১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৮
সুতরার বিধান
সুতরা অর্থ আড়াল করা। মুসল্লি কোন কিছু পুঁতে রেখে তার সিজদার জায়গা পর্যন্ত সংরক্ষণ করবে- এটাকে সুতরা বলা হয়। মুসল্লির সামনে সুতরা রাখা সুন্নাত। এর দিকে মুখ করে সে সালাত পড়বে, চাই সে ইমাম হোক অথবা একাকী সালাত আদায়কারী হোক।
মুসল্লির সম্মুখ দিয়ে যাওয়া নিষেধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, মুসল্লির সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত যে, এতে কত বড় পাপ রয়েছে, তাহলে সে সেখানে অতিক্রম করে চলে যাওয়ার চেয়ে চল্লিশ দিন বা চল্লিশ বছর দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম মনে করত। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৬৩; সহীহ বুখারী, হা/৫১০; সহীহ মুসলিম, হা/৭০১; তিরমিযী, হা/৩৩৬।]
ইমাম ও সুতরার মধ্য দিয়ে অতিক্রমকারীকে হাদীসে শয়তান বলে অভিহিত করা হয়েছে। [সহীহ বুখারী, হা/৫০৯; সহীহ মুসলিম, হা/১১৫৭; আবু দাউদ, হা/৭০০; মিশকাত হা/৭৭৭।] এজন্য কিবলার দিকে লাঠি, দেওয়াল, মানুষ বা যে কোন বস্তু দ্বারা মুসল্লির সম্মুখে সুতরা বা আড়াল করতে হয়। তবে জামাআত চলা অবস্থায় অনিবার্য কারণে মুক্তাদীদের কাতারের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করা জায়েয আছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৬৬; সহীহ বুখারী, হা/৭৬; সহীহ মুসলিম, হা/১১৫২; মিশকাত হা/৭৮০।] সিজদার স্থান হতে সুতরার মধ্যে একটি বকরী যাওয়ার মতো ফাঁকা রাখা আবশ্যক। [সহীহ বুখারী, হা/৪৯৬; সহীহ মুসলিম, হা/১১৩৪।] অতএব মসজিদে বা খোলা স্থানে মুসল্লির সিজদার স্থান হতে একটি বকরী যাওয়ার মতো দূরত্ব রেখে অতিক্রম করা যেতে পারে। তবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করাই উত্তম।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, তোমরা সুতরা সামনে না রেখে সালাতে দাঁড়িয়ো না এবং কাউকে তোমার সামনে দিয়ে পার হতে দিও না, এরপরও যদি কেউ পার হতে চায়, তবে বাধা দাও; কারণ তার সাথে শয়তান আছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৬২; সহীহ বুখারী, হা/৩২৭৪; সহীহ মুসলিম, হা/১১৫৬।]
রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন খোলা ময়দানে সালাতে দাঁড়াতেন এবং সুতরা হিসেবে ব্যবহার করার মতো কিছুই না পেতেন তখন তিনি নিজের সামনে একটি বর্শা পুঁতে নিতেন এবং সেটিকে সুতরা বানিয়ে সালাতে দাঁড়াতেন। অতঃপর সাহাবীগণও তাঁর পেছনে সালাতে দাঁড়াতেন। [সহীহ বুখারী, হা/৯৭৩; সহীহ মুসলিম, হা/৭৭২।]
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কখনো নবী ﷺ তাঁর নিজ বাহনকেই আড়াআড়িভাবে রেখে তাকে সুতরা বানিয়ে সালাতে দাঁড়িয়েছেন। [সহীহ বুখারী, হা/৫০৭; সহীহ মুসলিম, হা/১১৪৫।]
ইমামের সুতরাই মুক্তাদীদের জন্য যথেষ্ট :
জামাআতে সালাত আদায়ের সময় ইমামই মুক্তাদীদের সুতরা। তবে অবশ্যই ইমামের সামনে একটি সুতরা থাকতে হবে। নবী ﷺ ঈদের দিন খোলা ময়দানে সালাত আদায়কালে তাঁর সামনে একটা বর্শা পুঁততে বলতেন এবং ওটাকেই তিনি সুতরা বানিয়ে সালাত আদায় করতেন এবং অন্যান্য লোকেরা তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে (বিনা সুতরায়) সালাত আদায় করত। [সহীহ বুখারী, হা/৯৭৩; সহীহ মুসলিম, হা/৭৭২।]
