১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৬
ভ্রমণ অবস্থায় সালাতের বিধান
১. পরিবহনে কিবলামুখী হয়ে সালাত শুরু করা জরুরি। তারপর যদি বাহন অন্য দিকে ঘুরে যায় তবে অসুবিধা নেই।
২. যখন পরিবহনে রুকূ-সিজদা করা অসুবিধা মনে হবে, তখন কেবল তাকবীর দিয়ে ও মাথার ইশারায় সালাত আদায় করবে। সিজদার সময় মাথা রুকূর চেয়ে কিছুটা বেশি নীচু করবে।
৩. যখন কিবলা ঠিক করা সম্ভব হবে না কিংবা সন্দেহে পতিত হবে, তখন দৃঢ় ধারণার ভিত্তিতে একদিকে ফিরে সালাত আদায় করবে।
৪. পানি পথে চলার সময় যদি নৌকা অথবা জাহাজ ডুবে যাওয়ার ভয় না থাকে তবে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে পারবে। তবে যে কোন পরিবহনে ভ্রমণ অবস্থায় দাঁড়াতে কষ্ট হলে কোন কিছুতে ঠেস দেয়া যাবে। অন্যথায় বসে সালাত আদায় করবে।
সফরে নফল সালাত :
রাসূলুল্লাহ ﷺ সফরকালীন সময় ‘বিতর’ এবং ফজরের সুন্নাত দু’রাক‘আত ছাড়া সাধারণত ফরয সালাতের আগে বা পরে সুন্নাত সালাত আদায় করতেন না।
হাফস ইবনে আসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) এর সাথে মক্কার পথে সফর করছিলেন। পথে আবদুল্লাহ (রাঃ) যোহরের সালাতে ইমামতি করে দু’রাক‘আত ফরয সালাত আদায় করেন এবং নিজের তাবুতে ঢুকে যান। সেখান থেকে কিছু লোককে সালাতরত অবস্থায় দেখে প্রশ্ন করলেন যে, ওরা কি করছে? হাফস (রহ.) উত্তর দেন, ওরা নফল আদায় করছে। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, যদি সফরে নফলই আদায় করতে হয়, তাহলে তো ফরয সালাতই পুরোটা পড়া দরকার ছিল।
তিনি আরো বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে সফর করেছি। তিনি সফরকালে দু’রাক‘আতই আদায় করেছেন। আমি আরো সফর সঙ্গী হয়েছি আবু বকর, উমর ও উসমান (রাঃ) এর। তারা সবাই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মতোই সালাত আদায় করেছেন। সুতরাং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশ মোতাবেক চলা বা তাঁকে অনুসরণ করাই উত্তম। [সহীহ বুখারী, হা/১১০২; সহীহ মুসলিম, হা/১২১১; আবু দাউদ, হা/১২২৫; ইবনে মাজাহ, হা/১০৭১; নাসাঈ, হা/১৪৫৮; মিশকাত, হা/১৩৩৮।]
সফরে তাহাজ্জুদ পড়তে বাধা নেই :
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সফর অবস্থায় বাহন যেদিকে যেত সেদিকে মুখ করেই নফল সালাত আদায় করতেন। [; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৫৪; সহীহ বুখারী, হা/১০৯৩; সহীহ মুসলিম, হা/১৬৪৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৫১৮, ৪৯৫৬, ৫৪৪৭, ১৫০৮০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১২৬৪; শারহুস সুন্নাহ, হা/১০৩৬; মিশকাত, হা/১৩৪০।] রাসূলুল্লাহ ﷺ সফর অবস্থায় তাহাজ্জুদ পড়েছেন। [সহীহ বুখারী, হা/১১০৪; সহীহ মুসলিম, হা/১৬৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৫৭১০; মুসনাদুল বাযযার, হা/১০৯০।]
২. যখন পরিবহনে রুকূ-সিজদা করা অসুবিধা মনে হবে, তখন কেবল তাকবীর দিয়ে ও মাথার ইশারায় সালাত আদায় করবে। সিজদার সময় মাথা রুকূর চেয়ে কিছুটা বেশি নীচু করবে।
৩. যখন কিবলা ঠিক করা সম্ভব হবে না কিংবা সন্দেহে পতিত হবে, তখন দৃঢ় ধারণার ভিত্তিতে একদিকে ফিরে সালাত আদায় করবে।
৪. পানি পথে চলার সময় যদি নৌকা অথবা জাহাজ ডুবে যাওয়ার ভয় না থাকে তবে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে পারবে। তবে যে কোন পরিবহনে ভ্রমণ অবস্থায় দাঁড়াতে কষ্ট হলে কোন কিছুতে ঠেস দেয়া যাবে। অন্যথায় বসে সালাত আদায় করবে।
সফরে নফল সালাত :
রাসূলুল্লাহ ﷺ সফরকালীন সময় ‘বিতর’ এবং ফজরের সুন্নাত দু’রাক‘আত ছাড়া সাধারণত ফরয সালাতের আগে বা পরে সুন্নাত সালাত আদায় করতেন না।
হাফস ইবনে আসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) এর সাথে মক্কার পথে সফর করছিলেন। পথে আবদুল্লাহ (রাঃ) যোহরের সালাতে ইমামতি করে দু’রাক‘আত ফরয সালাত আদায় করেন এবং নিজের তাবুতে ঢুকে যান। সেখান থেকে কিছু লোককে সালাতরত অবস্থায় দেখে প্রশ্ন করলেন যে, ওরা কি করছে? হাফস (রহ.) উত্তর দেন, ওরা নফল আদায় করছে। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, যদি সফরে নফলই আদায় করতে হয়, তাহলে তো ফরয সালাতই পুরোটা পড়া দরকার ছিল।
তিনি আরো বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে সফর করেছি। তিনি সফরকালে দু’রাক‘আতই আদায় করেছেন। আমি আরো সফর সঙ্গী হয়েছি আবু বকর, উমর ও উসমান (রাঃ) এর। তারা সবাই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মতোই সালাত আদায় করেছেন। সুতরাং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশ মোতাবেক চলা বা তাঁকে অনুসরণ করাই উত্তম। [সহীহ বুখারী, হা/১১০২; সহীহ মুসলিম, হা/১২১১; আবু দাউদ, হা/১২২৫; ইবনে মাজাহ, হা/১০৭১; নাসাঈ, হা/১৪৫৮; মিশকাত, হা/১৩৩৮।]
সফরে তাহাজ্জুদ পড়তে বাধা নেই :
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সফর অবস্থায় বাহন যেদিকে যেত সেদিকে মুখ করেই নফল সালাত আদায় করতেন। [; মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৫৪; সহীহ বুখারী, হা/১০৯৩; সহীহ মুসলিম, হা/১৬৪৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪৫১৮, ৪৯৫৬, ৫৪৪৭, ১৫০৮০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১২৬৪; শারহুস সুন্নাহ, হা/১০৩৬; মিশকাত, হা/১৩৪০।] রাসূলুল্লাহ ﷺ সফর অবস্থায় তাহাজ্জুদ পড়েছেন। [সহীহ বুখারী, হা/১১০৪; সহীহ মুসলিম, হা/১৬৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৫৭১০; মুসনাদুল বাযযার, হা/১০৯০।]