১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯৩
উচ্চারণ নিয়ে কিছু কথা
অনেকেই আরবি পড়তে পারেন না। তাই কুরআন মাজীদ ও অন্যান্য দু‘আ পড়ার জন্য বাংলা উচ্চারণের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। কিন্তু এভাবে বাংলায় উচ্চারণ করে আরবি পড়া সঠিক হয় না। আরবিতে দুটি কাফ আছে। এখন বাংলায় ‘ক’ দ্বারা কেবল নুক্তা ছাড়া (ك) ‘কাফ’ এর উচ্চারণ সম্ভব; কিন্তু নুক্তাযুক্ত (ق) ‘কাফ’ উচ্চারণের কোন অক্ষর বাংলা ভাষায় নেই।
এ ছাড়াও আরবি বর্ণমালায় এমন অনেক অক্ষর রয়েছে যেগুলোকে বাংলা বা ইংরেজি ভাষায় সঠিকভাবে উচ্চারণ করা সম্ভব নয়। যেমন : ط - ‐ ث -‐ س - ‐ ص -‐ ش - ‐ ذ -‐ ز ইত্যাদি। এ সকল অক্ষরের মাখরাজ ও উচ্চারণের ভঙ্গি ভিন্ন ভিন্ন। এই ভিন্নতা বজায় না রাখলে অর্থের মধ্যে বিরাট পরিবর্তন এসে যায়। যেমন : নুক্তাযুক্ত ‘কাফ’ দিয়ে قُلْ (কুল) এর অর্থ হয় বলো। আর নুক্তা ছাড়া ‘কাফ’ দিয়ে كُلْ (কুল) এর অর্থ হয় খাও।
বাংলা উচ্চারণ দেখে পড়লে অর্থের মধ্যে এ ধরনের পরিবর্তন সাধিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কুরআন মাজীদ এবং সালাত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আরবি দু‘আগুলো বাংলা উচ্চারণের সাহায্য না নিয়ে মূল আরবি থেকে শেখা প্রত্যেকেরই একান্ত কর্তব্য।
সেই সাথে ছেলে-মেয়েদেরকে ছোটবেলা থেকেই আরবি ভাষা শিখানো এবং ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করার চেষ্টা করাও পিতামাতার একটি বড় দায়িত্ব। আল্লাহ তা‘আলা সবাইকে তাওফীক দান করুন। আমীন!!
﴿سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوْنَ ‐ - وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِيْنَ ‐ وَالْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ﴾
সমাপ্ত
এ ছাড়াও আরবি বর্ণমালায় এমন অনেক অক্ষর রয়েছে যেগুলোকে বাংলা বা ইংরেজি ভাষায় সঠিকভাবে উচ্চারণ করা সম্ভব নয়। যেমন : ط - ‐ ث -‐ س - ‐ ص -‐ ش - ‐ ذ -‐ ز ইত্যাদি। এ সকল অক্ষরের মাখরাজ ও উচ্চারণের ভঙ্গি ভিন্ন ভিন্ন। এই ভিন্নতা বজায় না রাখলে অর্থের মধ্যে বিরাট পরিবর্তন এসে যায়। যেমন : নুক্তাযুক্ত ‘কাফ’ দিয়ে قُلْ (কুল) এর অর্থ হয় বলো। আর নুক্তা ছাড়া ‘কাফ’ দিয়ে كُلْ (কুল) এর অর্থ হয় খাও।
বাংলা উচ্চারণ দেখে পড়লে অর্থের মধ্যে এ ধরনের পরিবর্তন সাধিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কুরআন মাজীদ এবং সালাত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আরবি দু‘আগুলো বাংলা উচ্চারণের সাহায্য না নিয়ে মূল আরবি থেকে শেখা প্রত্যেকেরই একান্ত কর্তব্য।
সেই সাথে ছেলে-মেয়েদেরকে ছোটবেলা থেকেই আরবি ভাষা শিখানো এবং ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করার চেষ্টা করাও পিতামাতার একটি বড় দায়িত্ব। আল্লাহ তা‘আলা সবাইকে তাওফীক দান করুন। আমীন!!
﴿سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوْنَ ‐ - وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِيْنَ ‐ وَالْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ﴾
সমাপ্ত