮।]
ইমাম তিরমিযী (রহ.) বলেন, হাদীসটি হাসান এবং গরীব। এ হাদীসটি ‘শারীক’ ব্যতীত অন্য কারো কাছে পাওয়া যায়নি। [তিরমিযী, ৮৩৮ নং হাদীসের মন্তব্য।] তাছাড়া শাইখ আলবানী (রহ.) হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। [তিরমিযী, ৮৩৮ নং হাদীসের তাহকীক।]
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) বলেন, অন্য হাদীসের বিপরীতে প্রথমে দু’হাত রাখার হাদীসটি বেশি সহীহ। কারণ ঐ হাদীসের সমর্থনে ইবনে উমর (রাঃ) এর হাদীসটি পাওয়া যায়। যাকে ইবনে খুযায়মা (রহ.) সহীহ বলেছেন এবং ইমাম বুখারীও এটাকে বর্ণনা করেছেন। [বুলূগুল মারাম, হা/৩১২।] সুতরাং এর উপর আমল করাই উত্তম।