১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৬
সালাত ছাড়া অন্যান্য আযান
সালাত ছাড়াও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আযান দেয়ার বৈধতা রয়েছে। যেমন-
সাহরীর সময় আযান দেয়া :
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, বিলাল (রাঃ) ফজরের পূর্বে অর্থাৎ সাহরী খাওয়ার সময় আযান দিয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা উম্মে মাকতুম (রাঃ) এর আযান না শুনা পর্যমত্ম খাও এবং পান করো। [সহীহ বুখারী, হা/৬২৩; সহীহ মুসলিম, হা/২৫৯০; তিরমিযী, হা/২০৩; নাসাঈ, হা/৬৩৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৫৫১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৪৭৩।]
সমত্মান ভূমিষ্ঠ হলে আযান দেয়া :
কারো সমত্মান ভূমিষ্ঠ হলে তার কানে আযান দেয়া সুন্নাত। হাসান ইবনে আলী (রাঃ) যখন ভূমিষ্ঠ হন তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তার কানে আযান দিয়েছিলেন। [তিরমিযী, হা/১৫১৪; আবু দাউদ, হা/৫১০৭; মিশকাত, হা/৪১৫৭।]
উল্লেখ্য যে, নবজাতকের ডান কানে আযান দেয়ার পর বাম কানে ইকামত দেয়ার কোন সহীহ দলীল নেই। এ মর্মে যেসব বর্ণনা এসেছে তা নিতামত্মই যঈফ। কেউ কেউ বলেছেন, মাওযু বা বানোয়াট। [সিলসিলা যঈফাহ, হা/৩২১।]
ঝড়-তুফানের সময় আযান দেয়া :
অনেক জায়গায় দেখা যায় যে, ঝড়-তুফানের সময় আযান দেয়া হয়। কিমত্মু এর কোন দলীল নেই।
সাহরীর সময় আযান দেয়া :
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, বিলাল (রাঃ) ফজরের পূর্বে অর্থাৎ সাহরী খাওয়ার সময় আযান দিয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা উম্মে মাকতুম (রাঃ) এর আযান না শুনা পর্যমত্ম খাও এবং পান করো। [সহীহ বুখারী, হা/৬২৩; সহীহ মুসলিম, হা/২৫৯০; তিরমিযী, হা/২০৩; নাসাঈ, হা/৬৩৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৫৫১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৪৭৩।]
সমত্মান ভূমিষ্ঠ হলে আযান দেয়া :
কারো সমত্মান ভূমিষ্ঠ হলে তার কানে আযান দেয়া সুন্নাত। হাসান ইবনে আলী (রাঃ) যখন ভূমিষ্ঠ হন তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তার কানে আযান দিয়েছিলেন। [তিরমিযী, হা/১৫১৪; আবু দাউদ, হা/৫১০৭; মিশকাত, হা/৪১৫৭।]
উল্লেখ্য যে, নবজাতকের ডান কানে আযান দেয়ার পর বাম কানে ইকামত দেয়ার কোন সহীহ দলীল নেই। এ মর্মে যেসব বর্ণনা এসেছে তা নিতামত্মই যঈফ। কেউ কেউ বলেছেন, মাওযু বা বানোয়াট। [সিলসিলা যঈফাহ, হা/৩২১।]
ঝড়-তুফানের সময় আযান দেয়া :
অনেক জায়গায় দেখা যায় যে, ঝড়-তুফানের সময় আযান দেয়া হয়। কিমত্মু এর কোন দলীল নেই।