১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭০
সালাতুত তাসবীহ
তাসবীহ শব্দের অর্থ হচ্ছে আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করা। সালাতুত তাসবীহের মধ্যে একটি বিশেষ তাসবীহ অনেকবার পাঠ করা হয় বিধায় এ সালাতকে সালাতুত তাসবীহ বলা হয়।
সালাতুত তাসবীর অবস্থান :
সালাতুত তাসবীর হাদীসটি আবু দাউদ, তিরমিযী, মুসনাদে আহমাদ প্রভৃতি গ্রন্থে এসেছে। এ বিষয়ের হাদীসগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মাঝে মতভেদ লক্ষ্য করা যায় :
প্রথম অভিমত : ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ (রহ.) বলেন, এ বিষয়ের হাদীস মিথ্যা। ইবনুল জাওযী বলেন, যঈফ বা জাল। ইমাম আহমাদের প্রাচীন মতে এ সম্পর্কিত হাদীস সহীহ নয়। শাইখ আবদুল আযীয বিন বায ও শাইখ সালিহ আল উসাইমিন (রহ.) তারাও এ মতের সমর্থক।
দ্বিতীয় অভিমত : হাদীসটির যঈফ সূত্রগুলো পরস্পরকে শক্তিশালী করে মনে করে একদল মুহাদ্দিস হাদীসটিকে হাসান বা সহীহ আখ্যায়িত করেছেন। শাইখ আলবানী (রহ.) একাধিক সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত হওয়ায় স্বীয় সহীহ আবু দাউদের ১১৫২ নং হাদীসে এটাকে সংকলন করেছেন এবং ইবনে হাজার আসক্বালানী একে হাসান সত্মরে উন্নীত করেছেন।
সালাতুত তাসবীহ সংক্রামত্ম হাদীসের সনদের ব্যাপারে এ মতভেদ থাকার কারণে এ সালাতের হুকুম সম্পর্কেও মতভেদ রয়েছে। কারো মতে নফল হিসেবে এ সালাত আদায় করা যাবে। আবার কেউ বলেন, যেহেতু এর সনদ দুর্বল, আর দুর্বল সনদের উপর ভিত্তি করে কোন ইবাদাত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না- বিধায় তারা সালাতুত তাসবীহ না পড়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। [সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ, ১/৩৭৬-৭৮ পৃঃ।]
সালাতুত তাসবীর অবস্থান :
সালাতুত তাসবীর হাদীসটি আবু দাউদ, তিরমিযী, মুসনাদে আহমাদ প্রভৃতি গ্রন্থে এসেছে। এ বিষয়ের হাদীসগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মাঝে মতভেদ লক্ষ্য করা যায় :
প্রথম অভিমত : ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ (রহ.) বলেন, এ বিষয়ের হাদীস মিথ্যা। ইবনুল জাওযী বলেন, যঈফ বা জাল। ইমাম আহমাদের প্রাচীন মতে এ সম্পর্কিত হাদীস সহীহ নয়। শাইখ আবদুল আযীয বিন বায ও শাইখ সালিহ আল উসাইমিন (রহ.) তারাও এ মতের সমর্থক।
দ্বিতীয় অভিমত : হাদীসটির যঈফ সূত্রগুলো পরস্পরকে শক্তিশালী করে মনে করে একদল মুহাদ্দিস হাদীসটিকে হাসান বা সহীহ আখ্যায়িত করেছেন। শাইখ আলবানী (রহ.) একাধিক সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত হওয়ায় স্বীয় সহীহ আবু দাউদের ১১৫২ নং হাদীসে এটাকে সংকলন করেছেন এবং ইবনে হাজার আসক্বালানী একে হাসান সত্মরে উন্নীত করেছেন।
সালাতুত তাসবীহ সংক্রামত্ম হাদীসের সনদের ব্যাপারে এ মতভেদ থাকার কারণে এ সালাতের হুকুম সম্পর্কেও মতভেদ রয়েছে। কারো মতে নফল হিসেবে এ সালাত আদায় করা যাবে। আবার কেউ বলেন, যেহেতু এর সনদ দুর্বল, আর দুর্বল সনদের উপর ভিত্তি করে কোন ইবাদাত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না- বিধায় তারা সালাতুত তাসবীহ না পড়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। [সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ, ১/৩৭৬-৭৮ পৃঃ।]