মুসল্লির সম্মুখ দিয়ে যাওয়া নিষেধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, মুসল্লির সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত যে, এতে কত বড় পাপ রয়েছে, তাহলে সে সেখানে অতিক্রম করে চলে যাওয়ার চেয়ে চল্লিশ দিন বা চল্লিশ বছর দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম মনে করত। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৬৩; সহীহ বুখারী, হা/৫১০; সহীহ মুসলিম, হা/৭০১; তিরমিযী, হা/৩৩৬।]
ইমাম ও সুতরার মধ্য দিয়ে অতিক্রমকারীকে হাদীসে শয়তান বলে অভিহিত করা হয়েছে। [সহীহ বুখারী, হা/৫০৯; সহীহ মুসলিম, হা/১১৫৭; আবু দাউদ, হা/৭০০; মিশকাত হা/৭৭৭।] এজন্য কিবলার দিকে লাঠি, দেওয়াল, মানুষ বা যে কোন বস্তু দ্বারা মুসল্লির সম্মুখে সুতরা বা আড়াল করতে হয়। তবে জামাআত চলা অবস্থায় অনিবার্য কারণে মুক্তাদীদের কাতারের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করা জায়েয আছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৬৬; সহীহ বুখারী, হা/৭৬; সহীহ মুসলিম, হা/১১৫২; মিশকাত হা/৭৮০।] সিজদার স্থান হতে সুতরার মধ্যে একটি বকরী যাওয়ার মতো ফাঁকা রাখা আবশ্যক। [সহীহ বুখারী, হা/৪৯৬; সহীহ মুসলিম, হা/১১৩৪।] অতএব মসজিদে বা খোলা স্থানে মুসল্লির সিজদার স্থান হতে একটি বকরী যাওয়ার মতো দূরত্ব রেখে অতিক্রম করা যেতে পারে। তবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করাই উত্তম।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, তোমরা সুতরা সামনে না রেখে সালাতে দাঁড়িয়ো না এবং কাউকে তোমার সামনে দিয়ে পার হতে দিও না, এরপরও যদি কেউ পার হতে চায়, তবে বাধা দাও; কারণ তার সাথে শয়তান আছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৬২; সহীহ বুখারী, হা/৩২৭৪; সহীহ মুসলিম, হা/১১৫৬।]
রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন খোলা ময়দানে সালাতে দাঁড়াতেন এবং সুতরা হিসেবে ব্যবহার করার মতো কিছুই না পেতেন তখন তিনি নিজের সামনে একটি বর্শা পুঁতে নিতেন এবং সেটিকে সুতরা বানিয়ে সালাতে দাঁড়াতেন। অতঃপর সাহাবীগণও তাঁর পেছনে সালাতে দাঁড়াতেন। [সহীহ বুখারী, হা/৯৭৩; সহীহ মুসলিম, হা/৭৭২।]
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কখনো নবী ﷺ তাঁর নিজ বাহনকেই আড়াআড়িভাবে রেখে তাকে সুতরা বানিয়ে সালাতে দাঁড়িয়েছেন। [সহীহ বুখারী, হা/৫০৭; সহীহ মুসলিম, হা/১১৪৫।]
ইমামের সুতরাই মুক্তাদীদের জন্য যথেষ্ট :
জামাআতে সালাত আদায়ের সময় ইমামই মুক্তাদীদের সুতরা। তবে অবশ্যই ইমামের সামনে একটি সুতরা থাকতে হবে। নবী ﷺ ঈদের দিন খোলা ময়দানে সালাত আদায়কালে তাঁর সামনে একটা বর্শা পুঁততে বলতেন এবং ওটাকেই তিনি সুতরা বানিয়ে সালাত আদায় করতেন এবং অন্যান্য লোকেরা তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে (বিনা সুতরায়) সালাত আদায় করত। [সহীহ বুখারী, হা/৯৭৩; সহীহ মুসলিম, হা/৭৭২।]