১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২২
তাশাহ্হুদের মর্মার্থ
তাশাহ্হুদ হলো জীবন পরিচালনা করার নীতি নির্ধারণী ঘোষণা এবং এ নীতি অনুযায়ী চলার প্রকাশ্য ওয়াদা। যার মর্মার্থ হলো, আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে, জীবনের সকল ক্ষেত্রে সবসময় আল্লাহকে একমাত্র হুকুমকর্তা ও মনীব মেনে চলব এবং আল্লাহর হুকুমের বিরোধী কারো হুকুম মানব না। আর মুহাম্মাদ ﷺ কে একমাত্র আদর্শ নেতা হিসেবে মানব এবং তাঁর আদর্শ ছাড়া অন্য কারো আদর্শের অনুসরণ করব না।
এ জন্যই দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাআতে আদায় করার হুকুম দেয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার জীবন শুরু হবে ফজরের সালাত দিয়ে এবং শেষ হবে এশার সালাত দিয়ে। মধ্যখানে আরো ৩ বার সকল কাজকর্ম মুলতবী রেখে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হতে হবে। ২৪ ঘণ্টার রুটিন সালাত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। কাজের জন্য সালাতকে মুলতবী করা যাবে না; বরং সালাতের জন্যই কাজকে মুলতবী রাখতে হবে।
বান্দা যতক্ষণ সালাতে থাকবে ততক্ষণ তার সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও মন-মগজকে আল্লাহর হুকুম ও রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নাত অনুযায়ী ব্যবহার করবে। সালাতে নিজের খেয়াল-খুশী অনুযায়ী কিছু বলা ও করা যাবে না। এভাবেই সালাতের মাধ্যমে দেহ ও মনকে সর্বত্র আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী ব্যবহার করার যোগ্যতা তৈরি করতে হবে।
এ জন্যই দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাআতে আদায় করার হুকুম দেয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার জীবন শুরু হবে ফজরের সালাত দিয়ে এবং শেষ হবে এশার সালাত দিয়ে। মধ্যখানে আরো ৩ বার সকল কাজকর্ম মুলতবী রেখে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হতে হবে। ২৪ ঘণ্টার রুটিন সালাত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। কাজের জন্য সালাতকে মুলতবী করা যাবে না; বরং সালাতের জন্যই কাজকে মুলতবী রাখতে হবে।
বান্দা যতক্ষণ সালাতে থাকবে ততক্ষণ তার সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও মন-মগজকে আল্লাহর হুকুম ও রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নাত অনুযায়ী ব্যবহার করবে। সালাতে নিজের খেয়াল-খুশী অনুযায়ী কিছু বলা ও করা যাবে না। এভাবেই সালাতের মাধ্যমে দেহ ও মনকে সর্বত্র আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী ব্যবহার করার যোগ্যতা তৈরি করতে হবে।