১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৭
কে ইমাম হওয়ার উপযুক্ত
ইমাম হওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি হলেন তিনি, যিনি আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞান রাখেন এবং যার কুরআন তিলাওয়াত অধিক সহীহ। যদি কুরআন পাঠ করায় সকলে সমান হন, তাহলে যিনি হাদীসে বেশি জ্ঞানী তিনি ইমাম হবেন। এতেও সকলে সমান হলে, যিনি বয়সে বড় তিনি ইমাম হবেন।
উল্লেখ্য যে, স্থায়ীভাবে কাউকে ইমাম নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে ইমামের দ্বীনদারী ও আমানতদারীর বিষয়টিও দেখা উচিত। কারণ ইমাম হচ্ছেন নেতা। তার দায়িত্ব শুধু সালাত পড়ানো নয়। সমাজের মানুষকে সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দেয়াও তার দায়িত্ব। ইমামের আকীদা যদি সহীহ না হয় এবং তিনি যদি শিরক-বিদআত থেকে মুক্ত না হন তাহলে ঐ ইমামের দ্বারা সমাজের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। কারণ ইমামকে মানুষ শুধু সালাতের ক্ষেত্রে নয় বরং কমবেশি সকল ক্ষেত্রেই অনুসরণ করে থাকে। এজন্য ইলিম, আমল, আখলাক, ইমান-আকীদা ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করেই ইমাম নিয়োগ দেয়া মুতাওয়াল্লীগণের দায়িত্ব।
উল্লেখ্য যে, স্থায়ীভাবে কাউকে ইমাম নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে ইমামের দ্বীনদারী ও আমানতদারীর বিষয়টিও দেখা উচিত। কারণ ইমাম হচ্ছেন নেতা। তার দায়িত্ব শুধু সালাত পড়ানো নয়। সমাজের মানুষকে সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দেয়াও তার দায়িত্ব। ইমামের আকীদা যদি সহীহ না হয় এবং তিনি যদি শিরক-বিদআত থেকে মুক্ত না হন তাহলে ঐ ইমামের দ্বারা সমাজের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। কারণ ইমামকে মানুষ শুধু সালাতের ক্ষেত্রে নয় বরং কমবেশি সকল ক্ষেত্রেই অনুসরণ করে থাকে। এজন্য ইলিম, আমল, আখলাক, ইমান-আকীদা ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করেই ইমাম নিয়োগ দেয়া মুতাওয়াল্লীগণের দায়িত্ব।