১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
ফিতরাত (স্বভাবজাত সুন্নাত)
স্বভাবজাত সুন্নাত হলো এমন কাজ, যা সকল নবী-রাসূল সম্পাদন করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা এসব সুন্নাত পালনকারীদেরকে ভালোবাসেন। আর তারা এর মাধ্যমে পূর্ণ গুণের অধিকারী হয় এবং আকৃতিগতভাবেও মর্যাদা পায়। এ ব্যাপারে ইসলামী শরীয়ত একমত যে, এগুলো হলো প্রাচীন সুন্নাত, যা সকল নবী-রাসূল পছন্দ করেছেন।
##স্বভাবজাত রীতি অনুসরণের মধ্যে দ্বীনী ও দুনিয়াবী অনেক কল্যাণ রয়েছে। এর ফলে দৈহিক গঠন সুন্দর থাকে এবং শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : اَلْفِطْرَةُ خَمْسٌ الْخِتَانُ وَالْاِسْتِحْدَادُ وَنَتْفُ الْإِبْطِ وَقَصُّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيْمُ الْأَظْفَارِ
আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, ফিতরাত হলো পাঁচটি জিনিস বা কাজ। আর তা হলো- খাতনা করা, নাভির নিচে ক্ষুর ব্যবহার করা (অর্থাৎ নাভির নীচের পশমগুলো মুন্ডানো), বগলের নিচের লোম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা এবং গোঁফ ছেঁটে ফেলা। [সহীহ বুখারী, হা/৬২৯৭; সহীহ মুসলিম, হা/৬২০; আবু দাউদ, হা/৪২০০; ইবনে মাজাহ, হা/২৯২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭২৬০; মিশকাত, হা/৪৪২০; মুসনাদে হুমাইদী, হা/৯৮২।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : عَشْرٌ مِنَ الْفِطْرَةِ قَصُّ الشَّارِبِ وَإِعْفَاءُ اللِّحْيَةِ وَالسِّوَاكُ وَاسْتِنْشَاقُ الْمَاءِ وَقَصُّ الْأَظْفَارِ وَغَسْلُ الْبَرَاجِمِ وَنَتْفُ الْإِبْطِ وَحَلْقُ الْعَانَةِ وَانْتِقَاصُ الْمَاءِ . قَالَ زَكَرِيَّاءُ قَالَ مُصْعَبٌ وَنَسِيْتُ الْعَاشِرَةَ إِلَّا أَنْ تَكُوْنَ الْمَضْمَضَةَ . زَادَ قُتَيْبَةُ قَالَ وَكِيْعٌ انْتِقَاصُ الْمَاءِ يَعْنِي الْاِسْتِنْجَاءَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, দশটি কাজ ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত :
১. গোঁফ খাটো করা,
২. দাড়ি লম্বা করা,
৩. মিসওয়াক করা,
৪. পানি দিয়ে নাক ঝাড়া,
৫. নখ কাটা,
৬. আঙ্গুলের গিরাসমূহ ধোয়া,
৭. বগলের পশম উপড়ে ফেলা,
৮. নাভির নীচের পশম মুন্ডন করা
৯. এবং পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা।
যাকারিয়্যা বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারী মুস‘আব বলেছেন, দশমটির কথা আমি ভুলে গিয়েছি। সম্ভবত সেটি হবে কুলি করা। কুতায়বা আরো বাড়িয়ে বলেন, ওয়াকী বলেছেন, (দশমটি হচ্ছে) اِنْتِقَاصُ الْمَاءِ অর্থাৎ ইস্তিঞ্জা করা। [সহীহ মুসলিম, হা/৬২৭; আবু দাউদ, হা/৫৩; তিরমিযী, হা/২৭৫৭; ইবনে মাজাহ, হা/২৯৩।]
##স্বভাবজাত রীতি অনুসরণের মধ্যে দ্বীনী ও দুনিয়াবী অনেক কল্যাণ রয়েছে। এর ফলে দৈহিক গঠন সুন্দর থাকে এবং শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : اَلْفِطْرَةُ خَمْسٌ الْخِتَانُ وَالْاِسْتِحْدَادُ وَنَتْفُ الْإِبْطِ وَقَصُّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيْمُ الْأَظْفَارِ
আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, ফিতরাত হলো পাঁচটি জিনিস বা কাজ। আর তা হলো- খাতনা করা, নাভির নিচে ক্ষুর ব্যবহার করা (অর্থাৎ নাভির নীচের পশমগুলো মুন্ডানো), বগলের নিচের লোম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা এবং গোঁফ ছেঁটে ফেলা। [সহীহ বুখারী, হা/৬২৯৭; সহীহ মুসলিম, হা/৬২০; আবু দাউদ, হা/৪২০০; ইবনে মাজাহ, হা/২৯২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭২৬০; মিশকাত, হা/৪৪২০; মুসনাদে হুমাইদী, হা/৯৮২।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : عَشْرٌ مِنَ الْفِطْرَةِ قَصُّ الشَّارِبِ وَإِعْفَاءُ اللِّحْيَةِ وَالسِّوَاكُ وَاسْتِنْشَاقُ الْمَاءِ وَقَصُّ الْأَظْفَارِ وَغَسْلُ الْبَرَاجِمِ وَنَتْفُ الْإِبْطِ وَحَلْقُ الْعَانَةِ وَانْتِقَاصُ الْمَاءِ . قَالَ زَكَرِيَّاءُ قَالَ مُصْعَبٌ وَنَسِيْتُ الْعَاشِرَةَ إِلَّا أَنْ تَكُوْنَ الْمَضْمَضَةَ . زَادَ قُتَيْبَةُ قَالَ وَكِيْعٌ انْتِقَاصُ الْمَاءِ يَعْنِي الْاِسْتِنْجَاءَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, দশটি কাজ ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত :
১. গোঁফ খাটো করা,
২. দাড়ি লম্বা করা,
৩. মিসওয়াক করা,
৪. পানি দিয়ে নাক ঝাড়া,
৫. নখ কাটা,
৬. আঙ্গুলের গিরাসমূহ ধোয়া,
৭. বগলের পশম উপড়ে ফেলা,
৮. নাভির নীচের পশম মুন্ডন করা
৯. এবং পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা।
যাকারিয়্যা বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারী মুস‘আব বলেছেন, দশমটির কথা আমি ভুলে গিয়েছি। সম্ভবত সেটি হবে কুলি করা। কুতায়বা আরো বাড়িয়ে বলেন, ওয়াকী বলেছেন, (দশমটি হচ্ছে) اِنْتِقَاصُ الْمَاءِ অর্থাৎ ইস্তিঞ্জা করা। [সহীহ মুসলিম, হা/৬২৭; আবু দাউদ, হা/৫৩; তিরমিযী, হা/২৭৫৭; ইবনে মাজাহ, হা/২৯৩।]