১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮৯
নিজের মান-সম্মান রক্ষা করুন, নিয়মিত সালাত পড়ুন
আপনি যদি মুসলিম হওয়ার ব্যাপারে সত্যবাদী হতে চান এবং নিজেকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিতে চান তাহলে সালাত পড়ুন।
আপনি যদি ভদ্র, চরিত্রবান ও নিয়মানুবর্তী হতে চান তাহলে সালাত পড়ুন, সালাত আপনাকে এ সকল গুণাবলি অর্জনে সহায়তা করবে।
আপনার মাতা-পিতাকে যদি আপনি ভালোবাসেন, তাদের প্রতি যদি আপনার দরদ থাকে তাহলে আপনি সালাত পড়ুন। এতে তারা খুশি হবেন এবং তাদের ব্যাপারে আপনার দু‘আ আল্লাহর কাছে কবুল হবে।
আপনি যদি আপনার সন্তানদেরকে ভালোবাসেন, তাহলে আপনি সালাত পড়ুন। এতে তারাও সালাত আদায়কারী হবে। আপনি নিজেই যদি সালাত না পড়েন তাহলে তারা শিখবে কীভাবে? দুনিয়ার অগ্নিকুন্ডে আপনার সন্তানকে ফেলে দিতে চান না, তাহলে জাহান্নামের আগুনে তাদেরকে কেন ফেলতে চান? নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘সাত বৎসর হলেই সন্তানকে সালাত শিখাও। আর দশ বৎসর হয়ে গেলে সালাত না পড়লে তাদেরকে প্রহার করো।’’ [আবু দাঊদ, হা/৪৯৪; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/২৩৪৫; শারহুস সুন্নাহ, হা/৫০২; জামেউস সগীর, হা/১০৮০৬।]
স্বামী-স্ত্রী যদি পরস্পরকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসতে চান, তবে দু’জনেই সালাত পড়ুন, এতে আপনাদের মধ্যে মায়া-মহববত আরো বেশি হবে। আপনাদের আনন্দ হবে পুতঃপবিত্র।
আপনি যদি দেশপ্রেমিক হতে চান, তাহলে সালাত পড়ুন। কারণ সালাত ছেড়ে দেয়া কবীরা গোনাহ। আর কবীরা গোনাহ করলে আল্লাহর গজব, বিপদ-আপদ নেমে আসে, এতে দেশ ও জাতি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আপনি যদি সত্যিই আল্লাহকে ভালোবাসেন, তাহলে সালাত পড়ুন। কারণ যে যাকে ভালোবাসে, সে তার সাথে সাক্ষাৎ করতে ও কথা বলতে পছন্দ করে। আর আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গড়ার ও তার কাছে মুনাজাত করার সুবর্ণ সুযোগ ও মাধ্যম হলো সালাত।
একদিন আপনাকে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হতে হবে এবং সকল কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে এ বিশ্বাস যদি আপনার থাকে, তাহলে কোনভাবেই সালাত ছাড়বেন না। কারণ আল্লাহর আদালতে উপস্থিত হওয়ার পর সর্বপ্রথম প্রশ্ন করা হবে সালাত পড়েছ কি না। এই জায়গায় পাস করলে সবখানেই পাস করতে পারবেন আর সালাতের প্রশ্নে ফেল করলে আর কোথাও পাস করার আশা নেই।
জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনকে যদি আপনি ভয় করেন, তাহলে সালাত আদায় করুন। কারণ আমরা সূর্যের প্রখর তাপটুকু সহ্য করতে পারি না। আর জাহান্নামের আগুন যা হবে দুনিয়ার আগুনের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি শক্তিশালী, সে আগুন আমরা কীভাবে সহ্য করব।
আপনার নিজের প্রতি যদি দরদ ও মায়া থাকে, তাহলে সালাত ছাড়বেন না। কারণ আমরা দুনিয়ায় নিজেদেরকে কোন হালকা শাস্তির সম্মুখীন করতে চাই না, তাহলে সালাত না পড়ে নিজেদেরকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তির দিকে ঠেলে দেব কেন?
