১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪২
কবর কেন্দ্রিক মসজিদে সালাত হবে না
কবরকে কেন্দ্র করে যে মসজিদ নির্মাণ করা হয় বা বিভিন্ন মাজারকে কেন্দ্র করে যেসব মসজিদ নির্মিত হয় এবং মাজার হতে প্রাপ্ত সম্পদ দিয়ে যেসব মসজিদ পরিচালিত হয় সেসব মসজিদে সালাত আদায় করা জায়েয হবে না। আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, আল্লাহ ইয়াহুদি ও খৃষ্টানদের প্রতি লানত বর্ষণ করুন। কেননা তারা নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। [সহীহ বুখারী, হা/১৩৩০, ১৩৯০; সহীহ মুসলিম, হা/১২১২; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬২২১; নাসাঈ, হা/২০৪৭; জামেউস সগীর, হা/৯২৩৯; মিশকাত, হা/৭১২।]
জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে মৃত্যুর ৫ দিন পূর্বে বলতে শুনেছি যে, সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তীরা নবী ও সৎ লোকদের কবরকে মসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান! তোমরা আমার কবরকে মসজিদ বানাবে না। আমি তোমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করলাম। [আবু দাউদ, হা/২০৪৪; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৭৯০; মিশকাত, হা/৯২৬।]
মসজিদে কবর থাকলে সেখানে সালাত আদায় করা :
কবর সংশ্লিষ্ট মসজিদগুলোকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয় :
প্রথম শ্রেণি : প্রথমে কবর ছিল, পরবর্তীতে তাকে কেন্দ্র করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়াজিব হচ্ছে এই মসজিদ পরিত্যাগ করা। সম্ভব হলে মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা।
দ্বিতীয় শ্রেণি : প্রথমে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, পরে সেখানে কোন মৃতকে দাফন করা হয়েছে। তখন ওয়াজিব হচ্ছে কবর খনন করে মৃত ব্যক্তি বা তার হাড়-হাড্ডি সেখান থেকে উঠিয়ে কোন মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা। কিমত্মু এই মসজিদে শর্ত সাপেক্ষে সালাত আদায় করা জায়েয। তা হচ্ছে, কবর যেন মসজিদের সম্মুখভাগে না হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ কবরের দিকে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অথবা কবরস্থান ও মসজিদের মাঝে কোন অন্তরাল বিদ্যমান থাকে। কিমত্মু এ অন্তরালের ক্ষেত্রে মসজিদের দেয়াল যথেষ্ট নয়। কেননা তা মসজিদেরই অন্তর্ভুক্ত। বরং সেখানে পৃথকভাবে ইট অথবা টিন জাতীয় কোন কিছু দ্বারা অন্তরাল তৈরি করতে হবে। আর মসজিদ ও কবরস্থানে প্রবেশের দরজা একই হওয়া যাবে না।
জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে মৃত্যুর ৫ দিন পূর্বে বলতে শুনেছি যে, সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তীরা নবী ও সৎ লোকদের কবরকে মসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান! তোমরা আমার কবরকে মসজিদ বানাবে না। আমি তোমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করলাম। [আবু দাউদ, হা/২০৪৪; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৭৯০; মিশকাত, হা/৯২৬।]
মসজিদে কবর থাকলে সেখানে সালাত আদায় করা :
কবর সংশ্লিষ্ট মসজিদগুলোকে দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয় :
প্রথম শ্রেণি : প্রথমে কবর ছিল, পরবর্তীতে তাকে কেন্দ্র করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়াজিব হচ্ছে এই মসজিদ পরিত্যাগ করা। সম্ভব হলে মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা।
দ্বিতীয় শ্রেণি : প্রথমে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, পরে সেখানে কোন মৃতকে দাফন করা হয়েছে। তখন ওয়াজিব হচ্ছে কবর খনন করে মৃত ব্যক্তি বা তার হাড়-হাড্ডি সেখান থেকে উঠিয়ে কোন মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা। কিমত্মু এই মসজিদে শর্ত সাপেক্ষে সালাত আদায় করা জায়েয। তা হচ্ছে, কবর যেন মসজিদের সম্মুখভাগে না হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ ﷺ কবরের দিকে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অথবা কবরস্থান ও মসজিদের মাঝে কোন অন্তরাল বিদ্যমান থাকে। কিমত্মু এ অন্তরালের ক্ষেত্রে মসজিদের দেয়াল যথেষ্ট নয়। কেননা তা মসজিদেরই অন্তর্ভুক্ত। বরং সেখানে পৃথকভাবে ইট অথবা টিন জাতীয় কোন কিছু দ্বারা অন্তরাল তৈরি করতে হবে। আর মসজিদ ও কবরস্থানে প্রবেশের দরজা একই হওয়া যাবে না।