১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৮
আমীন বলা
اٰمِيْن শব্দের অর্থ হচ্ছে, اَللّٰهُمَّ اسْتَجِبْ অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি কবুল করো।
আমীনের শব্দ শুনে ইয়াহুদিরা হিংসা করে :
عَنْ عَائِشَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ ، قَالَ : مَا حَسَدَتْكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ ، مَا حَسَدَتْكُمْ عَلَى السَّلاَمِ وَالتَّأْمِينِ
আয়েশা (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ইয়াহুদিরা তোমাদের অন্য কোন বিষয়ে এত বেশি হিংসা করে না যতটকু হিংসা করে তোমাদের সালাম ও আমীন বলার কারণে। [ইবনে মাজাহ, হা/৮৫৬; জামেউস সগীর, হা/১০৫৫০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫১৫; আদাবুল মুফরাদ, হা/৯৮৮।]
আমীন বললে গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয় :
عَنْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ ، اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ : اِذَا قَالَ الْاِمَامُ ﴿غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّآلِّيْنَ﴾ فَقُوْلُوْا اٰمِيْنَ ، فَاِنَّهٗ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهٗ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهٖ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইমাম যখন ‘গাইরিল্ মাগ্যূবি আলাইহিম্ ওয়ালায্যো-ল্লীন’ বলেন, তখন তোমরা ‘আমীন’ বলবে। (কারণ তখন ফেরেশতারা ‘আমীন’ বলে থাকেন।) আর যার ‘আমীন’ বলা ফেরেশতাদের ‘আমীন’ বলার সাথে মিলে যাবে, তার পেছনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭৮২, সহীহ মুসলিম, হা/৯৪৭; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৯৫; আবু দাউদ, হা/৯৩৬; নাসাঈ, হা/৯২৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭১৮৭; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৮০৪; দারেমী, হা/১২৪৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫১৪; মিশকাত, হা/৮২৫।]
ইমামকেও আমীন বলতে হবে :
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : إِذَا قَالَ الْإِِمَامُ ﴿غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّآلِّينَ﴾ فَقُوْلُوْا : اٰمِيْنَ ؛ فَإِنَّ الْمَلَآئِكَةَ تَقُوْلُ : اٰمِيْنَ ، وَالْإِِمَامُ يَقُوْلُ : اٰمِيْنَ ، فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِيْنُهٗ تَأْمِيْنَ الْمَلَآئِكَةِ غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইমাম যখন ‘গাইরিল্ মাগ্যূবি আলাইহিম্ ওয়ালায্যো-ল্লীন’ বলেন, তখন তোমরা ‘আমীন’ বলবে। কারণ তখন ফেরেশতারা ‘আমীন’ বলে থাকেন, আর তখন ইমামও ‘আমীন’ বলে থাকেন। আর যার ‘আমীন’ বলা ফেরেশতাদের ‘আমীন’ বলার সাথে মিলে যাবে, তার পেছনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৮০৪।]
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ : إِذَا أَمَّنَ الْإِمَامُ فَأَمِّنُوْا ، فَإِنَّهٗ مَنْ وَافَقَ تَأْمِيْنُهٗ تَأْمِيْنَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهٖ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যখন ইমাম আমীন বলে তখন তোমরাও আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলাটা আসমানে ফেরেশতাদের আমীন-এর সাথে মিলে যাবে, তার পূর্বের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭৮০; সহীহ মুসলিম, হা/৯৪২; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৯৪; আবু দাউদ, হা/৯৩৭; তিরমিযী, হা/ ২৫০; নাসাঈ, হা/৯২৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৫৮৩।]
আমীনের শব্দ শুনে ইয়াহুদিরা হিংসা করে :
عَنْ عَائِشَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ ، قَالَ : مَا حَسَدَتْكُمُ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ ، مَا حَسَدَتْكُمْ عَلَى السَّلاَمِ وَالتَّأْمِينِ
আয়েশা (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ইয়াহুদিরা তোমাদের অন্য কোন বিষয়ে এত বেশি হিংসা করে না যতটকু হিংসা করে তোমাদের সালাম ও আমীন বলার কারণে। [ইবনে মাজাহ, হা/৮৫৬; জামেউস সগীর, হা/১০৫৫০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫১৫; আদাবুল মুফরাদ, হা/৯৮৮।]
আমীন বললে গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয় :
عَنْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ ، اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ : اِذَا قَالَ الْاِمَامُ ﴿غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّآلِّيْنَ﴾ فَقُوْلُوْا اٰمِيْنَ ، فَاِنَّهٗ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهٗ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهٖ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইমাম যখন ‘গাইরিল্ মাগ্যূবি আলাইহিম্ ওয়ালায্যো-ল্লীন’ বলেন, তখন তোমরা ‘আমীন’ বলবে। (কারণ তখন ফেরেশতারা ‘আমীন’ বলে থাকেন।) আর যার ‘আমীন’ বলা ফেরেশতাদের ‘আমীন’ বলার সাথে মিলে যাবে, তার পেছনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭৮২, সহীহ মুসলিম, হা/৯৪৭; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৯৫; আবু দাউদ, হা/৯৩৬; নাসাঈ, হা/৯২৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭১৮৭; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৮০৪; দারেমী, হা/১২৪৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫১৪; মিশকাত, হা/৮২৫।]
ইমামকেও আমীন বলতে হবে :
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : إِذَا قَالَ الْإِِمَامُ ﴿غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّآلِّينَ﴾ فَقُوْلُوْا : اٰمِيْنَ ؛ فَإِنَّ الْمَلَآئِكَةَ تَقُوْلُ : اٰمِيْنَ ، وَالْإِِمَامُ يَقُوْلُ : اٰمِيْنَ ، فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِيْنُهٗ تَأْمِيْنَ الْمَلَآئِكَةِ غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ইমাম যখন ‘গাইরিল্ মাগ্যূবি আলাইহিম্ ওয়ালায্যো-ল্লীন’ বলেন, তখন তোমরা ‘আমীন’ বলবে। কারণ তখন ফেরেশতারা ‘আমীন’ বলে থাকেন, আর তখন ইমামও ‘আমীন’ বলে থাকেন। আর যার ‘আমীন’ বলা ফেরেশতাদের ‘আমীন’ বলার সাথে মিলে যাবে, তার পেছনের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৮০৪।]
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ : إِذَا أَمَّنَ الْإِمَامُ فَأَمِّنُوْا ، فَإِنَّهٗ مَنْ وَافَقَ تَأْمِيْنُهٗ تَأْمِيْنَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهٗ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهٖ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যখন ইমাম আমীন বলে তখন তোমরাও আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলাটা আসমানে ফেরেশতাদের আমীন-এর সাথে মিলে যাবে, তার পূর্বের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী, হা/৭৮০; সহীহ মুসলিম, হা/৯৪২; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৯৪; আবু দাউদ, হা/৯৩৭; তিরমিযী, হা/ ২৫০; নাসাঈ, হা/৯২৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৫৮৩।]