আপনি যদি জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন, তাহলে সালাত পড়ুন, কারণ কোন বুদ্ধিমানের উচিত নয়, সালাত ত্যাগ করা। তারপরও যারা বুঝে না তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَلَقَدْ ذَرَاْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيْرًا مِّنَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ لَهُمْ قُلُوْبٌ لَّا يَفْقَهُوْنَ بِهَا وَلَهُمْ اَعْيُنٌ لَّا يُبْصِرُوْنَ بِهَا وَلَهُمْ اٰذَانٌ لَّا يَسْمَعُوْنَ بِهَاۤ اُولٰٓئِكَ كَالْاَنْعَامِ بَلْ هُمْ اَضَلُّ اُولٰٓئِكَ هُمُ الْغَافِلُوْنَ﴾
আমি তো বহু জিন ও মানবকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তারা তা দ্বারা উপলব্ধি করতে পারে না, তাদের চক্ষু আছে কিন্তু তারা তা দ্বারা দেখতে পারে না এবং তাদের কর্ণ আছে কিন্তু তারা তা দ্বারা শ্রবণ করতে পারে না। তারা পশুর ন্যায়, বরং আরো অধিক বিভ্রামত্ম এবং তারাই গাফিল। (সূরা আ‘রাফ- ১৭৯)
আপনি যদি ভদ্র, চরিত্রবান ও নিয়মানুবর্তী হতে চান তাহলে সালাত পড়ুন, সালাত আপনাকে এ সকল গুণাবলি অর্জনে সহায়তা করবে।
আপনার মাতা-পিতাকে যদি আপনি ভালোবাসেন, তাদের প্রতি যদি আপনার দরদ থাকে তাহলে আপনি সালাত পড়ুন। এতে তারা খুশি হবেন এবং তাদের ব্যাপারে আপনার দু‘আ আল্লাহর কাছে কবুল হবে।
আপনি যদি আপনার সন্তানদেরকে ভালোবাসেন, তাহলে আপনি সালাত পড়ুন। এতে তারাও সালাত আদায়কারী হবে। আপনি নিজেই যদি সালাত না পড়েন তাহলে তারা শিখবে কীভাবে? দুনিয়ার অগ্নিকুন্ডে আপনার সন্তানকে ফেলে দিতে চান না, তাহলে জাহান্নামের আগুনে তাদেরকে কেন ফেলতে চান? নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘সাত বৎসর হলেই সন্তানকে সালাত শিখাও। আর দশ বৎসর হয়ে গেলে সালাত না পড়লে তাদেরকে প্রহার করো।’’ [আবু দাঊদ, হা/৪৯৪; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/২৩৪৫; শারহুস সুন্নাহ, হা/৫০২; জামেউস সগীর, হা/১০৮০৬।]
স্বামী-স্ত্রী যদি পরস্পরকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসতে চান, তবে দু’জনেই সালাত পড়ুন, এতে আপনাদের মধ্যে মায়া-মহববত আরো বেশি হবে। আপনাদের আনন্দ হবে পুতঃপবিত্র।
আপনি যদি দেশপ্রেমিক হতে চান, তাহলে সালাত পড়ুন। কারণ সালাত ছেড়ে দেয়া কবীরা গোনাহ। আর কবীরা গোনাহ করলে আল্লাহর গজব, বিপদ-আপদ নেমে আসে, এতে দেশ ও জাতি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আপনি যদি সত্যিই আল্লাহকে ভালোবাসেন, তাহলে সালাত পড়ুন। কারণ যে যাকে ভালোবাসে, সে তার সাথে সাক্ষাৎ করতে ও কথা বলতে পছন্দ করে। আর আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গড়ার ও তার কাছে মুনাজাত করার সুবর্ণ সুযোগ ও মাধ্যম হলো সালাত।
একদিন আপনাকে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হতে হবে এবং সকল কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে এ বিশ্বাস যদি আপনার থাকে, তাহলে কোনভাবেই সালাত ছাড়বেন না। কারণ আল্লাহর আদালতে উপস্থিত হওয়ার পর সর্বপ্রথম প্রশ্ন করা হবে সালাত পড়েছ কি না। এই জায়গায় পাস করলে সবখানেই পাস করতে পারবেন আর সালাতের প্রশ্নে ফেল করলে আর কোথাও পাস করার আশা নেই।
জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনকে যদি আপনি ভয় করেন, তাহলে সালাত আদায় করুন। কারণ আমরা সূর্যের প্রখর তাপটুকু সহ্য করতে পারি না। আর জাহান্নামের আগুন যা হবে দুনিয়ার আগুনের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি শক্তিশালী, সে আগুন আমরা কীভাবে সহ্য করব।
আপনার নিজের প্রতি যদি দরদ ও মায়া থাকে, তাহলে সালাত ছাড়বেন না। কারণ আমরা দুনিয়ায় নিজেদেরকে কোন হালকা শাস্তির সম্মুখীন করতে চাই না, তাহলে সালাত না পড়ে নিজেদেরকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তির দিকে ঠেলে দেব কেন?
আপনি যদি জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন, তাহলে সালাত পড়ুন, কারণ কোন বুদ্ধিমানের উচিত নয়, সালাত ত্যাগ করা। তারপরও যারা বুঝে না তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَلَقَدْ ذَرَاْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيْرًا مِّنَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ لَهُمْ قُلُوْبٌ لَّا يَفْقَهُوْنَ بِهَا وَلَهُمْ اَعْيُنٌ لَّا يُبْصِرُوْنَ بِهَا وَلَهُمْ اٰذَانٌ لَّا يَسْمَعُوْنَ بِهَاۤ اُولٰٓئِكَ كَالْاَنْعَامِ بَلْ هُمْ اَضَلُّ اُولٰٓئِكَ هُمُ الْغَافِلُوْنَ﴾
আমি তো বহু জিন ও মানবকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তারা তা দ্বারা উপলব্ধি করতে পারে না, তাদের চক্ষু আছে কিন্তু তারা তা দ্বারা দেখতে পারে না এবং তাদের কর্ণ আছে কিন্তু তারা তা দ্বারা শ্রবণ করতে পারে না। তারা পশুর ন্যায়, বরং আরো অধিক বিভ্রামত্ম এবং তারাই গাফিল। (সূরা আ‘রাফ- ১৭৯)