১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
নিয়মিত সালাত আদায় করতে হবে
অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিয়মিত সালাত আদায় করে না। মাঝে মধ্যে সালাত পড়ে। যেমন- সপ্তাহে সাত দিনের মধ্যে একদিন পড়ে আর বাকী ছয় দিন পড়ে না, তাও আবার পাঁচ ওয়াক্ত নয়, শুধু জুমু‘আর সালাতটা। বৎসরে বারটি মাসের মধ্যে সে এগার মাস সালাত পড়ে না। একমাস পড়ে, তাও আবার অনেকে ঐ মাসেও পাঁচ ওয়াক্ত পড়ে না। বরং তারাবীর সালাতটা পড়ার জন্য এশার জামাআতে গিয়ে শরীক হয়। অথচ তারাবীর সালাত একটি নফল সালাত। আর অধিকাংশ সময়ই তাদের কাছে ফরয সালাতের চেয়ে নফল সালাত বেশি প্রাধান্য পায়।
এতটুকু সালাত দ্বারা আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না এবং জান্নাতও পাওয়া যাবে না। তাই নিয়মিত সালাতের অভ্যাস গড়ে তোলা সকল মুসলিমের উপর ফরয। আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতবাসী লোকদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُوْنَ﴾
আর যারা তাদের সালাতসমূহের হেফাযত করে। (সূরা মু’মিনূন- ৯)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿اَلَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ دَآئِمُوْنَ﴾
আর যারা দাইমী সালাত আদায় করে। অর্থাৎ সর্বদা বিনয় ও স্থিরতার সাথে সালাত আদায় করে। (সূরা মাআরিজ- ২৩)
হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ ، رَضِيَ اللهُ عَنْهَا ، اَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ النَّبِيُّ ﷺ اَيُّ الْاَعْمَالِ اَحَبُّ اِلَى اللهِ قَالَ اَدْوَمُهَا وَاِنْ قَلَّ وَقَالَ اكْلَفُوْا مِنَ الْاَعْمَالِ مَا تُطِيْقُوْنَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে প্রশ্ন করা হলো, কোন্ কাজ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয়? তিনি বললেন, যে কাজ সার্বক্ষণিক ও নিয়মিত করা হয়- যদিও তা (পরিমাণে) কম হয়। তিনি আরো বললেন, তোমার সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ নিজের উপর টেনে নিও না। [সহীহ বুখারী, হা/৬৪৬৫; সহীহ মুসলিম, হা/১৮৬৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫৩৫৬।]
অতএব উপরের আলোচনা থেকে এটাই বুঝা যায় যে, সালাত শুধু পড়লেই হয় না। সালাতের হক আদায় করে যথানিয়মে যথাসময়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিয়মিত সালাত আদায় করতে হবে।
এতটুকু সালাত দ্বারা আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না এবং জান্নাতও পাওয়া যাবে না। তাই নিয়মিত সালাতের অভ্যাস গড়ে তোলা সকল মুসলিমের উপর ফরয। আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতবাসী লোকদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُوْنَ﴾
আর যারা তাদের সালাতসমূহের হেফাযত করে। (সূরা মু’মিনূন- ৯)
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿اَلَّذِيْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ دَآئِمُوْنَ﴾
আর যারা দাইমী সালাত আদায় করে। অর্থাৎ সর্বদা বিনয় ও স্থিরতার সাথে সালাত আদায় করে। (সূরা মাআরিজ- ২৩)
হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ ، رَضِيَ اللهُ عَنْهَا ، اَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ النَّبِيُّ ﷺ اَيُّ الْاَعْمَالِ اَحَبُّ اِلَى اللهِ قَالَ اَدْوَمُهَا وَاِنْ قَلَّ وَقَالَ اكْلَفُوْا مِنَ الْاَعْمَالِ مَا تُطِيْقُوْنَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে প্রশ্ন করা হলো, কোন্ কাজ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয়? তিনি বললেন, যে কাজ সার্বক্ষণিক ও নিয়মিত করা হয়- যদিও তা (পরিমাণে) কম হয়। তিনি আরো বললেন, তোমার সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ নিজের উপর টেনে নিও না। [সহীহ বুখারী, হা/৬৪৬৫; সহীহ মুসলিম, হা/১৮৬৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫৩৫৬।]
অতএব উপরের আলোচনা থেকে এটাই বুঝা যায় যে, সালাত শুধু পড়লেই হয় না। সালাতের হক আদায় করে যথানিয়মে যথাসময়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিয়মিত সালাত আদায় করতে হবে।